জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) সাম্প্রতিক ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের ব্যক্তি শ্রেণির আয়কর রিটার্ন দাখিলের সর্বশেষ সময়সীমা ৩১ মার্চ, ২০২৬। তবে আপনি চাইলে এই সময়ের পরেও রিটার্ন জমা দিতে পারবেন, যদি আপনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সময় বৃদ্ধির আবেদন করেন।
নিচে আবেদনের প্রক্রিয়া ও বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলো:
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
১. আবেদনের মাধ্যমে সময় বৃদ্ধি (সর্বোচ্চ ৯০ দিন):
৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন জমা দিতে না পারলে আপনি অতিরিক্ত সময়ের জন্য আবেদন করতে পারেন। এনবিআর এবার এই প্রক্রিয়াটি অনেক সহজ করেছে।
- অনলাইন আবেদন: ই-রিটার্ন পোর্টালের (etaxnbr.gov.bd) মাধ্যমে লগইন করে “Time Extension” অপশনে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করা যাবে।
- অতিরিক্ত সময়: আবেদন মঞ্জুর হলে সংশ্লিষ্ট কর কমিশনার আপনাকে সর্বোচ্চ ৯০ দিন (৩ মাস) পর্যন্ত বাড়তি সময় দিতে পারেন।
- সুবিধা: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করে অনুমোদন পেলে কোনো প্রকার জরিমানা বা অতিরিক্ত কর (Penalty) ছাড়াই রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে।
২. আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য:
আবেদন করার সময় আপনাকে সাধারণত নিচের তথ্যগুলো দিতে হবে:
- করদাতার নাম ও টিআইএন (TIN) নম্বর।
- সংশ্লিষ্ট ট্যাক্স সার্কেল ও জোন।
- যৌক্তিক কারণ দেখাতে হবে: কেন আপনি নির্দিষ্ট সময়ে রিটার্ন দিতে পারছেন না (যেমন: অসুস্থতা, দেশের বাইরে অবস্থান বা প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহে দেরি)।
- কত তারিখ পর্যন্ত সময় চাচ্ছেন তার উল্লেখ।
৩. আবেদনের শেষ সময় সীমা:
আয়কর রিটার্নের শেষ সময় ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এই তারিখ পার হয়ে গেলে সাধারণ নিয়মে জরিমানা ও বিলম্ব ফি প্রযোজ্য হতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য:
- অনলাইন রিটার্ন বাধ্যতামূলক: এবার অধিকাংশ ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইনে (e-Return) রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- জরিমানা: যদি আপনি আয়কর রিটার্নের শেষ তারিখ ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে রিটার্ন জমা না দেন এবং সময় বৃদ্ধির আবেদনও না করেন, তবে বকেয়া করের ওপর মাসিক ২% হারে বিলম্ব সুদ এবং ক্ষেত্রবিশেষে জরিমানা গুনতে হতে পারে।
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
Leave a Reply