সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সিনিয়র বিচারপতি মামনুন রহমান ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাষ্ট্রপতির কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, যার বিস্তারিত তথ্য নিম্নে সংক্ষেপে নিচে আলোচনা করা হল:
পদত্যাগের মূল তথ্য:
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
কী ঘটেছে:
- বিচারপতি মামনুন রহমান তাঁর পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়েছেন, ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করে।
- পদত্যাগপত্রটি ই-মেইলের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং তা প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
- তিনি বর্তমানে কানাডা থেকে এই পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।
অনুপস্থিতি ও পেছনের কারণ:
দীর্ঘ অনুপস্থিতি:
- মামনুন রহমান প্রায় এক বছর ধরে বিচারিক কার্যক্রম থেকে দূরে ছিলেন, দীর্ঘ সময় ছুটি বা অনুমোদন ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন বলে সংবাদগুলোতে উল্লেখ আছে।
- কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে তিনি ২০২৪ সালের ভুলুব পরিবর্তন (৫ আগস্ট ২০২৪) পর দীর্ঘসময় বিদেশে অবস্থান করছিলেন।
চিকিৎসা–সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্য:
- বিভিন্ন ইংরেজি সংবাদ (New Age) রিপোর্টে বলা হয়েছে তিনি মেডিক্যাল ছুটিতে ছিলেন এবং সেই ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন প্রধান বিচারপতি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, এরপর তিনি পদত্যাগপত্র দেন।
- প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে তিনি ২০২৫ সালের মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত চিকিৎসা-ছুটিতে ছিলেন, এবং আবার বৈধ ছুটির মেয়াদ বাড়াতে আবেদন করেছিলেন কিন্তু তা মঞ্জুর হয়নি।
- ছুটির সময় তিনি ঔষধ ও চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরেও ছিলেন।
অনুশীলন ও তদন্ত:
- কিছু সংবাদে উল্লেখ আছে তাঁর দীর্ঘ অনুপস্থিতি ও আচরণ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল (SJC) রাষ্ট্রপতির কাছে জমা করেছে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য, যদিও পদত্যাগের পর তা কী প্রভাব ফেলবে তা এখন পর্যবেক্ষণাধীন।
কর্মজীবন ও পটভূমি:
- মামনুন রহমান হাইকোর্ট বিভাগের একজন সিনিয়র বিচারপতি ছিলেন এবং তাঁর কর্মকালের মেয়াদ ছিলো ৮ ডিসেম্বর ২০৩২ পর্যন্ত, তবে তিনি এখন পদত্যাগ করেছেন।
- তিনি ২০০৪ সালে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে এবং ২০০৬ সালে স্থায়ী হাইকোর্ট বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন।
সার সংক্ষেপ:
বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগপত্র দিয়েছেন, ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করে।
তিনি অনেকদিন ধরে বিচারিক দায়িত্বে ছিলেন না এবং কানাডায় অবস্থানরত অবস্থায় পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।
তার অনুপস্থিতি ও ছুটির আবেদন সংক্রান্ত বিষয়গুলোও সংবাদে আলোচিত হয়েছে, এবং Supreme Judicial Council-এর একটি রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছিল যেটি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল।
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
Leave a Reply