শূন্য রিটার্ন (Zero Return) মানে আয়কর রিটার্নে করযোগ্য আয়/পরিশোধযোগ্য কর ০(শূন্য) কিন্তু তাই বলে সব তথ্য, দায় বা ঝুঁকি শূন্য নয়। নিয়ম মেনে ও কৌশলগতভাবে রিটার্ন দিলে ভবিষ্যৎ জটিলতা এড়ানো যায়। নিচে করদাতার জন্য ৭টি বিস্তারিত পরামর্শ দেওয়া হলো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল:
বেতন, ব্যবসা/পেশা, ভাড়া, সুদ/লভ্যাংশ, ক্যাপিটাল গেইন সব আলাদা শিডিউলে দেখান। “শূন্য কর” হলেও ঘোষণায় ঘাটতি থাকলে জরিমানা/জরিপের ঝুঁকি বাড়ে। প্রয়োজনে National Board of Revenue–এর নির্দেশিকা মিলিয়ে নিন।
ব্যাংক সুদ/সাপ্লায়ার পেমেন্টে কাটা করের সনদ (চালান/সার্টিফিকেট) সংরক্ষণ করুন। রিটার্নে সঠিকভাবে ক্রেডিটক্লেইম না করলে রিফান্ড/সমন্বয় আটকে যেতে পারে শূন্য রিটার্ন হলেও এ অংশ গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যবসা বা পুঁজিগত লোকসান থাকলে আইনসিদ্ধ মেয়াদে ভবিষ্যৎ আয়ের সাথে সমন্বয়ের জন্য ক্যারি-ফরোয়ার্ড দাবি করুন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে এই সুবিধা নাও মিলতে পারে।
আয় শূন্য হলেও সম্পদ-দায় বিবরণীতে ব্যাংক ব্যালেন্স, স্থাবর সম্পত্তি, বিনিয়োগ, ঋণ ইত্যাদি বাস্তবসম্মত দেখান। আয় ও সম্পদের অসামঞ্জস্য ভবিষ্যতে নোটিশের কারণ হতে পারে।
বিলম্বে দাখিলে জরিমানা/সুবিধা হারানোর ঝুঁকি থাকে। সম্ভব হলে অনলাইনে রিটার্ন দিন National Board of Revenue–এর ই-রিটার্ন সিস্টেমে প্রাপ্ত অ্যাকনলেজমেন্ট সংরক্ষণ করুন। (প্রয়োজনে কর-পরামর্শকের সহায়তা নিন।)
শূন্য রিটার্ন মানে “কর নেই”কিন্তু তথ্য, প্রমাণ ও কমপ্লায়েন্সের দায় ঠিকই আছে। সঠিক ঘোষণা, সময়মতো দাখিল ও ডকুমেন্টেশন রাখলে ভবিষ্যতে ঝামেলা কমে এবং সুবিধা (রিফান্ড/ক্যারি-ফরোয়ার্ড) নিশ্চিত হয়।
Leave a Reply