✔ নতুন সময়সীমা: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ই-ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করা যাবে।
✔ এটিই শুধুমাত্র জানুয়ারি ২০২৬ মাসের ভ্যাট রিটার্নের জন্য বিশেষভাবে দেয়া সময় বাড়ানো।
✔ এই সময়সীমার বাইরে রিটার্ন দিলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী শুল্ক ও জরিমানা ধার্য হতে পারে তাই সময়ের ভিতরে জমা দিতে হবে।
শবে বরাত এবং তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন-এর কারণে অনেক দিন সরকারি ছুটি ছিল।
এর ফলে বড় ধরনের সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলো কিছুদিন বন্ধ বা কার্যক্রম সীমিত ছিল, ফলে অনেক ব্যবসায়ী সময় মতো রিটার্ন জমা দিতে পারেননি।
১৫ ফেব্রুয়ারি ই-চালান সিস্টেমের OTP সার্ভার ডাউন হয়ে যায়, যার কারণে অনেক করদাতা রিটার্ন জমা করার সময় প্রমাণীকরণ (OTP) নিতে পারেনি ও কাজ সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হয়।
এনবিআর এই সমস্যা বিবেচনা করে সময় বাড়িয়েছে যাতে করদাতারা অসুবিধা ছাড়া রিটার্ন দাখিল করতে পারে।
🔹 এই সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৬৪(১এ)-র আওতায়, যেখানে জনস্বার্থে রিটার্ন জমার সময় বাড়ানোর ক্ষমতা এনবিআর-এর আছে।
🔹 রিটার্ন ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দিলে তা সময়ের ভিতরে জমা দেয়া হিসেবে গণ্য হবে অর্থাৎ পরে ডিলেই বা জরিমানা হবে না।
বর্তমানে বাংলাদেশে সকল ভ্যাট-নিবন্ধিত ব্যবসা ই-ভ্যাট সিস্টেমে অনলাইনে মাসিক রিটার্ন দাখিল করে থাকে।
এনবিআর ও ভ্যাট ব্যবস্থাকে আরও ডিজিটাল ও সহজ করে তুলতে কাজ করছে যেমন অনলাইন VAT রিফান্ড ব্যবস্থা চালু করা ইত্যাদি।
✔২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এর আগে ই-ভ্যাট সিস্টেমে লগ-ইন করে রিটার্ন দাখিল করুন।
✔ যদি লগ-ইন, OTP বা সিস্টেম-সম্পর্কিত কোনো জটিলতা থাকে, তাহলে আগেই প্রস্তুতি নিন বা আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবস্থাপক/ব্যবসার অ্যাকাউন্টিং টিম-এর সাথে যোগাযোগ করুন।
Leave a Reply