আয়কর রিটার্নে আয় কম বা ট্যাক্স কম দেখানো (অধিকাংশ আয় গোপন রাখা / ভুল তথ্য দেওয়া) ঠিক ষড়যন্ত্র বা কর ফাঁকি ধরেই ধরা হয় এবং এর জন্য কঠোর আইনি শাস্তির বিধান আছে। নিচে বিস্তারিতভাবে কী হতে পারে আইন ও বাস্তব পরিস্থিতির আলোকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হল:-
মিথ্যা তথ্য দেবার অর্থ ই ট্যাক্স ফাঁকি:
যদি আপনি রিটার্নে:
এটি অন্তত:
“মিথ্যা তথ্য প্রদান বা তথ্য গোপন” হিসেবে ধরা হবে
বাস্তবে ট্যাক্স কম হয়েও সেটা আইনভঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হবে
শাস্তি মূলক ব্যবস্থা:
২.১ কারাদণ্ড:
আয় বা সম্পদের তথ্য ভুয়া দিলে ক্রিমিনাল অপরাধ হিসেবে ধরা হয়।
২.২ জরিমানা:
আইন অনুযায়ী আপনার উপর জরিমানা ও আর্থিক শাস্তি আরোপ করা হবে। এর আওতায় থাকতে পারে—
২.৩TIN বাতিল/ রিটেন্সিযোগ্য তার হারানো:
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আপনার TIN (Taxpayer ID Number) বাতিল করতে পারে বা ভবিষ্যতে কর ছাড়/ছাড় সুবিধা থেকে বিরত রাখতে পারে।
3. ধরার উপায় ও নজর:
এনবিআর (National Board of Revenue) বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে, যেমন—
4. যদি সত্যিই আয় কম হয়?
যদি আপনার আয় আয়কর ছাড়যোগ্য
সীমার নিচে থাকে, তাহলে ট্যা]
আর কেউ “শূন্য সব তথ্য” (zero return) বসিয়ে রিটার্ন দেবে তা আইন সিদ্ধ বৈধনয় এমন কাজ করলে শাস্তির মুখে পড়তে পারেন।
5. আইন মেনে ট্যাক্স কম দেখানোর ভাল উপায়:
মিথ্যা তথ্য দেওয়া না; বরং সাজেস্ট করা উপায় গুলো:
আইনসিদ্ধ বিনিয়োগ/আয়কর ছাড়ের সুযোগ নেওয়া
বৈধ খরচ/ব্যায় দেখানো (ব্যবসা ক্ষেত্রে)
নির্দিষ্ট করছাড়/রিবেট ক্লেইম করা
প্রফেশনাল ট্যাক্স অ্যাডভাইজার/CA-এর সঙ্গে কাজ করা
এইগুলো করলে ট্যাক্স কম হবে কিন্তু আইনি ঝামেলা হবে না।
সারসংক্ষেপ:
| আচরণ | আইনি ফল |
| আসল আয় দেখানো | ঠিক |
| আয় কম দেখানো (ভুয়া) | আইন লঙ্ঘন, সাজা + জরিমানা |
| Zero return দেয়া | শাস্তিযোগ্য অপরাধ |
| বৈধ করছাড় ব্যবহার | আইনসম্মত |
Leave a Reply