একজন শিক্ষকের আয়করের হিসাব কীভাবে করবেন সেটা পরিষ্কারভাবে নিচে আলোচনা করা হল:-
মোট আয়(Gross Income) নির্ণয়:
একজন শিক্ষকের মোট আয়ের মধ্যে সাধারণত থাকে-
এগুলো সব যোগ করলে হবে মোট আয়।
২. করমুক্ত আয়(Tax Exempted Portion) বাদ দেওয়া:
সব আয় করযোগ্য নয়। কিছু অংশ করমুক্ত থাকে, যেমন—
এসব করমুক্ত অংশ মোট আয় থেকে বাদ দিন।
৩. কর যোগ্য আয়(Taxable Income) বের করা:
করযোগ্য আয় = মোট আয় – করমুক্ত আয়
৪. বিনিয়োগ জনিত ছাড়(Tax Rebate) হিসাব করা:
শিক্ষক চাইলে কর কমাতে পারেন বিনিয়োগের মাধ্যমে, যেমন-
বিনিয়োগের একটি অংশের ওপর কর রেয়াত (rebate) পাওয়া যায়
(সাধারণত বিনিয়োগের ১৫% বা সরকার নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী)
৫: করসীমা (Tax Free Threshold):
বাংলাদেশে-
করযোগ্য আয় যদি এই সীমার নিচে হয় → কর দিতে হবে না (তবে রিটার্ন দাখিল লাগতে পারে)
৬. করের স্ল্যাব অনুযায়ী কর হিসাব:
করযোগ্য আয়ের ওপর ধাপে ধাপে কর বসে (স্ল্যাব সিস্টেমে):
প্রতিটি ধাপে আলাদা করে হিসাব করে সব যোগ করুন।
৭. বিনিয়োগ জনিত রেয়াত বাদ দিন:
চূড়ান্ত কর = মোট কর – বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত
৮. ন্যূনতম কর(Minimum Tax):
অনেক ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম কর (যেমন ৩,০০০/৫,০০০ টাকা) দিতেই হয়
এমনকি আয় কম হলেও।
সংক্ষেপে ফর্মুলা:
মোট আয়
– করমুক্ত অংশ
= করযোগ্য আয়
→ স্ল্যাব অনুযায়ী কর
– বিনিয়োগ রেয়াত
= চূড়ান্ত আয়কর
Leave a Reply