আজ (১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে Bangladesh Nationalist Party-এর (বিএনপি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া হলো: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সকাল পৌনে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবন-এর শপথ কক্ষে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পেয়েছে ২০৯টি আসন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়লাভ করেছেন। রেওয়াজ অনুযায়ী, সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপির সংসদ সদস্যদের শপথই আগে পড়ানো হয়। শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে সংসদ ভবন ও এর আশপাশে নেওয়া হয় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
শপথ গ্রহণের সারসংক্ষেপ:
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০টা বেজে প্রায় ১০:৪০-এ রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে নবনির্বাচিত বিএনপি এমপি-দের শপথ গ্রহণ শুরু হয়েছে।
শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ.এম.এম. নাসির উদ্দিন, যাঁর নেতৃত্বেই নবনির্বাচিত সাংসদরা শপথ বাক্য পাঠ করেন।
এ শপথে নবনির্বাচিত সদস্যরা “বাংলাদেশ প্রত ও সংবিধান অনুযায়ী দ্বায়িত্ব সঠিকভাবে পালন” করার অঙ্গীকার করেন এবং দায়িত্ব পালন সম্পর্কে প্রতিশ্রুতি দেন।
অনুষ্ঠান-সম্বন্ধীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
শপথ নেওয়া ঠিক কোথায় ও কবে?
শপথ গ্রহন জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে সকালে শুরু হয়।
অনুষ্ঠানটি সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে শুরু হয়ে, প্রায় ১১টার দিকে সমাপ্তি দিকে যাচ্ছে।
কাদের শপথ?
প্রথম ধাপে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপি-এর জয়ী সংসদ সদস্যরা শপথ নেন।
দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং অন্যান্য এমপি-রা একত্রে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগে নির্বাচিত সদস্যরা সকাল থেকে সংসদ ভবনে পৌঁছান।
সংবিধান সংস্কার পরিষদ পথ পার্থক্য
যদিও নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ-র কথা মিলিয়ে তার শপথ নেওয়ার কথা ছিল, বিএনপি এমপি-রা সেই পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি বলে খবর এসেছে।
তাদের বক্তব্য সংশ্লিষ্ট পরিষদ এখনও সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়নি এবং তা নিয়ে নিয়মানুযায়ী শপথ অনুষ্ঠানের ভিত্তি নেই।
মোটামুটি পটভূমি:
এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঐতিহাসিক, কারণ বিএনপি দীর্ঘ ১৫বছরের বিরতির পর সরকারি দায়িত্বে ফিরছে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে সংসদে প্রবেশ করেছে।
এর সঙ্গে একই দিনে নতুন সরকার এবং মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণও অনুষ্ঠিত হবে (দুপুর/বিকেলে)।
Leave a Reply