শুল্ক ছাড়ের পর খেজুরের দাম কমেছে-এর কোনো খবর স্থানীয় সংবাদগুলোর তথ্য (ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত) দেখে এমন কোনো স্পষ্ট ফল পাওয়া যাচ্ছে না বরং দাম কমার বদলে বৃদ্ধি পেয়েছে বা স্থিতিশীল
বাংলাদেশে অনলাইন আয়কর রিটার্নে প্রায় ৭০% করদাতা “শূন্য আয়” বা শূন্য করযোগ্য আয় দেখানোর প্রবণতা এটি শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়; কর কাঠামো, অপ্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতি ও ডিজিটাল কমপ্লায়েন্স সব কিছুর সাথে
শূন্য রিটার্ন (Zero Return) মানে আয়কর রিটার্নে করযোগ্য আয়/পরিশোধযোগ্য কর ০(শূন্য) কিন্তু তাই বলে সব তথ্য, দায় বা ঝুঁকি শূন্য নয়। নিয়ম মেনে ও কৌশলগতভাবে রিটার্ন দিলে ভবিষ্যৎ জটিলতা এড়ানো
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র এমপিরা (নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা) ট্যাক্স-ফ্রি (শুল্কমুক্ত/ডিউটি-ফ্রি) গাড়ি ও সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত প্লট গ্রহণ করবেন না এমন সিদ্ধান্ত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তাদের সংসদীয় দলের প্রথম বৈঠকে নেওয়া
বাংলাদেশে অনলাইনে (ই-রিটার্ন) কর রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক করদাতা পরীক্ষায় পড়েছেন, এবং কেন্দ্রীয় কর কার্যালয়ের “ই-রিটার্ন সহায়তা বুথগুলো”তে অনেকে খোঁজ পেলেও তারা ফাঁকা বা কার্যকরভাবে সহায়তা পাচ্ছে না, এমন
সম্প্রসারিত সময়সীমা: ✔ নতুন সময়সীমা: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ই-ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করা যাবে।✔ এটিই শুধুমাত্র জানুয়ারি ২০২৬ মাসের ভ্যাট রিটার্নের জন্য বিশেষভাবে দেয়া সময় বাড়ানো।✔ এই সময়সীমার বাইরে রিটার্ন
বাংলাদেশে বর্তমানে ৫ লাখ টাকার কম সঞ্চয়পত্র কিনলেও সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের সুদের ওপর উৎসে কর (Withholding Tax) কাটা হয়। অর্থাৎ পরিমাণ কম হলেই করমুক্ত হবে এমন কোনো বিধান এখন নেই।
বাণিজ্য সম্পর্ক/চুক্তি আলোচনার এক ধাপ এগিয়ে (interim trade deal framework) এসেছে, যেখানে বাংলাদেশের মতোই ভারতের তৈরি পোশাক খাতও মার্কিন বাজারে বিশেষ শুল্ক সুবিধা পেতে পারে কিন্তু সেটা সম্পূর্ণ এবং সাধারণ
আয়কর e-Return জমা দেওয়ার সময় কিছু নির্দিষ্ট ভুল করলে রিটার্নInvalid / বাতিল হয়ে যেতে পারে বা পরে নোটিস/জরিমানা আসতে পারে। নিচে গুরুত্বপূর্ণ ভুলগুলো বিস্তারিতভাবে নিচে আলোচনা করা হল:- TIN সংক্রান্ত
নতুন ট্যাক্স ফাইল (প্রথমবার আয়কর রিটার্ন জমা) করতে গিয়ে যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয় সেগুলো একটু গুছিয়ে, বাস্তব উদাহরণসহ দিচ্ছি। এগুলো জানলে শুরুতেই অনেক ঝামেলা এড়ানো যায়। ভুল বা অসম্পূর্ণ