এনবিআর-এর সিদ্ধান্তসম্পর্কে আরও বিশদ ও আপডেটেড তথ্য দেয়াহলো যাতে তুমি বুঝতে পারোকি বদলেছে, কেন বদলেছে, এবং এর ফল কী হতে পারে:-
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মোবাইল ফোন আমদানি শুল্ক ২৫% → ১০% পর্যন্ত কমিয়েছে, ফলে সম্পূর্ণ আমদানিতে মোট শুল্ক ৬০% কমেছে বলে বলা হচ্ছে।
এর মাধ্যমে সরকারের মূল লক্ষ্য:
✔ মোবাইল ফোনের মূল্য সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনা।
✔ বৈধ আমদানি বাড়ানো এবং অবৈধ/গ্রেমার্কেট কমানো।
✔ দেশে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ আরও সহজ করা
এগুলো করা হয়েছে।
বৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোনে আগে মোট শুল্ক (ডিউটি + অ্যাডভান্স ট্যাক্স + ভ্যাট) ছিল ~61.80%।
এখন তা সামঞ্জস্য ভাবে ~43.43% এ নেমে এসেছে।
অর্থাৎ মোট শুল্ক ও কর কমেছে প্রায় 18.37 শতাংশ পয়েন্ট!
এটা পুরো শুল্ক 60% কমার একটা সার্বজনীন অর্থনৈতিক ব্যাখ্যা কারণ শুধু কাস্টমস ডিউটি কমেছে, কিন্তু ভ্যাট অন্য কর নেওয়া হচ্ছে।
এনবিআর শুধু সম্পূর্ণ আমদানিকৃত ফোনেই নয়, দেশে সংযোজন কারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উপকরণ আমদানিতে শুল্কও কমিয়েছে:
🔹 আগে ছিল ১০%
🔹 এখন ৫% করা হয়েছে।
এতে উপকরণ আমদানিতে শুল্ক ৫০% কমেছে।
এর উদ্দেশ্য হলো:
✔ স্থানীয় সংযোজন শিল্পের জন্য বিরূপপ্রতিযোগিতা না তৈরি হওয়া
✔ বাংলাদেশে উৎপাদন ও সংযোজন শিল্পকে সমর্থন করা
এগুলো নিশ্চিত করা।
এনবিআর-এর হিসাব অনুযায়ী:
৩০,০০০ টাকার উপরের ফোনে দাম আনুমানিক ~৫,৫০০ টাকা পর্যন্ত কমতে পারে।
৩০,০০০ টাকার বেশি দামের দেশে সংযোজিত ফোনের দাম ~১,৫০০ টাকা পর্যন্ত কমতে পারে।
এটি সরাসরি বাজারে দামের চাপ হ্রাস আনার চেষ্টা।
এনবিআর এবং সরকারের যুক্তিসংগত কারণগুলো হলো:
✅ বাংলাদেশে মোবাইলের অবৈধ আমদানির হার কমানো
✅ বৈধ আমদানি উৎসাহিত করা
✅ দেশে ডিজিটাল সেবার গ্রহণ বৃদ্ধি
✅ আমদানিকৃত ফোনের দাম কমিয়ে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনা
এসব লক্ষ্য পূরণ করতে এই শুল্ক পরিবর্তন করা হয়েছে।
তবে কিছু ব্যবসায়ী ও অনানুষ্ঠানিক বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে:
শুল্ক কমলেও মুল্য বাজারে তৎক্ষণাত কমেনি এটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট বা অবৈধ উপায়েও আমদানি কমানোর প্রচেষ্টা।
এটি প্রমাণ করে যে শুল্ক কমানো যথেষ্ট নয় তা কার্যকরভাবেবাজারে প্রতিযোগিতা, বৈধ আমদানি সিস্টেম (যেমন NEIR)ও ক্রেতাদের কাছে সরাসরি সুবিধা পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া সরকারের অন্যান্য উদ্যোগও চলমান যেমন:
NEIR: নতুন National Equipment Identity Register বাস্তবায়ন, যাতে অবৈধ/ক্লোন ফোন রোধ করা যায়।
বাজারে বৈধ ফোন আইএমইআই যাচাই ও সক্রিয় করণ: অবৈধ ফোনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।
এনবিআর মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক ২৫% থেকে ১০% করেছে ফলে মোট শুল্ক ৬০% কমে ~৪৩% হয়েছে।
দেশীয় সংযোজন শিল্পের উপকরণও কম শুল্ক পেয়েছে।
দাম কমার প্রত্যাশাথাকেকিন্তু বাজারে তা পুরোপুরি দ্রুত প্রতিফলিত না হলেও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব আসতে পারে।
NEIR ও অন্যান্য ব্যবস্থা সঙ্গে যুক্ত থাকায় বৈধ আমদানি উৎসাহিত হবে।
Leave a Reply