কর ফাঁকি করলে একজন করদাতা সাধারণত ৫টি স্তরে সমস্যায় পড়েন: প্রশাসনিক, আইনি, আর্থিক, সামাজিক ও ভবিষ্যৎ ঝুঁকি। ১) কর কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক ব্যবস্থা: কর ফাঁকি ধরা পড়ার পর প্রথম ধাক্কাটা এখানেই
২০২৬-২০২৭ করবর্ষে (বাংলাদেশ) ব্যক্তিগত আয়কর কর স্ল্যাব ও রিটার্ন দিতে কোন ব্যক্তিরা বাধ্য, কী শর্ত প্রযোজ্য বিস্তারিত ও অনলাইন দাখিল সম্পর্কেও সংক্ষিপ্ত-সুলভভাবে ব্যাখ্যা করা হলো: ২০২৬–২০২৭ করবর্ষ (FY 2026-27): সাধারণ
আয়কর আইনে ধনসম্পদ(Assets) মানে হলো করবর্ষ শেষ তারিখে (সাধারণত ৩০ জুন) আপনার কাছে যা যা মজুত আছে। আয়কর রিটার্নে ধনসম্পদ ও গহনা কতটুকু দেখানো উচিত , বিস্তারিত নিচে আলাচনা করা
আজ (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) মার্কিন ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার সংবাদ (চুক্তি মূলত পাল্টা শুল্ক / reciprocal tariff agreement)। এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড(এনবিআর)-এর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এর সাম্প্রতিক মন্তব্য ও বিশ্লেষণ সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো, বিশেষ করে তাঁর “দেশকে উন্নত করতে হলে অভ্যন্তরীণ আয় বাড়াতে হবে“এ দাবির প্রেক্ষাপটে:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) সিবিএমএস (CBMS Customs Bond Management System) সফটওয়্যারের মাধ্যমে Utilisation Permission (UP)–সংক্রান্ত সেবাগুলো শতভাগ অনলাইনে করে দিয়েছে। এর ফলে পুরোনো ম্যানুয়াল/কাগজভিত্তিক পদ্ধতি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে এবং
উৎসে কর (Withholding Tax) ধীরে ধীরে প্রত্যাহার এই প্রস্তাবটা সাধারণত তখনই আসে, যখন সরকার ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ চায়, করব্যবস্থা সহজ করতে চায়, বা করের ন্যায্যতা বাড়াতে চায়। নিচে বিষয়টা কেন, কীভাবে,
সঞ্চয়পত্রে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের ওপর মুনাফায় উৎসে কর ৫%সম্পর্কে যা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে ও নির্দেশ দিয়েছে বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হল:- ৫ লাখ টাকার ভিতর মুনাফায় উৎসে কর ৫%:
কর রেয়াত(Tax Rebate) কোন কোন কারণে বাতিল/অগ্রাহ্য করা হতে পারে, সেটা বাংলাদেশে প্রচলিত আয়কর বিধান অনুযায়ী পরিষ্কারভাবে বিস্তারিত নিচে আলাচনা করা হল: কর রেয়াত এবং ন্যূনতম কর; উভয়ই নিম্ন এবং
ভূমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন খরচ ৫০% কমানোর সুপারিশ-র পেছনের প্রেক্ষাপট, কীভাবে হবে এবং কেন এই প্রস্তাব এসেছে তা সংক্ষেপে ব্যাখ্যা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল: সুপারিশটি কোন কমিটি করেছে? ২.