আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া নাগরিক দায়িত্ব হলেও, সঠিক তথ্যের অভাবে অনেক সময় সাধারণ মানুষ বিভিন্ন ধরনের “ফাঁদে” বা আইনি জটিলতায় পড়ে যান। বিশেষ করে বাংলাদেশে আয়কর আইন (আয়কর আইন ২০২৩)
বাংলাদেশে নতুন ব্যবসার জন্য ট্যাক্স ফাইল বা আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার নিয়মগুলো এখন অনেকটাই সহজ এবং ডিজিটাল করা হয়েছে। ২০২৬ সালের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, আপনার ব্যবসার ধরণ (একমালিকানা, অংশীদারি বা
বাংলাদেশের রাজস্ব আহরণের প্রধান তিনটি উৎস হলো ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর), আয়কর এবং কাস্টমস (আমদানি শুল্ক)। সাম্প্রতিক তথ্য ও অর্থনৈতিক গতিধারা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ভ্যাট ও আয়করে প্রবৃদ্ধি সন্তোষজনক
১৫ মার্চের মধ্যে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন (Income Tax Return) জমা দিতে সমস্যা হলে অফলাইনে বা ম্যানুয়ালি ‘পেপার রিটার্ন’ জমা দেওয়ার সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো: পেপার রিটার্ন জমার
২০২৬ সালে বাংলাদেশের কর ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য কিছু পরিবর্তন এসেছে। আপনি যদি জানতে চান এ বছর কারা সবচেয়ে বেশি ট্যাক্স রিফান্ড(Tax Refund) বা কর ফেরত পাচ্ছেন এবং কীভাবে পাচ্ছেন, তবে নিচের
বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের আবাসন খরচ নাগালের মধ্যে রাখতে এবং বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদে ঘর তৈরির প্রধান উপকরণ ঢেউটিনের দাম সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডাররা দীর্ঘদিন
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে করের (Source Tax) বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম কার্যকর রয়েছে। আপনি ৫ শতাংশ করের ব্যাপারে জানতে চেয়েছেন, এর বিস্তারিত নিচে
এনবিআর (NBR)-এর আধুনিকায়ন বা ডিজিটালাইজেশন প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কর কর্মকর্তারা কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় এই তথ্যগুলো পান এবং এতে আমদানিকারকদের কী প্রভাব পড়বে, তার আরও বিস্তারিত নিচে দেওয়া হলো:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর ফাঁকি রোধ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আয়কর নির্ধারণে অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড (Asycuda World) সিস্টেমের তথ্য ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে। মূলত আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের ঘোষিত আয়ের সাথে তাদের
বাংলাদেশের বর্তমান আয়কর আইন (আয়কর আইন ২০২৩) অনুযায়ী, একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার বার্ষিক আয় একটি নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে আয়কর দেওয়া বাধ্যতামূলক হয়। ২০২৫-২৬ করবর্ষের (বর্তমান সময় অনুযায়ী) সাধারণ নিয়মগুলো