1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
March 29, 2026, 4:39 pm
Title :
আয়কর আইনজীবীর কাজ কী আয়কর আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা যে সব ভুল করা যাবে না আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময়ে আয়কর রিটার্ন ৩১ মার্চের পরেও দেওয়া যাবে, আবেদন করবেন যেভাবে কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার শেষ সময় ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে চলতি করবছরে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪০ লাখের বেশি করদাতা : এনবিআর ৩১ মার্চ ২০২৬ আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, আরও ০৭ দিন অনলাইনে আবেদন করা যাবে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে ট্যাক্স নিয়ে ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সতর্কবার্তা; বিপদ এড়াতে এখনই যা জানা জরুরি আপনি ফাঁদে পড়ছেন না তো আয়কর রিটার্ন দিতে গিয়ে

আয়কর আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা

  • Update Time : Sunday, March 29, 2026
  • 60 Time View

বাংলাদেশে আয়কর আইনজীবী (Income Tax Lawyer) বা আয়কর পেশাজীবী (ITP – Income Tax Practitioner) বলতে এমন একজন বিশেষজ্ঞকে বোঝায়, যিনি করদাতাদের পক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) বা আয়কর কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।

সহজ কথায়, আপনি যদি আপনার আয়ের হিসাব, রিটার্ন জমা বা কর সংক্রান্ত কোনো জটিলতায় নিজে উপস্থিত হতে না পারেন, তবে আপনার পরিবর্তে যিনি আইনগতভাবে এই কাজগুলো করার অনুমতি পান, তিনিই আপনার আয়কর আইনজীবী।

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

. আয়কর আইনজীবী কারা হতে পারেন?

আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৩২৭ অনুযায়ী, নিচের ব্যক্তিরা আয়কর আইনজীবী বা অনুমোদিত প্রতিনিধি হতে পারেন:

  • বার কাউন্সিলের আইনজীবী: যারা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে নিবন্ধিত অ্যাডভোকেট।
  • চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CA): যারা আইসিএবি (ICAB) এর সদস্য।
  • কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CMA): যারা আইসিএমএবি (ICMAB) এর সদস্য।
  • আইটিপি (ITP) সনদধারী: এনবিআর (NBR) কর্তৃক আয়কর আইনজীবী হিসেবে যারা সরাসরি সনদপ্রাপ্ত।
  • অবসরপ্রাপ্ত কর কর্মকর্তা: যারা উপ-কর কমিশনার বা তার উপরের পদে অন্তত ৫ বছর কাজ করেছেন।

. একজন আয়কর আইনজীবীর কাজ কী?

একজন সাধারণ আইনজীবী শুধু আদালতে মামলা লড়েন, কিন্তু আয়কর আইনজীবী আরও অনেক কিছু করেন:

  • ট্যাক্স প্ল্যানিং: কীভাবে আইন মেনে করের পরিমাণ কমানো যায়, সে বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া।
  • রিটার্ন দাখিল: করদাতার বার্ষিক আয় ও সম্পদের সঠিক হিসাব তৈরি করে অনলাইনে বা সার্কেলে জমা দেওয়া।
  • অডিট ফেস করা: এনবিআর যদি কোনো করদাতার ফাইল অডিটের জন্য নির্বাচন করে, তবে তার স্বপক্ষে যুক্তি ও প্রমাণ উপস্থাপন করা।
  • আপিল পরিচালনা: যদি কোনো কর কর্মকর্তা ভুলবশত বেশি কর নির্ধারণ করেন, তবে তার বিরুদ্ধে আপিল ট্রাইব্যুনালে মামলা লড়া।
  • আইনি নোটিশের জবাব: কর অফিস থেকে কোনো নোটিশ আসলে তার যথাযথ আইনি উত্তর প্রদান করা।

. বাংলাদেশে আয়কর আইনজীবী হওয়ার প্রক্রিয়া:

আপনি যদি নিজে একজন আয়কর আইনজীবী (ITP) হতে চান, তবে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয়:

  1. শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাধারণত বাণিজ্য বিভাগে স্নাতক (Accounting/Finance) অথবা আইন (LLB) ডিগ্রি থাকতে হয়।
  2. নিবন্ধন পরীক্ষা: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) বা বিসিএস (কর) একাডেমি মাঝে মাঝে ‘আয়কর আইনজীবী তালিকাভুক্তি পরীক্ষা’র বিজ্ঞপ্তি দেয়।
  3. পরীক্ষার ধরন: ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা এবং ৫০ নম্বরের মৌখিক (Viva) পরীক্ষা হয়। পাশ নম্বর সাধারণত ৫০%।
  4. সদস্যপদ: পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর এনবিআর থেকে সনদ সংগ্রহ করে কোনো একটি ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হতে হয়।

. আয়কর আইন জীবীর প্রয়োজনীয়তা কেন?

বাংলাদেশে আয়কর আইন দিন দিন আধুনিক ও ডিজিটাল হচ্ছে। সাধারণ মানুষের পক্ষে আয়কর আইন, ২০২৩-এর সব মারপ্যাঁচ বোঝা কঠিন। একজন আইনজীবী আপনাকে জরিমানা থেকে বাঁচাতে পারেন এবং আপনার করদাতার অধিকার রক্ষা করতে পারেন।

টিপস: সবসময় নিশ্চিত হয়ে নেবেন যে আপনার আইনজীবী কোনো স্বীকৃত ‘ট্যাক্সেস বার’-এর সদস্য কি না এবং তার এনবিআর আইডি আছে কি না।

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp