কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দল: বাংলাদেশের নির্বাচন স্বচ্ছ, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য
Update Time :
Sunday, February 15, 2026
59 Time View
কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক (Commonwealth Observer Group)-এর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬-এর সম্পর্কে বিশদ পর্যবেক্ষণ ও মন্তব্য আরও গোছা করে তুলে দিচ্ছি বিশেষ করে যেখানে তারা বাংলাদেশের নির্বাচনকে স্বচ্ছ, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেছে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল ।
কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দলের মূল্যায়ন:
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
পর্যবেক্ষক দলের প্রধান ও কাঠামো:
পর্যবেক্ষক দলের চেয়ারম্যান ছিলেন ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা অ্যাডো ডানকও আকুফো-আডো।
দলটি কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি বচওয়ে কর্তৃক গঠন করা হয়, এবং এতে রাজনীতি, আইন, মিডিয়া, লিঙ্গ ইত্যাদি ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞরা ছিলেন।
প্রধান পর্যবেক্ষণ ও মন্তব্য:
নির্বাচনকে ‘গ্রহণযোগ্য, স্বচ্ছওশান্তিপূর্ণ’ বলা:
তারা নির্বাচনকে “acceptable, transparent and orderly” অর্থাৎ গ্রহণযোগ্য, স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল হিসেবে বর্ণনা করেছে।
এটি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ভোটারগণ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন এমন মন্তব্য করেন আকুফো-আডো।
নির্বাচন–দিনের পর্যবেক্ষণ:
ভোটগ্রহণ ও প্রশাসনিক মনিটরিং:
পর্যবেক্ষকরা পর্যবেক্ষণ করেছিলেন ভোট কেন্দ্রের আয়োজন, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ও ভোট পড়া পর্যন্ত।
তারা উল্লেখ করেন যে ভোট কেন্দ্রগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খোলা হয়েছে, ভোটার তথ্য পরিষ্কারভাবে প্রদর্শিত হয়েছে এবং ভোটগ্রহণ “প্রফেশনালি” পরিচালিত হয়েছে।
ভোট গণনা ও পোস্টাল ব্যালট:
ভোট গণনা সহ পোস্টাল ব্যালট গণনা পর্যবেক্ষকরা স্বচ্ছ বলে উল্লেখ করেছেন।
এটি “চরম অনিয়ম ছাড়া” পরিচালিত হয়েছে এমন মন্তব্য করা হয়েছে।
অংশগ্রহণ ও নাগরিক অধিকার:
অন্তর্ভুক্তি ও প্রবেশাধিকার:
পর্যবেক্ষকরা দেখেছেন যে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে ভালো হয়েছে এবং নারীরা ভোট কেন্দ্রেও দৃশ্যমান অংশগ্রহণ করেছেন।
তবে পর্যালোচনায় বলা হয়েছে যে ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রবেশের সুবিধা ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ব্যবস্থা আরও উন্নত হতে পারে।
সংখ্যালঘু ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ:
পর্যবেক্ষকরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনো আক্রমণের তথ্য পাননি বলে জানিয়েছেন।
তবুও তারা উল্লেখ করেন যে কিছু অঞ্চলে সংখ্যালঘু ভোটারদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল।
মাধ্যম ও তথ্য পরিবেশ:
মিডিয়া ও নির্বাচন:
পর্যবেক্ষকরা জীবন্ত ও প্রাণবন্ত মিডিয়া কাঠামোকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছেন, যা ভোটারের কাছে তথ্য পৌঁছাতে সাহায্য করেছে।
কিন্তু অনলাইন ভুল তথ্য (misinformation) ও সাইবার হ্যারাসমেন্ট-এর মতো চ্যালেঞ্জের কথা তারা তুলে ধরেছেন।
ভবিষ্যতের জন্য সুপারিশ:
পরবর্তী মূল্যায়ন:
তারা পরামর্শ দিচ্ছেন যে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে পোস্ট-ইভ্যালুয়েশন / পর্যালোচনা করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে আরও উন্নতি সম্ভব হয়।
অন্তর্ভুক্তি ও অংশ গ্রহণ উন্নতি:
নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানো, প্রতিবন্ধীদের জন্য আরও সুবিধা তৈরি এবং মুদ্রা-সংক্রান্ত (digital) তথ্য পরিবেশে সতর্কতা তৈরির দিকেও গুরুত্ব দিতে বলেছেন।
সারসংক্ষেপ:
কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দল বলেছে। ভোটগ্রহণ স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য ছিল। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভিআইপি-ভোট, গণনা ও নির্বাচনী প্রশাসন বিশ্বমানের নিয়মে আচরণ করেছে। মিডিয়া ও তথ্য পরিবেশে উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। আরও উন্নতির জন্য সুপারিশও আছে।
Leave a Reply