২০২৬ সালে বাংলাদেশের কর ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য কিছু পরিবর্তন এসেছে। আপনি যদি জানতে চান এ বছর কারা সবচেয়ে বেশি ট্যাক্স রিফান্ড(Tax Refund) বা কর ফেরত পাচ্ছেন এবং কীভাবে পাচ্ছেন, তবে নিচের
বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের আবাসন খরচ নাগালের মধ্যে রাখতে এবং বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদে ঘর তৈরির প্রধান উপকরণ ঢেউটিনের দাম সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডাররা দীর্ঘদিন
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে করের (Source Tax) বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম কার্যকর রয়েছে। আপনি ৫ শতাংশ করের ব্যাপারে জানতে চেয়েছেন, এর বিস্তারিত নিচে
এনবিআর (NBR)-এর আধুনিকায়ন বা ডিজিটালাইজেশন প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কর কর্মকর্তারা কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় এই তথ্যগুলো পান এবং এতে আমদানিকারকদের কী প্রভাব পড়বে, তার আরও বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর ফাঁকি রোধ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আয়কর নির্ধারণে অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড (Asycuda World) সিস্টেমের তথ্য ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে। মূলত আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের ঘোষিত আয়ের সাথে তাদের
বাংলাদেশের বর্তমান আয়কর আইন (আয়কর আইন ২০২৩) অনুযায়ী, একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার বার্ষিক আয় একটি নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে আয়কর দেওয়া বাধ্যতামূলক হয়। ২০২৫-২৬ করবর্ষের (বর্তমান সময় অনুযায়ী) সাধারণ নিয়মগুলো
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই বিশেষ টাস্কফোর্সগুলো গঠন করেছে। এর লক্ষ্য কেবল কর আদায় বাড়ানো নয়, বরং রাজস্ব প্রশাসনের দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো দূর
চলতি করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমার সংখ্যা ৪০ লাখ ছাড়িয়ে যাওয়া বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল:- ১. রাজস্ব আদায়ে প্রভাব:
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সাম্প্রতিক বক্তব্যটি বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সময়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কর নিয়ে যে উদ্বেগ ছিল, তা
একটি দেশের অর্থনীতি যখন সংকটের মুখে পড়ে, তখন সরকার সাধারণত রাজস্ব বাড়াতে এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে ট্যাক্স বা কর বাড়ানোর পথে হাঁটে। তবে এটি একটি ‘দ্বিমুখী তলোয়ার’ সঠিকভাবে প্রয়োগ করলে