এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রহমান খান বলেছেন যে কর-ফাঁকি বাজ(tax evaders) শনাক্তকরে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে রাজস্ব আয় বাড়ানো হবে, এবং এই প্রসঙ্গে তিনি কর সংগ্রহ ব্যবস্থার সমসাময়িক সমস্যাগুলো, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কর প্রণালীর সংস্কারের দিকগুলোও বিস্তারে বলেছেন। মূল পয়েন্টগুলো নিচে বিস্তারিতভাবে সাজানো হলো –
১. করদাতাদেরওপরচাপনয় ফোকাস কর ফাঁকি বাজশনাক্ত করণে:
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, করদাতাদেরও পরজুলুমবানিপী ড়নকরেরাজস্ববাড়ানোযাবেনা; বরং কর-ফাঁকি দিয়ে থাকা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের সনাক্তকরেকার্যকর ব্যবস্থানিলেইরাজস্বআয়বাড়ানোসম্ভব। তিনি উল্লেখ করেছেন যে ভ্যাট (VAT) ও অন্যান্য করসংক্রান্ত আইনগুলো জটিলতা সৃষ্টি করছে, ফলে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব বৃদ্ধি হচ্ছে না।
২. ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন ও প্রশাসনিক বাস্তবতা:
চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, দেশে ছোট-বড়মিলি প্রায় ৬.৫ লাখ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন আছে, যা একটি এত বড় অর্থনীতির পরিপ্রেক্ষিতে যৌক্তিক নয়। এর পাশাপাশি ভ্যাট হার ও আইনগুলো সহজ ও পরিষ্কার না হওয়ায় অনেক কার্যকরভাবে রাজস্ব সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
৩. আগ্রহী ফলাফল এবং অনলাই নরিটার্ন:
এই অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে এনবিআর রিপোর্ট করেছে ভ্যাট আদায়ে প্রায় ২২% প্রবৃদ্ধি। পাশাপাশি এ পর্যন্ত ২২ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন, এবং নিরীক্ষার শেষ পর্যন্ত সংখ্যা ৪০ লাখেরও বেশি হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. কর–সুবিধা সংস্কার ওকরজালবৃদ্ধিরউদ্যোগ:
এনবিআর চেয়ারম্যান আরো বলেন, কর-জিডিপি অনুপাতে রাজস্ব না বাড়ার পেছনে করছাড়(tax exemptions) বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে; তাই নির্দিষ্ট সুযোগ-সুবিধা বাতিল বা পুনঃপ্রঙ্গীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৫. ডিজিটা লাইজেশন ফাঁকি রবিরুদ্ধেবড়হাতিয়ার:
চেয়ারম্যান পুরোটাই ব্যালান্সড ও ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় আয়কর ও ভ্যাট সংগ্রহ ব্যবস্থাকে স্থানান্তরের পরিকল্পনা বলেছেন। উদাহরণ হিসেবে এনবিআর ইতোমধ্যেই কর প্রদানকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেসের (MFS) মাধ্যমে করার ব্যবস্থা চালু করেছে, যাতে পেমেন্ট রিয়েল-টাইমে সরকারের কাছে পৌঁছায়।
তিনি বলেছেন, পূর্ণ ডিজিটাল সিস্টেম চালু হলে ভুল, জাল নথি, ফাঁকি-চক্র অনেকটাই কমে যাবে, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বাড়বে এবং ট্যাক্স পেমেন্ট সুবিধাজনক হবে।
অতিরিক্ত প্রসঙ্গ:
এনবিআর ক্রমেই কর সংগ্রহ ব্যবস্থায় ডাটাবেস এবং অন্যান্য সরকারি তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে ইন্টিগ্রেশনের উদ্যোগ নিচ্ছে যাতে বিনিয়োগ, ডিভিডেন্ড, ব্যাংক ব্যালান্স ইত্যাদি তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর রিটার্নে অন্তর্ভুক্ত হয়।
সারসংক্ষেপ:
✅ কর-ফাঁকি শনাক্ত ও প্রতিরোধ করবে এনবিআর
✅ জটিল কর নিয়ম সংস্কার করার প্রয়োজন
✅ অনলাইন রিটার্ন ও ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমে গুরুত্ব
✅ করছাড় ও ব্যতিক্রমী সুযোগ-সুবিধা রিভিউ ও নিয়ন্ত্রণ
✅ করদাতাদের উপর চাপ নয়, অসদুপায় ছাড়াই রাজস্ব বাড়ানো হবে
Leave a Reply