1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
February 17, 2026, 11:19 pm

করদাতার জন্য ৭পরামর্শ, শূন্য রিটার্ন মানে সবকিছু শূন্য নয়

  • Update Time : Tuesday, February 17, 2026
  • 35 Time View

শূন্য রিটার্ন (Zero Return) মানে আয়কর রিটার্নে করযোগ্য আয়/পরিশোধযোগ্য কর (শূন্য) কিন্তু তাই বলে সব তথ্য, দায় বা ঝুঁকি শূন্য নয়। নিয়ম মেনে ও কৌশলগতভাবে রিটার্ন দিলে ভবিষ্যৎ জটিলতা এড়ানো যায়। নিচে করদাতার জন্য ৭টি বিস্তারিত পরামর্শ দেওয়া হলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল:

“শূন্য” কেন হলো কারণ স্পষ্ট রাখুন:

  • ব্যক্তিগত করমুক্ত সীমার নিচে আয়?
  • উৎসে কর (TDS) কেটে নেওয়া হয়েছে কিন্তু সমন্বয়ে শূন্য দাঁড়িয়েছে?
  • ব্যবসায় লোকসান হয়েছে?
    রিটার্নে ব্যাখ্যা ও সাপোর্টিং শিডিউল যুক্ত করুন, যাতে মূল্যায়ন কর্মকর্তা প্রশ্ন তুললে সহজে বোঝানো যায়।

আয়ের সব উৎস দেখান গোপন কিছু রাখবেন না:

বেতন, ব্যবসা/পেশা, ভাড়া, সুদ/লভ্যাংশ, ক্যাপিটাল গেইন সব আলাদা শিডিউলে দেখান। “শূন্য কর” হলেও ঘোষণায় ঘাটতি থাকলে জরিমানা/জরিপের ঝুঁকি বাড়ে। প্রয়োজনে National Board of Revenue–এর নির্দেশিকা মিলিয়ে নিন।

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

 উৎসে কর (TDS) ও অগ্রিম করের সমন্বয় ঠিক করুন:

ব্যাংক সুদ/সাপ্লায়ার পেমেন্টে কাটা করের সনদ (চালান/সার্টিফিকেট) সংরক্ষণ করুন। রিটার্নে সঠিকভাবে ক্রেডিটক্লেইম না করলে রিফান্ড/সমন্বয় আটকে যেতে পারে শূন্য রিটার্ন হলেও এ অংশ গুরুত্বপূর্ণ।

লোকসান থাকলে ক্যারি-ফরোয়ার্ডের সুযোগ নিন:

ব্যবসা বা পুঁজিগত লোকসান থাকলে আইনসিদ্ধ মেয়াদে ভবিষ্যৎ আয়ের সাথে সমন্বয়ের জন্য ক্যারি-ফরোয়ার্ড দাবি করুন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে এই সুবিধা নাও মিলতে পারে।

সম্পদ-দায় (Wealth Statement) হালনাগাদ রাখুন:

আয় শূন্য হলেও সম্পদ-দায় বিবরণীতে ব্যাংক ব্যালেন্স, স্থাবর সম্পত্তি, বিনিয়োগ, ঋণ ইত্যাদি বাস্তবসম্মত দেখান। আয় ও সম্পদের অসামঞ্জস্য ভবিষ্যতে নোটিশের কারণ হতে পারে।

 সময়মতো দাখিল ও ই-ফাইলিং ব্যবহার করুন:

বিলম্বে দাখিলে জরিমানা/সুবিধা হারানোর ঝুঁকি থাকে। সম্ভব হলে অনলাইনে রিটার্ন দিন National Board of Revenue–এর ই-রিটার্ন সিস্টেমে প্রাপ্ত অ্যাকনলেজমেন্ট সংরক্ষণ করুন। (প্রয়োজনে কর-পরামর্শকের সহায়তা নিন।)

ডকুমেন্ট সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:

  • বেতন স্লিপ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চুক্তিপত্র, TDS সনদ অন্তত ৫–৬ বছর রাখুন।
  • কর-সাশ্রয়ী বিনিয়োগ (যেমন নির্দিষ্ট সঞ্চয়পত্র/পেনশন স্কিম) পরিকল্পনা করে পরের বছরে কর-দায় অপ্টিমাইজ করুন।
  • আয় বাড়লে বা পরিস্থিতি বদলালে অগ্রিম কর পরিকল্পনা করুন।

সংক্ষেপে:

শূন্য রিটার্ন মানে “কর নেই”কিন্তু তথ্য, প্রমাণ ও কমপ্লায়েন্সের দায় ঠিকই আছে। সঠিক ঘোষণা, সময়মতো দাখিল ও ডকুমেন্টেশন রাখলে ভবিষ্যতে ঝামেলা কমে এবং সুবিধা (রিফান্ড/ক্যারি-ফরোয়ার্ড) নিশ্চিত হয়।

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp