1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
February 15, 2026, 10:35 pm

দিলেন চীন সফরের বার্তা, শুল্কারোপ নিয়ে সুর পাল্টালেন ট্রাম্প

  • Update Time : Sunday, February 15, 2026
  • 52 Time View

শুল্কারোপ (ট্যারিফ) নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সুর পরিবর্তন এবং চীন সফরের বার্তা সম্পর্কে বিশেষ করে সাম্প্রতিক ও প্রাসঙ্গিক তথ্য আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে পাওয়া গেছে  এতে দেখা যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কিছু “সমস্যাযুক্ত” দিক থেকে একটি তুলনামূলক সহযোগিতা মূলক ও আলোচনার পথ অনুসরণের ইঙ্গিত দিতে শুরু করেছে, যদিও সঠিক বিবৃতি বা শুল্ক পতনের ঘোষণা এখনও সীমিত এবং সম্পূর্ণ নিশ্চিতভাবে প্রকাশ্যে না এসেছে।

 সম্পর্ক উন্নয়নের ইতিবাচক সংকেত:

• চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ওয়াংই বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ককে বোঝাপড়া ও সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া উচিত, কঠোর“ডিকপ্লিং” বা বিচ্ছিন্নতার বিপরীতে, এবং তিনি পূর্ববর্তী সজাগ সংকেতগুলোর (ট্রাম্প প্রশাসনের) প্রতি ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন, ভবিষ্যৎ বৈঠকগুলোর প্রসঙ্গ টেনে।

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

• মার্কিন অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে বলা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একে অপরের সাথে“খুব উৎপাদনশীল” সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে, এবং আগামীর ট্রাম্পের চীন সফরের আগেই অর্থনৈতিক সমঝোতার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা চলছে  এমনকি শুল্ক নিয়ে সমঝোতা ও আমদানির বোঝা হ্রাসের সম্ভাবনার প্রেক্ষাপটেও।

 এই মন্তব্যগুলো থেকে বোঝা যায় যে ট্রাম্প প্রশাসন এখন সরাসরি শুল্ক বাড়ানোর চেয়ে বাণিজ্য আলোচনাকে অগ্রাধিকার দিতে ও মাঝারি পথ অনুসরণ করতে আগ্রহী যা পূর্বের কঠোর সুর থেকে কিছুটা নমনীয় বলে ধরা হচ্ছে।

শুল্ক নীতির রাজনৈতিক চাপ:

তবে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরেও শুল্কনীতি বিক্ষোভের মুখে, হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস শুল্ক সমর্থনকারী একটি নিয়মকে প্রত্যাখ্যান করেছে, যা ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য নীতিকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করে দিচ্ছে।

এর মানে এই নয় যে ট্রাম্প শুল্ক পুরোপুরি তুলে নিচ্ছেন  বরং রাজনৈতিক অর্থনৈতিক চাপ তাকে নীতি নতুন করে বিবেচনা করতে বাধ্য করতে পারে।

 বাণিজ্যিক বাস্তবতা এবং চাক্কাবদল:

পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে যে চীনের বাণিজ্য ঘাটতি ২০২৫ সালে রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে, এবং তা মার্কিন বাজারের অংশীদার দেশগুলোর বাজার সম্প্রসারণের কারণে হয়েছে।

এই বাস্তবতা হতে পারে একটি কারণ যে ট্রাম্প প্রশাসন এখন কেবল শক্তভাবে শুল্ক আরোপের পরিবর্তে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুন র্বিন্যাস করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে  বিশেষত চীনের সঙ্গে।

 চীন সফর ও ভবিষ্যৎ আলোচনা:

যদিও সরাসরি “চীন সফরের দিনক্ষণ” সংবাদগুলোর শীর্ষ শিরোনামে না এসেছে, কিন্তু:

ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ইতিমধ্যেই চীনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরপর আলোচনা চালাচ্ছেন।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে উভয় পক্ষেই ইতিবাচক মন্তব্য এসেছে ভবিষ্যৎ বৈঠক/সহযোগিতার সম্ভাবনার ব্যাপারে।

 এর ফলে আগামীর চীন সফর কে একটি সম্পর্ক উন্নয়নের বার্তা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যেখানে শুল্ক ও বাণিজ্য ইস্যুর কিছু অংশ আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা হতে পারে।

 সারসংক্ষেপ:

ট্রাম্প শুল্কারোপ নিয়ে কঠোর থেকে তুলনামূলকভাবে কূটনৈতিক ও আলোচনা মুখী সুরে ফিরে এসেছে, এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্পর্ক উন্নয়নের বার্তা দিচ্ছে।
 শুল্ক সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়নি, তবে কংগ্রেস ও বাজারের চাপ নীতিতে পুনর্বিবেচনার সুযোগ তৈরি করেছে।
আগামীর চীন সফর ও বৈঠকগুলোকে এই নতুন কূটনৈতিক ধারা আরও দৃঢ় করার কাঠামো হিসেবে দেখা হচ্ছে  যেখানে শুল্কসহ বাণিজ্য ইস্যুগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের দিকে এগোবেই।

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp