বাংলাদেশে সারচার্জবলতে সাধারণভাবে বোঝানো হয় সম্পদশালীদের উপর অতিরিক্ত সার চার্জ/সম্পদ কর (Wealth Surcharge), যা তারা তাদের সাধারণ আয়কর ছাড়াও দিতে হয় যদি তাদের নির্দিষ্ট মানের সম্পদ নিট সম্পদ থাকে। সারচার্জ মূলত আয়কর-এর উপর একটি অতিরিক্ত ট্যাক্স বা ট্যাক্স অনট্যাক্স হিসেবে হিসাব হয়।
বাংলাদেশে ধার্যকৃত নিয়ম অনুযায়ী, নিম্নোক্ত শর্ত গুলোর যে কোনো একটিকে পূরণ করলে সারচার্জ দিতে হবে:
নিট সম্পদ = মোট সম্পদ − দায় (liabilities).
সারচার্জের বাধ্যতামূলক শর্ত হলো নিচের মতো:
যদি ব্যক্তির নেইট সম্পদ কমও হয় তবুও নিচের শর্ত থাকলে সারচার্জ দিতে হয়:
সারচার্জে গণনা করা হয় ব্যক্তির মোট সম্পদ, যেমন:
✔ বাড়ি/ফ্ল্যাট/প্রপার্টি
✔ জমি
✔ ব্যাংক ব্যালেন্স
✔ ব্যবসার সম্পদ
✔ শেয়ার/বন্ড/বিনিয়োগ
✔ মোটর গাড়ি/ যান-যন্ত্র
✔ অন্যান্য উচ্চমূল্যের সম্পদ
এরপর দাায় বা ঋণ বাদ দিয়ে নিটসম্পদ বের করা হয়।
সাধারণভাবে সারচার্জের হার নির্ধারণ করা হয় নিট সম্পদের স্তর অনুযায়ী। উদাহরণস্বরূপ (২০২৫-২৬ হিসাব অনুযায়ী):
| Net Wealth বা শর্ত | সারচার্জ হার (%) |
| Tk 4 কোটি – Tk 10 কোটি | 10% |
| Tk 10 কোটি – Tk 20 কোটি | 20% |
| Tk 20 কোটি – Tk 50 কোটি | 30% |
| Tk 50 কোটি বা তার বেশি | 35% |
| (এই হারগুলো ট্যাক্স অ্যাপ্লিকেবল ট্যাক্স-এর উপর ভিত্তি করে) |
দ্রষ্টব্য: এই হার সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে, কারণ বাজেট ও সংশোধিত আইন অনুযায়ী বদলায়।
সরকার সারচার্জ বা সম্পদ কর ধার্য করে থাকে কারণ:
আপনি সারচার্জ দেবেন যদি:
এ ক্ষেত্রে, আপনার আয়কর-এর ওপর 10% থেকে 35% পর্যন্ত সারচার্জ আরোপ হতে পারে।
Leave a Reply