আয়কর আইনে ধনসম্পদ(Assets) মানে হলো করবর্ষ শেষ তারিখে (সাধারণত ৩০ জুন) আপনার কাছে যা যা মজুত আছে। আয়কর রিটার্নে ধনসম্পদ ও গহনা কতটুকু দেখানো উচিত , বিস্তারিত নিচে আলাচনা করা হল:
অন্যের গহনা যেগুলো শুধু হেফাজতে আছে
ব্যবসার স্টক (ব্যবসার হিসাব আলাদা হলে)
যে দামে অর্জন করেছেন (purchase value):
যদি সেটা না জানা থাকে:
বর্তমান বাজার দর ধরতে বাধ্য না, যদি না ট্যাক্স অফিস আলাদা করে valuation চায়।
ধরুন—
রিটার্নে দেখাবেন:
স্বর্ণ ও গহনা = ১২,০০,০০০ টাকা
“১৫ ভরি” লিখতে হয় না
শুধু টাকার অঙ্ক
৩০ জুন তারিখে আপনার কাছে যতনগদআছে, সেটাইদেখাবেন
যেমন:
আপনি যদি নিচের যেকোনো একটি শর্তে পড়েন, তাহলে সম্পদবিবরণী(IT-10B) দিতে হবে
✔ আপনার মোট সম্পদ ৫০ লাখ টাকার বেশি
✔ আপনার নামে গাড়ি আছে
✔ সিটি করপোরেশন এলাকায় জমি/ফ্ল্যাট আছে
✔ বিদেশে কোনো সম্পদ আছে
✔ আপনি কোম্পানির ডিরেক্টর/শেয়ারহোল্ডার
✔ ব্যাংক ঋণ/ক্রেডিট কার্ড সুবিধা নিতে রিটার্ন দেন
এই অবস্থায় গহনা লুকানো যাবেনা।
এটা অনেকেই বুঝতে পারেন না
হঠাৎ গহনা ১০ লাখ কমে গেলে বা বেড়ে গেলে
তার ব্যাখ্যা থাকতে হবে (বিক্রি/কেনা/উপহার)
“গহনা দেখালে ট্যাক্স বেশি পড়বে” ভুল
সম্পদ কম দেখিয়ে আয় বেশি দেখানো
আগের বছরের সাথে মিল না রাখা
অযৌক্তিক বেশি নগদ দেখানো
স্ত্রী/স্বামীর সম্পদ গুলিয়ে ফেলা
✔ ধীরে ধীরে বাস্তবসম্মতভাবে সম্পদ দেখান
✔ গহনার ক্ষেত্রে একবার যেটা দেখাবেন, ধারাবাহিক রাখুন
✔বিল না থাকলেও যুক্তিসংগত মূল্য ধরুন
✔ প্রয়োজনে “Note/Explanation” যোগ করুন
✔ সন্দেহ হলে CA/Tax Practitioner-এর সাথে মিলিয়ে নিন
Leave a Reply