বাংলাদেশে ব্যবসার খরচ বা ‘Cost of Doing Business’ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো ট্যাক্স অন ট্যাক্স (Tax on Tax) বা করের ওপর কর। সহজ কথায়, যখন কোনো পণ্যের ওপর
বৈশ্বিক বাণিজ্যে শুল্ক নিয়ে চলমান অস্থিরতা বাংলাদেশের মতো রপ্তানি-নির্ভর অর্থনীতির জন্য যেমন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, তেমনি কিছু কৌশলগত সুযোগও সৃষ্টি করেছে। তবে সার্বিকভাবে অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে।
২০২৬-২৭ করবর্ষের (যা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে শুরু হলেও ১ এপ্রিলের কিছু প্রাসঙ্গিক আপডেট রয়েছে) জন্য আয়কর আইনে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। মূলত অর্থ অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং নতুন
২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় সর্বশেষ ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর সরকারি আদেশে (এটি চতুর্থবার সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত)। নিচে সম্পূর্ণ ও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া
National Board of Revenue(NBR) স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিয়েছে যে আয়কর রিটার্ন জমানোর সময় আরও বাড়ানো হতে পারে, এবং এটা বাস্তবে ঘটারও সম্ভাবনা রয়েছে। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল: কেন সময় আরও
বাংলাদেশে ৭ মাসে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা শুল্ক–কর আদায়ে ঘাটতি নতুন সরকারের জন্য বড় আর্থিক ও নীতিগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। সাধারণত এ ধরনের ঘাটতি হলে বাজেট বাস্তবায়ন, উন্নয়ন ব্যয়
বাজেট-রাজস্ব ও উন্নয়ন বরাদ্দের বাস্তব চিত্র নিয়ে। এটি স্পষ্টভাবে বলা কঠিন যে নারায়ণগঞ্জ “ট্যাক্স যত দিচ্ছে ঠিক তত উন্নয়ন পাচ্ছে না” কারণ সরকারি বাজেট-ভিত্তিক বরাদ্দে প্রত্যেক জেলার রাজস্ব-অনুপাতের হিসাব সরাসরি
২০২৫-২৬ করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন (ই-রিটার্ন) জমা দেয়ার সংখ্যা প্রায় ৩৯ লাখ ছাড়িয়েছে। এটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য এ পর্যন্ত প্রায় ৩৯,০০,০০০ করদাতা তাদের আয়কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিল করেছেন বলে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট-কে সামনে রেখে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মতামত, প্রস্তাব ও সুপারিশ সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিশেষ করে আয়কর, শুল্ক ও ভ্যাট-সম্পর্কিত আইন-বিধি সংশোধন, সংযোজন বা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্ক নীতির অনিশ্চয়তা (Trump’s tariff policy uncertainty) কুর্নিশভাবে বাংলাদেশর রপ্তানি খাতের ওপর কী কী প্রভাব এবং উদ্বেগ তৈরি করছে তাপর বিস্তারিত এবং বিশ্লেষণ সংক্ষিপ্ত ভাষায় নিচে আলোচনা করা