সৈয়দ রেফাত আহমেদ) বর্তমান Supreme Court of Bangladesh–র প্রধান বিচারপতি অবসরে যাচ্ছেন: প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর অবসরে যাচ্ছেন। অবসরে যাওয়ার আগে তিনি দেশের বিচারকদের উদ্দেশে ১৪
Appellate Division (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ) কী সিদ্ধান্ত দিয়েছে, কেন এবং কী প্রভাব এবং কী কারণে রায়কে “বৈধ” বলা হয়েছে। অন্তর্বতী সরকারের শপথ বৈধ বলে উল্লেখ করেছেন আপিল বিভাগ:
কেন লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়েছে: লিগ্যাল নোটিশ: এক “লিগ্যাল নোটিশ” (legal notice / আইনি নোটিশ) হলো একটি লিখিত নথি, যা প্রাথমিকভাবে পাঠানো হয় পক্ষকে জানিয়ে দেয় যে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ
Supreme Court of Bangladesh-র (বাংলায়: সুপ্রিম কোর্ট) রেজিস্ট্রার জেনারেলকে কেন এবংকীভাবে Supreme Court Secretariat (বাংলায়: সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়)-র “সচিব” হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং এর প্রেক্ষিত ও কার্যাবলী সম্পর্কিত
১ ডিসেম্বর, ২০২৫ (বাসস) : বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে আরও কার্যকরভাবে এবং পূর্ণরূপে নিশ্চিত করতে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫’ জারি করা হয়েছে। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ, ও
চট্টগ্রামে চালু হওয়া e‑Family Court (ই-পারিবারিক আদালত) সম্পর্কে যতদূর পাওয়া গেছে, আরও বিস্তারিত দেওয়া হলো। ই-পারিবারিক আদালত কী এবং কেন: কখন ও কোথায় চালু : কি কি সুবিধা / ফিচার
পদোন্নতি – মূল তথ্য: Law and Justice Division (আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়) গত ২৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে যেখানে ৮২৬ জন অধস্তন আদালতের বিচারককে একযোগে পদোন্নতি
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল-এর বলার ভিত্তিতে এবং মিডিয়া রিপোর্ট বিশ্লেষণ করে গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিচ্ছি:আইন উপদেষ্টার দৃষ্টিকোণ থেকে প্রধান পয়েন্টসমূহ:অ্যাডভাইসরি কাউন্সিল অনুমোদন:উপদেষ্টা পরিষদে (advisory council) “গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫”
২৭ নভেম্বর ডাককৃত ফুলকোর্ট সভার আরও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো : বিস্তারিত তথ্য এবং
“দেশের সব সংস্কার আইনের মাধ্যমে হয়েছে : আইন উপদেষ্টা” এই কথাটি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন। নিচে তার বক্তব্যের প্রেক্ষাপট এবং তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিকোণ