এনবিআরের (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) একজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে লঘু দণ্ড দিয়ে বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে বিষয়টি সরকারি সংস্থার শৃঙ্খলাবিধি সম্পর্কিত একটি বিভাগীয় প্রক্রিয়ার পর ঘটেছে। মূল খবরের সারসংক্ষেপ নিচে দেওয়া হলো:-
বরখাস্তের আদেশ ফেরানো ও শাস্তি কমানো:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর অতিরিক্ত কর কমিশনার সেহেলা সিদ্দিকা-র বিরুদ্ধে বিভাগীয় শৃঙ্খলা মামলা চলাকালীন তার সাময়িক বরখাস্তের আদেশটি প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং সে-যে শাস্তি পেয়েছে তা লঘু দণ্ড হিসাবে বেতন দুই ধাপ কমানো।
কেন এই ব্যবস্থা নেওয়া হলো?
আন্দোলনে ‘সংগঠকের ভূমিকা:
২০২৫ সালের ২১ মে সেহেলা সিদ্দিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (হোয়াটসঅ্যাপে) মাধ্যমে একটি বার্তা দেন। বার্তায় তিনি মাঠপর্যায় এনবিআর কর্মকর্তা–কর্মচারীদের ঢাকায় এনবিআর ভবনে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করার আহ্বান করেন যা কর্মকর্তাদের দাপ্তরিক দায়িত্ব পরিত্যাগে প্ররোচিত করেছিল।
এনবিআর কর্তৃপক্ষ এই কর্মসূচিকে রাজস্ব আদায়ের কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে দেখেছে।
বিভাগীয় মামলা ও শুনানি:
শাস্তি ও সমন্বিত সিদ্ধান্ত:
3) সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার:
সেহেলা সিদ্দিকাকে যে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছিল, সেটি খারিজ করে তাকে আবার দায়িত্বে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
4) লঘু দণ্ড: বেতন দুই ধাপ কমানো:
তাঁর শাস্তি হিসেবে তাঁর মূল বেতন দুই ধাপ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে অর্থাৎ যা ছিল তা থেকে নিচের স্তরে দাঁড় করানো হয়েছে। এটি লঘু শৃঙ্খলা দণ্ড হিসেবে বিবেচিত।
বর্তমানে মূল বেতন ছিল ৭১,২০০ টাকা; তা কমিয়ে করা হয়েছে ৬৫,৮২০ টাকায়।
এর পেছনের প্রেক্ষাপট:
সারসংক্ষেপ:
| বিষয় | সিদ্ধান্ত |
| অভিযোগ | আন্দোলনে সংগঠকের ভূমিকা পালন ও অফিসিয়ালি কর্মত্যাগে প্ররোচনা |
| বিভাগীয় মামলা | হ্যাঁ |
| শাস্তি | মূল বেতন দুই ধাপ কমানো (লঘু দণ্ড) |
| বরখাস্ত আদেশ | প্রত্যাহার (অর্থাৎ বরখাস্ত নয়) |
Leave a Reply