বর্তমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে কে হবেন তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কতটি নাম ও সম্ভাবনা ঘুরছে, বিশেষ করে ২০২৬-এর নির্বাচনে বিএনপি (বাংলাদেশ জাতীয়তা বাদী দল) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পর থেকে। যদিও সরকারিভাবে এখনও কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি, বিভিন্ন সংবাদ ও রাজনৈতিক সূত্রে কিছু প্রধান নাম উঠে এসেছে বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হল:
বিএনপি-র স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ নেতা, দলীয় অভ্যন্তরীণ আলোচনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আলোচ্য নামের একজন।
✔ তিনি দলের অভিজ্ঞ রাজনীতিক; দলীয় নেতাদের মধ্যে প্রচুর সম্মান ও গ্রহণযোগ্যতা আছে।
✔ কিছু সংবাদে বলা হয়েছে তাঁকে রাজনৈতিক উপদেষ্টা বা স্পিকার পদেও বিবেচনা করা হচ্ছে, কিন্তু রাষ্ট্রপতিতেও আলোচনা চলছে।
সূত্র: বিএনপি-র অভ্যন্তরীণ আলোচনায় নজরুল ইসলাম খান প্রধান প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছে।
▶ নোবেল পুরস্কারজয়ী অর্থনীতিবিদ ও সমাজ সংস্কারক।
✔ আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা ও উচ্চ মর্যাদা পান; প্রযুক্তি, শিক্ষা ও উন্নয়ন ক্ষেত্রেও খ্যাত।
✔ রাজনৈতিক নেতা না হলেও, তাঁর গ্লোবাল ইমেজ রাষ্ট্রপতিত্বে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত করতে সাহায্য করতে পারে তাই তাঁর নামটিও আলোচনায় উঠে এসেছে।
তবে মনে রাখতে হবে, ড. ইউনূস রাজনৈতিকভাবে সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা নেই এবং তিনি দীর্ঘদিন রাষ্ট্র প্রশাসনে যুক্ত নন, তাই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ দলীয় চিন্তাভাবনার ওপর নির্ভর করবে।
✔ বিএনপি-র সিনিয়র নেতা এবং দলীয় কনভেনশন/সমাবেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়া ব্যক্তিদের অন্যতম।
✔ সরকার গঠনের সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য ক্যান্ডিডেট হিসেবে মিডিয়া ও সমালোচনায় এসেছে।
✔ যদিও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নাম গণ্য নেতৃদের তালিকায় ফাইনালাইজড হয়নি, তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
যেমনটি কিছু সংবাদে উল্লেখ হয়েছে, তাঁর নামও অনানুষ্ঠানিকভাবে আলোচনায় এসেছে বিশেষত সরকার ও দলীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে সম্ভাব্য সাংবিধানিক ভূমিকা নিতে পারেন এমন প্রেক্ষাপটে।
যদিও এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আনা হয়নি এবং তিনি পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেননি।
✔ বর্তমানে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন, যিনি ২০২৩ সালে একটি অমোঘ নির্বাচনে (একাই প্রার্থীরূপে মনোনয়ন পেয়ে) রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।
সংবিধান অনুযায়ী তাঁর মেয়াদ ২০২৮ পর্যন্ত; তবে দলের পরিবর্তন ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুযায়ী তিনি সম্ভবত পদত্যাগ করতে পারেন বা নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন।
✔ বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদ থেকে নির্বাচিত হন (আইন অনুযায়ী সব দলের প্রতিনিধিরা মনোনয়ন দিতে পারেন)।
✔ ২০২6-এর নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে, নতুন সংসদ গঠনের পরেই রাষ্ট্রপতির পদের জন্য আনুষ্ঠানিক পদ্ধতি শুরু হবে।
🔹 বিএনপি সরকার আগামী সংসদে সরকার গঠন করছে, এবং দলীয় শীর্ষ নেতারা বিভিন্ন সাংবিধানিক পদে নাম ঘোষণা/আলোচনার মধ্যে রয়েছে।
🔹 রাষ্ট্রপতি পদটি সাধারণত আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ও রাজনৈতিক ভারসাম্যের প্রতীক হিসাবেও বিবেচিত হয় তাই নেতাদের নাম নির্বাচন ও রাজনৈতিক আলোচনায় ওঠে।
🔹 এখনো পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি, তাই এগুলো সবই আলোচ্য সম্ভাব্য নাম ও রাজনৈতিক বিবেচনা।
Leave a Reply