1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
February 16, 2026, 11:35 pm
Title :

অনলাইনে রিটার্ন জমায় বিপাকে অনেক করদাতা, এখন ও অনেকেই রিটার্ন দাখিল করেননি

  • Update Time : Monday, February 16, 2026
  • 37 Time View

বাংলাদেশে অনলাইনে (ই-রিটার্ন) কর রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক করদাতা পরীক্ষায় পড়েছেন, এবং কেন্দ্রীয় কর কার্যালয়ের “ই-রিটার্ন সহায়তা বুথগুলো”তে অনেকে খোঁজ পেলেও তারা ফাঁকা বা কার্যকরভাবে সহায়তা পাচ্ছে না, এমন অভিযোগ বিভিন্ন সংবাদে উঠে এসেছে। নিচে সেই পুরো পরিস্থিতি বিস্তৃতভাবে বর্ণনা করা হলোঃ-

 বর্তমান সমস্যা: অনলাইনে রিটার্ন জমা দেয়ায় করদাতারা বিপাকে

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

 বাধ্যতা মূলক ই-রিটার্ন:

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ২০২৫-২৬ করবার্ষিক থেকে অনলাইন ই-রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে অধিকাংশ ব্যক্তি করদাতাদের জন্য (কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে)।

 প্রযুক্তিগত অসুবিধা দক্ষতার অভাব:

অনেক করদাতা  বিশেষত বয়োজ্যেষ্ঠ, গ্রামীণ ও কম ডিজিটাল জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি অনলাইনে রিটার্ন দেয়া শেখা বা সঠিকভাবে করা নিয়ে সমস্যায় পড়ছেন। অনেকের মধ্যে নথিপত্র, ওয়েবসাইট ব্যবহারের নিয়ম বা সঠিক তথ্য সংগ্রহে কষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

 সহায়তা বুথ গুলোতে উপস্থিতি কম:

কর কার্যালয়ের ই-রিটার্ন সহায়তা কেন্দ্রগুলো চালু থাকলেও অনেক জায়গায় দেখা গেছে

  • বুথগুলো ফাঁকা পড়ে আছে; করদাতা বা সহায়তা প্রার্থীরা উপস্থিত নেই।
  • অনেক সহায়ক কেন্দ্রেই কর্মী বা দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তি নেই  এমন উদাহরণ ধরা পড়েছে কিছু কর অঞ্চলে।

এই পরিস্থিতি থেকে বোঝা যায়, বাস্তবে করদাতাদের জরুরি, হাতে-কলমে সহায়তা বা প্রশিক্ষণ প্রয়োজন, কিন্তু তা পর্যাপ্তভাবে প্রদান হচ্ছে না।

 এনবিআরের উদ্যোগ অন্যান্য তথ্য:

 সহায়তারিটার্ন বুথচালু:

প্রতিটি কর অঞ্চলে ই-রিটার্ন সহায়তা বুথ স্থাপন করা হয়েছে যাতে করদাতারা সেখানে এসে অনলাইনে রিটার্ন ফাইল করতে পারেন বা সাহায্য পেতে পারেন।

অনলাইনে রিটার্নের সুবিধা:

অনলাইনে রিটার্ন দিলে করদাতা:

  • ঘরে বসেই ট্যাক্স পরিশোধ করতে পারেন ব্যাংক, ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (যেমন বিকাশ/রকেট/নগদ) দিয়ে,
  • সঙ্গে সঙ্গে স্বীকৃতি (acknowledgement) ও সার্টিফিকেট ডাউনলোড/প্রিন্ট করতে পারেন।

তবে এই সুবিধা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হলে সঠিক তথ্য, ডিজিটাল সক্ষমতা ও প্রয়োজনে সহায়তা দরকার, যা প্রত্যাশিত রূপে অনেক ক্ষেত্রে পৌঁছায়নি।

 বিশেষ ছাড় দিকনির্দেশনা:

এনবিআর অনলাইনে রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হলেও পাঁচ ধরনের করদাতাকে ছাড় দেওয়া হয়েছে, যেমন:

  1. ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব প্রবীণ করদাতা,
  2. শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি,
  3. বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা,
  4. মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধি,
  5. বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক।

এমন করদাতারা চাইলে ই-রিটার্ন দিতে পারেন, কিন্তু বাধ্য নন।

 পরামর্শ পরবর্তী করণীয়:

✔ ই-রিটার্ন দিতে গিয়ে যারা সমস্যা অনুভব করছেন, তারা প্রথমে নির্দিষ্ট ডকুমেন্টস ও তথ্য প্রস্তুত করুন (যেমন বেতনের স্টেটমেন্ট, TIN, বায়োমেট্রিক মোবাইল নম্বর ইত্যাদি)।

✔️ যদি সহায়তা কেন্দ্রগুলো কার্যকরভাবে কাজ না করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর কমিশনারেট বা এনবিআর হেল্প লাইন/ডিজিটাল ভেন্যু গুলোতে যোগাযোগ করে সমস্যা তুলে ধরুন।

✔️ অনলাইন পোর্টাল (http://etaxnbr.gov.bd)–এ নিবন্ধন ও রিটার্ন জমা প্রক্রিয়া সম্পর্কে ভিডিও/গাইড ব্যবহার করে নিজে নিজে শিখতে পারেন।

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp