1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
March 14, 2026, 8:00 pm

নতুন বিজনেস ট্যাক্স ফাইল করার নিয়ম জেনে নিন

  • Update Time : Saturday, March 14, 2026
  • 66 Time View

বাংলাদেশে নতুন ব্যবসার জন্য ট্যাক্স ফাইল বা আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার নিয়মগুলো এখন অনেকটাই সহজ এবং ডিজিটাল করা হয়েছে। ২০২৬ সালের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, আপনার ব্যবসার ধরণ (একমালিকানা, অংশীদারি বা লিমিটেড কোম্পানি) এর ওপর ভিত্তি করে কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হয়। নিচে বিস্তারিত ধাপগুলো দেওয়া হলো:

. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংগ্রহ:

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

ট্যাক্স ফাইল করার আগে আপনার হাতে নিচের কাগজগুলো থাকা জরুরি:

  • e-TIN সার্টিফিকেট: ব্যবসার নামে (কোম্পানি হলে) বা নিজের নামে (একমালিকানা হলে) ১২ ডিজিটের ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর।
  • ট্রেড লাইসেন্স: বর্তমান বছরের নবায়নকৃত কপি।
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট: জুলাই ১ থেকে জুন ৩০ পর্যন্ত সময়ের লেনদেনের বিবরণ।
  • আয়ব্যয়ের হিসাব: বিক্রয়, ক্রয়, কর্মচারীদের বেতন, অফিস ভাড়া এবং অন্যান্য খরচের রসিদ।
  • সম্পদ দায়ের বিবরণী: ব্যবসার আসবাবপত্র, মেশিনারি বা ঋণের তথ্য।

. অনলাইন রেজিস্ট্রেশন(e-Return):

বর্তমানে এনবিআর (NBR) অনলাইন রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করার দিকে এগোচ্ছে।

  • প্রথমে etaxnbr.gov.bd পোর্টালে গিয়ে আপনার টিন (TIN) নম্বর এবং বায়োমেট্রিক ভেরিফাইড মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন।

. রিটার্ন ফরম পূরণ:

ব্যবসায়িক আয়ের জন্য সাধারণত IT-11GA ফরম ব্যবহার করা হয়। তবে অনলাইনে এটি আরও সহজ। আপনাকে মূলত তিনটি অংশ পূরণ করতে হবে:

  1. Particulars: ব্যবসা ও ব্যক্তিগত সাধারণ তথ্য।
  2. Income Details: ব্যবসা থেকে মোট কত লাভ হলো তা উল্লেখ করা।
  3. Assets & Liabilities (IT-10B): যদি আপনার মোট সম্পদ ৪০ লক্ষ টাকার বেশি হয় বা ব্যবসার নামে গাড়ি থাকে, তবে সম্পদের বিবরণী দেওয়া বাধ্যতামূলক।

. কর নির্ধারণ পরিশোধ:

আপনার নিট আয়ের ওপর ভিত্তি করে ট্যাক্স হিসাব করতে হবে।

  • ব্যক্তিগত/একমালিকানা ব্যবসা: করমুক্ত আয়ের সীমা (সাধারণত ৩.৫ লক্ষ টাকা, নারী ও প্রবীণদের জন্য ৪ লক্ষ টাকা) অতিক্রম করলে নির্ধারিত হারে ট্যাক্স দিতে হবে।
  • পেমেন্ট: অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে A-Challan, বিকাশ, নগদ বা কার্ডের মাধ্যমে ট্যাক্স জমা দেওয়া যায়।

. রিটার্ন দাখিল প্রাপ্তি স্বীকার(Acknowledgment):

সব তথ্য ঠিক থাকলে অনলাইনে ‘Submit’ বাটনে ক্লিক করুন। সফলভাবে জমা হলে আপনি একটি Acknowledgment Receipt এবং একটি Certificate পাবেন। এটি আপনার ব্যবসার পরবর্তী ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন বা ব্যাংক লোনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কিছু জরুরি টিপস:

  • সময়সীমা: সাধারণত প্রতি বছর ১ জুলাই থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে হয় (যাকে ট্যাক্স ডে বলা হয়)।
  • শূন্য রিটার্ন: ব্যবসায় লাভ না হলেও বা আয় করসীমার নিচে থাকলেও ‘নিল রিটার্ন’ (Zero Return) জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক যদি আপনার টিন সার্টিফিকেট থাকে।
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp