বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তরফে এলপিজি(LPG)-তে ভ্যাট কমানোর সুপারিশ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো যেটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড(NBR)-কে পাঠানো চিঠি এবং মন্ত্রণালয়ের আলোচনার ভিত্তিতে এসেছে তা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল:
১. সুপারিশের মূল উদ্দেশ্য:
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় মূলত বাজারে এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা ও মূল্য স্থিতিশীল করে রাখা এবং ঘরোয়া ও শিল্প খাতে অপরিবর্তিত LPG-এর চাহিদা মেটাতে ভ্যাট (VAT) ও কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের জন্য সুপারিশ করেছে। এই পদক্ষেপের পেছনে বর্তমান সরবরাহ সংকট ও মূল্য বৃদ্ধি মোকাবিলায় চাপ একটি বড় কারণ।
২. ভ্যাট কমানোর সুপারিশ–এর প্রধান পয়েন্ট:
এলপিজি আমদানিতে:
স্থানীয় উৎপাদন ও অন্যান্য পর্যায়ে:
৩. সুপারিশ কাকে পাঠানো হয়েছে:
এই সুপারিশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড(NBR)-কে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি/সুপারিশপত্র আকারে জানানো হয়েছে। আগামী কর কাঠামো সংশোধনের জন্য NBR-এর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইন/নীতিগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
৪. কেন এই সুপারিশ?
✔ সরবরাহ সংকট: শীতকালে গ্যাসের সরবরাহ সীমিত হওয়ায় এলপিজির চাহিদা বেড়ে যায়, এতে বাজারে সংকট ও দাম ওঠানামা দেখা যায়।
✔ দাম স্থিতিশীল রাখা: কম ভ্যাট ও কর বোঝা উৎপাদক ও আমদানিকারকদের খরচ কমিয়ে ভোক্তা পর্যায়ে দাম কমাতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
✔পরিচালন সহজ করা: একাধিক স্তরের ভ্যাটের পরিবর্তে ইমপোর্ট স্তরে একটি নির্দিষ্ট হারে VAT বসালে প্রশাসনিক জট কমবে এবং compliance সহজ হবে বলে মত কিছু ব্যবসায়ি সংগঠনের বক্তব্যও এসেছে।
৫. কি ইতোমধ্যেই সিদ্ধান্ত হয়েছে?
বর্তমানে এটি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব/সুপারিশ পর্যায়ে আছে। পরবর্তীধাপ হবে NBR-এর পর্যালোচনা ও সংশ্লিষ্ট কর বা ভ্যাট পরিবর্তনের জন্য সরকারি সিদ্ধান্ত বা গেজেট নোটিফিকেশন প্রকাশ করা। সরকারিভাবে এই সুপারিশ অনুমোদিত হলে তা কার্যকর হবে।
Leave a Reply