বাংলাদেশে একজন ব্যবসায়ী কীভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন, ধাপে ধাপে সহজভাবে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল:-
আগে যেগুলো লাগবে(প্রস্তুতি):
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
রিটার্ন দেওয়ার আগে এগুলো নিশ্চিত করুন:
ক) ই–টিআইএন (e-TIN):
- না থাকলে নিতে হবে
https://www.incometax.gov.bd
- NID, মোবাইল নম্বর, ইমেইল লাগবে
খ) ব্যবসার কাগজপত্র:
- ট্রেড লাইসেন্স
- ব্যবসার ঠিকানা
- ব্যাংক স্টেটমেন্ট (ব্যবসার হিসাব)
- বিক্রয় ও খরচের হিসাব
- আগের বছরের রিটার্ন (যদি থাকে)
আয় হিসাব করবেন যেভাবে:
ব্যবসায়ীর আয় বলতে বোঝায়:
মোট বিক্রয় আয়
ব্যবসায়িক খরচ
নিট লাভ (করযোগ্য আয়)
সাধারণ ব্যবসায়িক খরচের উদাহরণ:
- দোকান/অফিস ভাড়া
- কর্মচারীর বেতন
- বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস
- পরিবহন খরচ
- মোবাইল ও ইন্টারনেট বিল
- অফিস সরঞ্জাম
- ব্যাংক চার্জ
- ব্যক্তিগত খরচ ব্যবসার খরচ হিসেবে দেখানো যাবে না
কোন ফরমেরিটার্ন দেবেন?
ব্যবসায়ীরা সাধারণত ব্যবহার করেন:
IT-11GA Form
- একক ব্যবসায়ী (Proprietorship) হলে
অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করার ধাপ:
১: লগইন:
- e-TIN ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন
২: Return Submission:
- “Income Tax Return” অপশন নির্বাচন
- Assessment Year সিলেক্ট করুন (যেমন: 2024–2025)
৩: তথ্য পূরণ:
- ব্যক্তিগত তথ্য
- ব্যবসার তথ্য
- আয় ও খরচ
- সম্পদ ও দায় (Assets & Liabilities)
- নগদ টাকা
- ব্যাংক ব্যালেন্স
- জমি/ফ্ল্যাট
৪: কর হিসাব:
- সিস্টেম অটো হিসাব করে দেবে
- কর দিতে হলে চালান জেনারেট হবে
কর পরিশোধ:
কর দেওয়া যায়:
- ব্যাংক (চালানের মাধ্যমে)
- মোবাইল ব্যাংকিং
- অনলাইন পেমেন্ট
কর না লাগলেও রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক
- রিটার্ন সাবমিট ও প্রিন্ট:
- Submit করুন
- Acknowledgement Receipt ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে রাখুন
রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সময়:
সাধারণত ৩০ নভেম্বর
(সরকার সময় বাড়াতে পারে)
ব্যবসায়ীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস:
ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করুন
খরচের রসিদ সংরক্ষণ করুন
আয় কম দেখিয়ে ঝুঁকি নেবেন না
প্রয়োজনে ট্যাক্স প্র্যাকটিশনারের সাহায্য নিন
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
Leave a Reply