1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
February 13, 2026, 6:08 am

সরকারের খরচ কমবে ডিজিটাল ট্যাক্স পরিশোধ বাস্তবায়নে

  • Update Time : Sunday, January 18, 2026
  • 54 Time View

ডিজিটাল ট্যাক্স পরিশোধ বাস্তবায়নে সরকারের খরচ কমবে  এটা শুধু করদাতাদের জন্য সুবিধা নয়, সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় একটি বড় পরিবর্তন হতে পারে। নিচে তা বিস্তারিত ভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:

 .নগদ ব্যবস্থাপ না থেকে ডিজিটাল পেমেন্টে স্থানান্তর:

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

নগদ ব্যবস্থাপনায় সরকারের বড় ব্যয়:

বাংলাদেশে নগদ টাকার ব্যবহারে বছরে সরকারের খরচ অনেক বেশি, যা বিভিন্ন খাতে ব্যয় হয়  যেমন:

  • টাকা ছাপানো
  • পরিবহন ও নিরাপত্তা
  • ব্যাংক নেটওয়ার্ক পরিচালনা
    এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টাকার ব্যবহারে বছরে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয় যা জিডিপির sizeable অংশ।

ডিজিটাল লেন দেনে আর্থিক সাশ্রয়:

ডিজিটাল বা ক্যাশলেস লেনদেন বাড়ানো হলে বছরে ২০ হাজার কোটি টাকার মতো সাশ্রয় সম্ভব  মূলত নগদ টাকার উৎপাদন, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিবহনে খরচ কমার কারণে।

অর্থাৎ নগদ পেমেন্ট কমবে→ সরকারের বিক্রয় ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় কমবে→ মোট খরচ কমবে।

 . ডিজিটাল কর ব্যবস্থা বাস্তবায়নের সরলতা:

দ্রুত স্বচ্ছ পেমেন্ট:

ডিজিটাল মাধ্যম (যেমন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ব্যাংকিং) থেকে ট্যাক্স পরিশোধ করলে টাকা সরাসরি সরকারী অ্যাকাউন্টে রিয়েল-টাইমেপৌঁছে, আর:

  • চেক বা পে-অর্ডার অপেক্ষা করতে হয় না
  • টাকা জমা হওয়া স্থগিত stays
  • প্রশাসনিক প্রকৃয়া সহজ হয়
    এতে অতিরিক্ত প্রশাসনিক ব্যয় কমে যায়।

স্বয়ংক্রিয় ডেটা ইন্টিগ্রেশন:

ই-ট্যাক্স সিস্টেম যেমন e-TDS, e-VAT ওঅনলাইন রিটার্ন অটোমেটিক ডেটা সংগ্রহ করলে:

  • ভুল কমে
  • ম্যানুয়াল কাজ কমে
  • রাজস্ব ফাঁকি কমে
    যা আবার প্রশাসনিক পরিশ্রম ও তদারকিতে খরচ কমায়।

. কর ফাঁকি লিকেজ কমিয়ে উপার্জন বাড়ানো:

ডিজিটাল পেমেন্টে ট্র্যাকিং:

ডিজিটাল পেমেন্টে প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড থাকে, তাই:

  • গোপন লেনদেন ধরা সহজ
  • কর ফাঁকি কমে
  • সরকারের বাস্তব রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ে
    এতে অপ্রকাশিত আয় ও কর ফাঁকি থেকে সৃষ্ট লিকেজ কমে যায়।

. সামগ্রিক কার্যকারিতা দৃষ্টি:

প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ে:

সরকারি কর প্রশাসনের প্রক্রিয়াগুলো (যেমন রিটার্ন, পেমেন্ট, রিফান্ড ইত্যাদি) ডিজিটাল হলে:

  • মানুষকে অফিসে আসতে হয় না
  • কাগজ-ভিত্তিক কাজ কমে
  • ব্যয় ও সময় কমে যায়
    এটি  প্রশাসনিক খরচ ও মানবসম্পদ সাশ্রয় করে।

নিরাপত্তা জালিয়াতি কমে:

ডিজিটাল পেমেন্টের ওপর নজর রাখা সহজ হওয়ায়:

  • জাল Challan বা জাল নথি কমে
  • ট্যাক্স প্রশাসনের ওপর আস্থা বাড়ে
    এতে দীর্ঘমেয়াদে সিস্টেম খরচ কমে ও রাজস্ব বৃদ্ধি পায়।

 সারসংক্ষেপ:

দিকনগদ পদ্ধতিডিজিটাল পদ্ধতি
সরকারী ব্যয়বেশি (টাকা ছাপানো, পরিবহন, নিরাপত্তা)কম (অনলাইন, দ্রুত প্রক্রিয়া)
প্রশাসনিক কাজবেশি (ম্যানুয়াল, কাগজ)কম (স্বয়ংক্রিয়, স্বচ্ছ)
রাজস্ব সংগ্রহলিকেজ বেশিলিকেজ কম
সময় ও ঝুঁকিবেশিকম
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp