1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
March 31, 2026, 12:25 am
Title :
২০২৫-২৬ করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি করদাতা বাংলাদেশে এনবিআর কর্তৃক একজন সার্টিফাইড আয়কর আইনজীবী হওয়ার নিয়ম জাতীয় রাজস্ববোর্ড অনুমদিত বাংলাদেশে একজন আয়কর আইনজীবীর কাজ কী আইনগত ভাবে জাতীয় রাজস্ববোর্ড অধিভুক্ত আয়কর আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা যে সব ভুল করা যাবে না আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময়ে আয়কর রিটার্ন ৩১ মার্চের পরেও দেওয়া যাবে, আবেদন করবেন যেভাবে কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার শেষ সময় ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে চলতি করবছরে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪০ লাখের বেশি করদাতা : এনবিআর ৩১ মার্চ ২০২৬ আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, আরও ০৭ দিন অনলাইনে আবেদন করা যাবে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে

বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ রাষ্ট্রপতির কাছে আইন কমিশনের

  • Update Time : Monday, January 26, 2026
  • 92 Time View

১. সাংবিধানিক ও আইনগত ভিত্তি:

  • বাংলাদেশ আইন কমিশন আইন, ১৯৯৬ এর বিধান অনুযায়ী আইন কমিশন একটি স্থায়ী সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
  • উক্ত আইনের অধীনে কমিশনের অন্যতম দায়িত্ব হলো:
     প্রতি অর্থবছরে কমিশনের কার্যক্রমের ওপর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্তুত ও রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা।
  • রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতিবেদন পেশ করা কমিশনের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার প্রতিফলন।

২. প্রতিবেদন প্রস্তুতের প্রাথমিক ধাপ:

বছরজুড়ে কমিশনের:

  • আইন সংস্কার সংক্রান্ত গবেষণা
  • সরকারি রেফারেন্সে প্রাপ্ত মতামত
  • খসড়া আইন প্রণয়ন
  • বিচার বিভাগ ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরামর্শ
    সংক্রান্ত সব তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

() খসড়া প্রতিবেদন প্রণয়ন:

বার্ষিক প্রতিবেদনে সাধারণত অন্তর্ভুক্ত থাকে-

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
  1. কমিশনের সাংগঠনিক কাঠামো
  2. বছরভিত্তিক কার্যক্রমের বিবরণ
  3. প্রণীত আইন সংস্কার সুপারিশ
  4. সরকারের কাছে প্রেরিত মতামত ও অগ্রগতি
  5. সীমাবদ্ধতা ও সমস্যা
  6. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

৩. কমিশনের অভ্যন্তরীণ অনুমোদন:

  • খসড়া প্রতিবেদন কমিশনের সভায় উপস্থাপন করা হয়।
  • কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জন করেন।
  • সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদনের পর প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত হয়।
  • চেয়ারম্যান প্রতিবেদনটিতে স্বাক্ষর করেন।
  •  

৪. আইন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ:

  • চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি পাঠানো হয়
    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে
  • এখানে লক্ষ্যণীয় বিষয়:
    আইন কমিশন সরাসরি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে যায় না
    সংবিধানিক প্রটোকল অনুযায়ী সবকিছু মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়
  •  

৫. মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া:

আইন মন্ত্রণালয়ে,

  • প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট উইং/শাখা পরীক্ষা করে
  • একটি সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (Summary/Note) প্রস্তুত করা হয়
  • প্রয়োজনে কমিশনের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হতে পারে
  • এরপর প্রতিবেদনটি রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপনের জন্য অনুমোদন নোট তৈরি হয়
  •  

৬. রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতিবেদন পেশ:

  • আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রতিবেদনটি
     রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে (বঙ্গভবন) পাঠানো হয়
  • অনেক ক্ষেত্রে
    • আইন কমিশনের চেয়ারম্যানঅথবা কমিশনের প্রতিনিধি দল
      রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন।
    •  

৭. রাষ্ট্রপতির ভূমিকা:

  • রাষ্ট্রপতি প্রতিবেদনটি গ্রহণ করেন
  • প্রয়োজনে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করতে নির্দেশ দেন
  • রাষ্ট্রপতি সাধারণত নীতিগত পর্যবেক্ষণ ও গুরুত্বারোপ করেন
    (রাষ্ট্রপতি সরাসরি বাস্তবায়ন করেন না)।
  •  

৮. পরবর্তী কার্যক্রম:

রাষ্ট্রপতির কাছে পেশের পর

  • প্রতিবেদনটি
    • মন্ত্রিসভায় অবহিত করা হতে পারে
    • সংসদে তথ্য হিসেবে উপস্থাপিত হতে পারে
  • আইন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী
     সরকার আইন সংশোধন বা নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিতে পারে
  •  

৯. গুরুত্ব ও তাৎপর্য:

  • রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতিবেদন পেশের মাধ্যমে
    ✔ আইন কমিশনের কার্যক্রমের সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিশ্চিত হয়
    ✔ আইন সংস্কারে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নজর আসে
    ✔ গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা বজায় থাকে
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp