ডিজিটাল ট্যাক্স পরিশোধ বাস্তবায়নে সরকারের খরচ কমবে এটা শুধু করদাতাদের জন্য সুবিধা নয়, সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় একটি বড় পরিবর্তন হতে পারে। নিচে তা বিস্তারিত ভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:
১.নগদ ব্যবস্থাপ না থেকে ডিজিটাল পেমেন্টে স্থানান্তর:
নগদ ব্যবস্থাপনায় সরকারের বড় ব্যয়:
বাংলাদেশে নগদ টাকার ব্যবহারে বছরে সরকারের খরচ অনেক বেশি, যা বিভিন্ন খাতে ব্যয় হয় যেমন:
ডিজিটাল লেন দেনে আর্থিক সাশ্রয়:
ডিজিটাল বা ক্যাশলেস লেনদেন বাড়ানো হলে বছরে ২০ হাজার কোটি টাকার মতো সাশ্রয় সম্ভব মূলত নগদ টাকার উৎপাদন, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিবহনে খরচ কমার কারণে।
অর্থাৎ নগদ পেমেন্ট কমবে→ সরকারের বিক্রয় ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় কমবে→ মোট খরচ কমবে।
২. ডিজিটাল কর ব্যবস্থা বাস্তবায়নের সরলতা:
দ্রুত ও স্বচ্ছ পেমেন্ট:
ডিজিটাল মাধ্যম (যেমন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ব্যাংকিং) থেকে ট্যাক্স পরিশোধ করলে টাকা সরাসরি সরকারী অ্যাকাউন্টে রিয়েল-টাইমেপৌঁছে, আর:
স্বয়ংক্রিয় ডেটা ইন্টিগ্রেশন:
ই-ট্যাক্স সিস্টেম যেমন e-TDS, e-VAT ওঅনলাইন রিটার্ন অটোমেটিক ডেটা সংগ্রহ করলে:
৩. কর ফাঁকি ওলিকেজ কমিয়ে উপার্জন বাড়ানো:
ডিজিটাল পেমেন্টে ট্র্যাকিং:
ডিজিটাল পেমেন্টে প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড থাকে, তাই:
৪. সামগ্রিক কার্যকারিতা ও দৃষ্টি:
প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ে:
সরকারি কর প্রশাসনের প্রক্রিয়াগুলো (যেমন রিটার্ন, পেমেন্ট, রিফান্ড ইত্যাদি) ডিজিটাল হলে:
নিরাপত্তা ও জালিয়াতি কমে:
ডিজিটাল পেমেন্টের ওপর নজর রাখা সহজ হওয়ায়:
সারসংক্ষেপ:
| দিক | নগদ পদ্ধতি | ডিজিটাল পদ্ধতি |
| সরকারী ব্যয় | বেশি (টাকা ছাপানো, পরিবহন, নিরাপত্তা) | কম (অনলাইন, দ্রুত প্রক্রিয়া) |
| প্রশাসনিক কাজ | বেশি (ম্যানুয়াল, কাগজ) | কম (স্বয়ংক্রিয়, স্বচ্ছ) |
| রাজস্ব সংগ্রহ | লিকেজ বেশি | লিকেজ কম |
| সময় ও ঝুঁকি | বেশি | কম |
Leave a Reply