1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
February 4, 2026, 1:04 am

আয়কর রিটার্নে যে যে ভুলগুলো হয়

  • Update Time : Sunday, February 1, 2026
  • 71 Time View

আয়কর রিটার্ন জমা দিতে গিয়ে অনেকেই কিছু কমন ভুল করেন, যেগুলো পরে নোটিশ, জরিমানা বা ঝামেলার কারণ হয়। নিচে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আয়কর রিটার্নে যে ভুলগুলো বেশি হয়, সেগুলো বিস্তারিতভাবে নিচে আলোচনা করা হল:-

ব্যক্তিগত তথ্য ভুল দেওয়া:

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
  • নাম, NID, জন্মতারিখ, TIN নম্বর ভুল লেখা
  • মোবাইল নম্বর বা ঠিকানা আপডেট না রাখা
     এতে করে কর অফিস থেকে নোটিশ এলেও আপনার কাছে পৌঁছায় না।

 আয়কম দেখানো বা গোপন করা:

  • চাকরির আয় ঠিক দেখিয়ে
    • ব্যাংক সুদ,
    • ভাড়া আয়,
    • ব্যবসার আয়,
    • ফ্রিল্যান্সিং / অনলাইন ইনকাম না দেখানো
       ব্যাংক ও অন্যান্য সোর্স থেকে তথ্য মিললে সমস্যা হয়।

করযোগ্য করমুক্ত আয় গুলিয়ে ফেলা:

  • যেমন:
    • গ্রাচুইটি, কিছু ভাতা, কৃষি আয়ের অংশ যেগুলো করমুক্ত, সেগুলো ভুলভাবে করযোগ্য হিসেবে দেখানো
    • আবার করযোগ্য আয় করমুক্ত ধরে নেওয়া
    • ফলে কর বেশি বা কম হিসাব হয়।

 বিনিয়োগ(Tax Rebate) ভুল হিসাব করা:

  • DPS, সঞ্চয়পত্র, জীবন বীমা, শেয়ার সব বিনিয়োগে রিবেট পাওয়া যায় না, কিন্তু অনেকে ধরে নেন
  • সর্বোচ্চ সীমার বেশি বিনিয়োগ দেখানো
     কর কর্তনকারী কর্তৃপক্ষ রিবেট বাতিল করতে পারে।

 উৎসেকর(TDS) ঠিক ভাবে সমন্বয় না করা:

  • Form 16A / সার্টিফিকেট না সংযুক্ত করা
  • একবার কাটা ট্যাক্স আবার পরিশোধ দেখানো
  • ভুল খাতে TDS দেখানো
     এতে অতিরিক্ত কর দিতে হতে পারে।

 সম্পদের তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ দেওয়া:

  • জমি, ফ্ল্যাট, গাড়ি, ব্যাংক ব্যালেন্স, সঞ্চয়পত্র
  • আগের বছরের সাথে অস্বাভাবিক পার্থক্য দেখানো কিন্তু ব্যাখ্যা না দেওয়া
    এটি কর অফিসের জন্য বড় রেড ফ্ল্যাগ।

 ব্যয়ের তথ্য বাস্তবতার সাথে না মেলা:

  • পারিবারিক ব্যয় খুব কম বা খুব বেশি দেখানো
  • আয় কম কিন্তু সম্পদ ও ব্যয় বেশি
     আয়-ব্যয়ের অসামঞ্জস্য ধরা পড়ে।

 পূর্ববর্তী বছরের তথ্যের সাথে মিল না রাখা:

  • আগের বছরের ক্লোজিং ব্যালেন্স ≠ চলতি বছরের ওপেনিং ব্যালেন্স
  • সম্পদ বা দায় হঠাৎ উধাও
     ধারাবাহিকতা না থাকলে প্রশ্ন ওঠে।

ভুল কর স্ল্যাব বা করহার ব্যবহার:

  • বয়সভিত্তিক করমুক্ত সীমা ভুল ধরা
  • নারী / প্রতিবন্ধী / গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার সুবিধা ভুলভাবে নেওয়া
     এতে কর হিসাব ভুল হয়।

সময় মতো রিটার্ন জমা না দেওয়া:

  • ডেডলাইনের পর জমা
  • “আয় নাই” ভেবে রিটার্ন না দেওয়া
     জরিমানা, ট্যাক্স সার্টিফিকেট পেতে সমস্যা।

রিটার্নে সই(Signature) বা সংযুক্তি বাদ দেওয়া:

  • অনলাইন সাবমিশনে ই-ভেরিফিকেশন না করা
  • প্রয়োজনীয় কাগজ (স্টেটমেন্ট, সার্টিফিকেট) না রাখা
     রিটার্ন অসম্পূর্ণ হিসেবে ধরা হয়।

অন্যের পরামর্শ কপিপেস্ট করা:

  • বন্ধুর বা সহকর্মীর রিটার্ন দেখে হুবহু করা
     প্রত্যেকের আয় ও পরিস্থিতি আলাদা এটা বড় ভুল।

 উপদেশ:

  • প্রথমবার হলে ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার/চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট এর সাহায্য নিন
  • সব কাগজপত্র সংরক্ষণ করুন
  • সত্য তথ্য দিন ভুল সংশোধনের সুযোগ থাকে, কিন্তু মিথ্যার শাস্তি কঠিন
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp