আজ (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) মার্কিন ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার সংবাদ (চুক্তি মূলত পাল্টা শুল্ক / reciprocal tariff agreement)। এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর থেকে শুল্কহার কমানো এবং বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারের প্রবেশ সহজ করা বিশেষ করে প্রস্তুত পোশাক (RMG) ও অন্যান্য রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে।
আজকার বাণিজ্য চুক্তির সংক্ষিপ্ত তথ্য:
চুক্তি কী?
শুল্ক কেন কমানো হচ্ছে?
পেছনের প্রেক্ষাপট: শুল্কহার এবং আলোচনার বিবরণ:
আগের পর্যন্ত শুল্কটা কোথায় ছিল?
এবার কী আশা করা হচ্ছে?
চুক্তির সম্ভাব্য প্রভাব:
বাংলাদেশের জন্য:
✔ রপ্তানিতে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে প্রবেশ সহজ হবে (বিশেষত তৈরি পোশাক, জুট পণ্য, হ্যান্ডিক্রাফট ইত্যাদি)
✔ শুল্ক কমলে রপ্তানি আয় বাড়ার সম্ভাবনা
✔ বাজারে টেকসই অংশগ্রহণে সুযোগ
যুক্তরাষ্ট্রের জন্য
✔ আমেরিকান পণ্য (জ্বালানি, কৃষিপণ্য, প্রযুক্তি) আমদানি বাড়ানো
✔ বাণিজ্য ঘাটতি কমানো
✔ মার্কিন বাজারে নির্দিষ্ট পণ্যের সাপ্লাই চেইন শক্তিশালী করা
কিছু সতর্কতা ও প্রশ্ন:
বিস্তারিত শুল্ক হার চুক্তি স্বাক্ষরের পরই সরকার প্রকাশ করবে। এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট হার ঘোষণা হয়নি।
কিছু অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী চুক্তির স্বচ্ছতা, পারস্পরিক সুবিধা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
নির্বাচনকে সামনে রেখে দ্রুত চুক্তি করা হয়েছে তাই এর বিশেষ কিছু রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিকও বিশ্লেষণাধীন।
সংক্ষেপে: আজ বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর হতে যাচ্ছে, যার লক্ষ্য হলো উচ্চ পাল্টা শুল্ককে কমিয়ে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যগুলোর জন্য মার্কিন বাজারে সহজ প্রবেশ নিশ্চিত করা যদিও চূড়ান্ত শুল্ক হার ও চুক্তির বিশদ শর্তগুলি স্বাক্ষরের পরই জানা যাবে।
Leave a Reply