জাতীয় রাজস্ব বোর্ড(এনবিআর)-এর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এর সাম্প্রতিক মন্তব্য ও বিশ্লেষণ সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো, বিশেষ করে তাঁর “দেশকে উন্নত করতে হলে অভ্যন্তরীণ আয় বাড়াতে হবে“এ দাবির প্রেক্ষাপটে:
এনবিআর চেয়ারম্যানের মূল বক্তব্য:
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেছেন, যদি বাংলাদেশকে উন্নত বা উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে উন্নীত করা হয়, তাহলে দেশের অভ্যন্তরীণ আয় বাড়াতে হবে অর্থাৎ কর ও ভ্যাটের মাধ্যমে রাজস্ব সংগ্রহ বাড়াতে হবে। কারণ তা সরকারি সেবাসমূহ চালানো, সামাজিক নিরাপত্তা, অবকাঠামো উন্নয়ন, বেতন–ভাতা ও অন্যান্য উন্নয়ন উদ্যোগের জন্য অপরিহার্য।
• তিনি ও এনবিআর উভয়ই বারবার বলেছেন যে, বাংলাদেশের ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত এখনও তুলনামূলক ভাবে কম এবং তা উন্নয়নমুখী অর্থনীতি পরিচালনার জন্য যথেষ্ট নয়।
• এজন্য ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) এবং আয়কর (Income Tax)-এর ভিত্তি দ্রুত সম্প্রসারণ করা জরুরি।
• দেশ বর্তমানে কেবলমাত্র একটি ছোট অংশ ব্যবসায়িক ঊর্ধ্বে কর নেটের আওতায় আছে, যা রাজস্ব সংগ্রহ বাড়াতে বাধা সৃষ্টি করছে।
চেয়ারম্যান ও এনবিআর-এর বক্তব্যে উল্লেখিত মূল উদ্যোগগুলো:
ভ্যাট ও আয়কর নেট সম্প্রসারণ:
এনবিআর বলেছে যে শুধুমাত্র কিছু লাখ ব্যবসাই ভ্যাট-রেজিস্টারেড আছে, অথচ প্রকৃত ব্যবসার সংখ্যা অনেক বেশি। তাই ভ্যাট-রেজিস্ট্রেশন ও আয়কর নেট বাড়ানো অপরিহার্য।
রাজস্ব সংগ্রহের কাঠামো পরিবর্তন:
চেয়ারম্যান বলছেন, আগের বিশ্বস্ত আমদানি-শুল্ক নির্ভর কাঠামো পরিবর্তন করে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব (ভ্যাট ও ট্যাক্স)-এর ওপর বেশি জোর দিতে হবে।
বর্তমান বাজেটে অভ্যন্তরীণ আয় বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দিয়ে ট্যাক্স নীতি তৈরি করা হয়েছে (ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি ইত্যাদি)।
কর সংস্কার ও প্রশাসনিক ডেটা-ভিত্তিক ব্যবস্থা উন্নয়ন এনবিআর-এর লক্ষ্য; এর ফলে ব্যক্তিগত ও কর্পোরেট উভয় ধরণের আয়কর সংগ্রহ বাড়ানো সম্ভব হবে।
ইউনিফাইড বার্তা: দেশের উন্নয়নের জন্য অভ্যন্তরীণ আয় বৃদ্ধি অপরিহার্য।
কেন: সরকারি সেবা, উন্নয়ন কাজ, সামাজিক নিরাপত্তা ও বাজেটের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য যথেষ্ট রাজস্ব নিশ্চিত করতে।
কীভাবে:
Leave a Reply