1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
March 30, 2026, 10:49 pm
Title :
২০২৫-২৬ করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি করদাতা বাংলাদেশে এনবিআর কর্তৃক একজন সার্টিফাইড আয়কর আইনজীবী হওয়ার নিয়ম জাতীয় রাজস্ববোর্ড অনুমদিত বাংলাদেশে একজন আয়কর আইনজীবীর কাজ কী আইনগত ভাবে জাতীয় রাজস্ববোর্ড অধিভুক্ত আয়কর আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা যে সব ভুল করা যাবে না আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময়ে আয়কর রিটার্ন ৩১ মার্চের পরেও দেওয়া যাবে, আবেদন করবেন যেভাবে কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার শেষ সময় ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে চলতি করবছরে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪০ লাখের বেশি করদাতা : এনবিআর ৩১ মার্চ ২০২৬ আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, আরও ০৭ দিন অনলাইনে আবেদন করা যাবে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে

দেশে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের প্রক্রিয়া ডিজিটাল করতে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন : হাইকোর্ট

  • Update Time : Wednesday, January 28, 2026
  • 124 Time View

দেশে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন প্রক্রিয়া ডিজিটাল করার ব্যাপারে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় (full judgment) প্রকাশিত হয়েছে  এবং এটি শুধু   নয়, বরং এক দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হিসেবে দেশের নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা, আইনি স্বচ্ছতা ও তথ্য-ভিত্তিক অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। নিচে রায়ের সব গুরুত্বপূর্ণ দিক বিস্তারিতভাবে তুলে দেওয়া হলো  

 রায়ের মূল নির্দেশ প্রেক্ষাপট:

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

 ) রায়ের উদ্দেশ্য ভিত্তি:

হাইকোর্ট একটি রিট আবেদন (writ petition)-এর ওপর গত ডিসেম্বর ২০২৫-এ শুনানি শেষে এই রায় দিয়েছেন। রিটটি ২০২১ সালের মার্চে দায়ের করা হয়েছিল, যেখানে আবেদনকারীরা উল্লেখ করেছিলেন যে বিবাহ-তালাক নিবন্ধন এখনও কাগজভিত্তিক (অনালগ) ব্যবস্থা অনুসারে হয়, যেটি:

  • সঠিকভাবে যাচাইযোগ্য নয়
  • তথ্য ফাঁকি বা গোপন করার সুযোগ দেয়
  • সামাজিক মর্যাদা ও আইনি নিরাপত্তা কমিয়ে দেয়
  • পরিবার ও সন্তানের আইনি পরিচয় নির্ধারণে সমস্যা সৃষ্টি করে

এজন্য হাইকোর্ট পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

 ) কী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে?

হাইকোর্ট রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:

✔ সমস্ত বিবাহ ও তালাকের তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাধ্যতামূলক ভাবে নিবন্ধন করতে হবে
✔ ডিজিটাল ডাটাবেস হচ্ছে একটি কেন্দ্রীভূত, যাচাইযোগ্য, স্বচ্ছ ও সহজ অ্যাক্সেস যোগ্য ব্যবস্থা।
✔সরকারকে এই ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করে রিপোর্ট দাখিল করতে হবে আদালতে।

এতে বিবাহ-তালাক সম্পর্কিত তথ্যের অনলাইন সংগ্রহ, যাচাই ও শেয়ার যোগ্য সিস্টেম গড়ে তোলা হবে যাতে সাধারণ নাগরিক, আইনগত সংস্থা ও প্রশাসন সহজেই অ্যাক্সেস পেতে পারে।

রায়ে যে সব গুরুত্বপূর্ণ কারণ বলা হয়েছে:

 ) বিদ্যমান অনালগ পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা:

হাইকোর্ট রায়ে উল্লেখ করেছেন যে বর্তমানে যেহেতু পদ্ধতিটি কাগজভিত্তিক, তাই—

✔ তথ্য যাচাই করা কঠিন
✔ একটি ব্যক্তির একাধিক বিবাহ বা তালাক-সম্পর্কিত তথ্য লুকানো যায়
✔ একাধিক নথি মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন
✔ বাল্যবিবাহ, প্রতারণা ও ভুল-ত্রুটির সুযোগ বেশি থাকে

 ) মানবাধিকার সংবিধান গত গুরুত্ত্ব:

রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অনালগ সিস্টেমের কারণে মানুষের মানবাধিকার ও সংবিধান গত অধিকার(Articles 31 ও32) ক্ষয়িষ্ণু হচ্ছে, কারন তথ্য সীমাবদ্ধ ও যাচাই-যোগ্য নয়। ডিজিটাল সিস্টেম মানবাধিকার, আইনি স্বচ্ছতা ও সাধারণ মানুষের সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করবে।

 ডিজিটাল সিস্টেমের সম্ভাব্য উপকারিতা:

হাইকোর্ট-এর রায়ে যেসব সুবিধা আগ্রহভরে তুলে ধরা হয়েছে:

 ) প্রতারণা কমবে:

ডিজিটাল ডাটাবেস থাকার ফলে একাধিক বা গোপন বিবাহ ও তালাকের তথ্য আগেই যাচাই করা যাবে, যা প্রতারণা ও নথি গোপন করার সুযোগ কমাবে।

 ) নারীর সামাজিক আইনি নিরাপত্তা বৃদ্ধি:

ডিজিটাল তথ্য থাকার ফলে নারীরা তাদের জন্য উপযুক্ত আইনি সুরক্ষা পাবে এবং ভুল তথ্য বা লুকোনো ইতিহাস প্রকাশ পাবে।

 ) নাগরিকদের সুবিধা স্বচ্ছতা:

সাধারণ নাগরিক অনলাইনে বিবাহ/তালাক তথ্য যাচাই, ডাউনলোড বা প্রিন্ট করতে পারবে, এবং প্রশাসনিক কাজ সহজ হবে।

 ) শিশু পারিবারিক স্থিতিশীলতায় সহায়তা:

ডিজিটাল তথ্যের ফলে সন্তানের আইডেন্টিটি বা পরিবার-সম্পর্কিত আইনগত সিদ্ধান্ত আরও সহজে ও সুন্দরভাবে করা সম্ভব হবে।

 সরকারের পরবর্তী করণীয়:

হাইকোর্ট শুধু নির্দেশ দিয়েছে  প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল করতে হবে  বরং এতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরকে ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও ই-সেবা স্থাপন করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিবাহ/তালাক নিবন্ধক, কাজী বা পজিষ্ট্রি অফিসের কর্মকর্তারা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তথ্য আপলোড করবেন।
 নাগরিকরা অনলাইনে তথ্য যাচাই ও সংগ্রহ করতে পারবেন।

 সংক্ষেপে: রায়ের সারসংক্ষেপ:

বিষয়নির্দেশ
রায়ের উদ্দেশ্যবিবাহ ও তালাক ডিজিটাল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা
রিট দাখিলমার্চ ২০২১
শুনানি ও রায়ডিসেম্বর ২০২৫
বেঞ্চবিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসান
সিস্টেমঅনলাইন, যাচাইযোগ্য, স্বচ্ছ, কেন্দ্রীয় ডাটাবেস
মানবাধিকার প্রভাবঅধিক তথ্য স্বচ্ছতা ও আইনি নিরাপত্তা বৃদ্ধি
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp