বাংলাদেশে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচনা হয়েছে। তবে আয়কর রিটার্নের সময় ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, স্বাভাবিকভাবে আর সময় বাড়ানোর কোনো সুযোগ নেই এমনটাই এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের অবস্থান।
নিচে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
সাধারণত প্রতি বছর আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ তারিখ থাকে ৩০ নভেম্বর। তবে এবছর আয়কর রিটার্নের শেষ সময় ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। । এই তারিখটি আয়কর আইনে ‘ট্যাক্সডে’ হিসেবে পরিচিত। আইন অনুযায়ী, এই তারিখের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে কোনো জরিমানা বা বাড়তি ফি গুনতে হয় না।
নতুন আয়কর আইন (আয়কর আইন ২০২৩) অনুযায়ী, রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড)-এর বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী:
যদি কোনো করদাতা ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করতে ব্যর্থ হন, তবে তিনি পরবর্তী সময়েও রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। আয়কর রিটার্নের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ মার্চ ২০২৬। তাই নির্ধারত সময়ের মধ্যে রির্টান জমা দেওয়া করদাতার নৈতিক দায়িত্ব। সেক্ষেত্রে কিছু নিয়ম প্রযোজ্য হবে:
বর্তমানে এনবিআর ই-রিটার্ন (e-Return) পোর্টাল ব্যবহার করার জন্য সবাইকে উৎসাহিত করছে। এতে কোনো ঝামেলা ছাড়াই কয়েক মিনিটের মধ্যে রিটার্ন জমা দেওয়া যায়। আপনি যদি এখনো জমা না দিয়ে থাকেন, তবে দ্রুত অনলাইন পোর্টাল ব্যবহার করতে পারেন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন: রাজনৈতিক অস্থিরতা বা বড় কোনো সংকট) সরকার অনেক সময় শেষ মুহূর্তে বিশেষ আদেশের মাধ্যমে সময় বৃদ্ধি করে থাকে। তবে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে শেষ তারিখের অপেক্ষায় না থেকে দ্রুত রিটার্ন দাখিল করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
Leave a Reply