জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর ফাঁকি রোধ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আয়কর নির্ধারণে অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড (Asycuda World) সিস্টেমের তথ্য ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে। মূলত আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের ঘোষিত আয়ের সাথে তাদের প্রকৃত আমদানি-রপ্তানি তথ্যের সামঞ্জস্য যাচাই করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ। এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত আলোচনা হলো:
কেন এই সিদ্ধান্ত?
অনেক সময় দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা আমদানির সময় শুল্ক স্টেশনে যে তথ্য দেন, আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় সেই তথ্য গোপন করেন বা কম করে দেখান। এর ফলে সরকার বড় অঙ্কের রাজস্ব হারায়। এখন থেকে এনবিআর-এর আয়কর বিভাগ সরাসরি কাস্টমসের ডাটাবেজ থেকে তথ্য যাচাই করবে।
প্রধান নির্দেশনা সমূহ:
এর প্রভাব কী হবে?
১. কর ফাঁকি রোধ: আয় গোপন করার সুযোগ কমে যাবে। ২. স্বচ্ছতা বৃদ্ধি: কাস্টমস এবং আয়কর বিভাগের মধ্যে সমন্বয় তৈরি হবে। ৩. রাজস্ব বৃদ্ধি: প্রকৃত আয়ের ওপর কর ধার্য হওয়ায় সরকারের কোষাগারে বেশি অর্থ জমা হবে।
করদাতাদের জন্য করণীয়:
আপনার যদি আমদানি-রপ্তানি সংশ্লিষ্ট ব্যবসা থাকে, তবে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় নিচের বিষয়গুলো নিশ্চিত করুন:
যে সব সুবিধা মিলবে:
এনবিআর বলছে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আয়কর মামলা নিষ্পত্তির সময় আমদানি করা পণ্যের পরিমাণ, মূল্য ও অগ্রিম আয়করের প্রকৃত তথ্য সহজেই যাচাই করা যাবে। এছাড়া স্বচ্ছ ও নির্ভুল প্রক্রিয়ায় অগ্রিম আয়কর ক্রেডিট প্রদান নিশ্চিত হবে। কর ফাঁকি রোধ করে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পাবে, আয়কর মামলা নিষ্পত্তি দ্রুততর হবে এবং জবাবদিহি বাড়বে। পাশাপাশি আয়কর ফেরত প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, সহজ ও দ্রুত হবে।
Leave a Reply