৪ দফা নির্দেশনা এসেছে তারা বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো (যাদের এখনও জমির নামজারি হয়নি তাদের জন্য) বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হল: চার দফার মূল নির্দেশনা: ১) আবেদন বাতিল বা রিজেক্ট করা
সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণে আগামী মঙ্গলবার ফুল কোর্ট সভা হবে। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত স্মারকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (প্রশাসন
সংক্ষেপে বিষয়টি: Supreme Court of Bangladesh (SC)-র তরফে এটি স্পষ্ট করা হয়েছে যে উদ্ভূত মিডিয়া প্রতিবেদনের বিপরীতে, Syed Refaat Ahmed (চীফ জাস্টিস) তিনজন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিকে শোকজ নোটিশ দেননি।তার পরিবর্তে,
মেট্রোরেল ও সকল ফ্লাইওভারের বিয়ারিং প্যাডের গুণগত মান নির্ণয়ে কমিটি গঠনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে মেট্রোরেল ও সব ফ্লাইওভারে ব্যবহার করা বিয়ারিং প্যাডের গুণগত মান ঠিক
নামজারি (“মিউটেশন” বা জমির মালিকানার রেকর্ড হালনাগাদ) পুরোপুরি বাতিল হয়নি বরং তার পদ্ধতি পরিবর্তন হয়েছে এবং এখন অনলাইন বা স্বয়ংক্রিয় রূপে পরিচালিত হচ্ছে। নিচে বিস্তারিত দিচ্ছি: নামজারি কী? নামজারি বা
সাধারণত কোনো দলিল (sale deed/registered deed) থাকলে সেটাই মালিকানার প্রধান প্রমাণ তবে কিছু বিশেষ কিটি জমি আছে যেখানে দলিল থাকা সত্ত্বেও দখল ধরে রাখা যাবে না বা বাতিল করা হতে
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, আইন কেবল নিয়মের সমষ্টি নয়, বরং এটি জাতির নৈতিক বিবেকের প্রতিফলন। ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্র দৃঢ় হয়, আর ন্যায় ব্যর্থ হলে সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রও
প্রশ্নটি বাংলাদেশের ভূমি আইনের প্রেক্ষিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ “দলিল বড়, রেকর্ড বড়, নাকি দখল বড় ,কে আসল মালিক নির্ধারণ করে?” ১. দলিল: দলিল হলো জমি ক্রয়-বিক্রয়ের আইনি দলিল। এটি দেখায় কে
International Crimes Tribunal‑1 (ICT‑1) দ্বারা ১৫ জন বর্তমান/প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ সম্পর্কিত বিশদ তথ্য দেওয়া হলো: গুমসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সেনা হেফাজতে থাকা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫ জন কর্মকর্তাকে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সদস্যদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত ২৮ জনকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এখনো যেসব গুমের