আরওগভীর, রুল-বাই-রুল(operational + governance level) বিস্তারিত দিচ্ছি, যেন এটা সরাসরি নীতি/গাইডলাইন/SOP হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
নিচেরটা পড়লে বোঝা যাবে কে, কখন, কীভাবে, কোননিয়মে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (EML) হবে সব অংশী জন কে নিয়ে।
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা প্রণয়নের বিস্তারিত রুলস:
১: আইনি ও নীতিগত ভিত্তি (Legal & Policy Rules):
রুল ১.১: আইনি ক্ষমতা:
- EML প্রণয়ন অবশ্যই:
- প্রযোজ্য আইন/রুলসের অধীনে হবে
- লিখিত Government Order / Office Order ছাড়া EML কমিটি গঠন করা যাবে না।
রুল ১.২: বাধ্যতামূলক ব্যবহার:
- সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে:
- প্রেসক্রিপশন
EML অনুসরণ বাধ্যতামূলক হবে।
২: অংশীজন সম্পৃক্ততার রুল:
রুল ২.১: অংশীজন শ্রেণিবিন্যাস:
অংশীজনদের ৪টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করতে হবে:
- Decision Makers
- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
- DGHS / DDA
- Technical Experts
- চিকিৎসক, ফার্মাকোলজিস্ট
- Implementers
- ফার্মাসিস্ট, নার্স, প্রোকিউরমেন্ট অফিসার
- End-Users & Watchdogs
- রোগী প্রতিনিধি, সিভিল সোসাইটি
প্রতিটি ক্যাটাগরি থেকে প্রতিনিধি থাকা বাধ্যতামূলক।
রুল ২.২: প্রতিনিধি মনোনয়ন নীতি:
- যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা নির্ধারিত থাকবে
- লিঙ্গ ও ভৌগোলিক ভারসাম্য রাখতে হবে
- একই ব্যক্তি টানা ২ টার্মের বেশি থাকতে পারবে না
৩: কমিটি গঠন ও শাসন কাঠামো:
রুল ৩.১: কেন্দ্রীয় EML টেকনিক্যাল কমিটি:
আবশ্যিক পদ:
- চেয়ারম্যান (স্বাধীন বিশেষজ্ঞ)
- সদস্য–সচিব
- ক্লিনিক্যাল, ফার্মাসিউটিক্যাল, জনস্বাস্থ্য প্রতিনিধি
রুল ৩.২: সাব–কমিটি গঠন:
- রোগভিত্তিক সাব–কমিটি ছাড়া তালিকা করা যাবে না
- প্রতিটি সাব–কমিটির TOR (Terms of Reference) লিখিত হবে
রুল ৩.৩: স্বার্থের সংঘাত (COI) ব্যবস্থাপনা:
- প্রত্যেক সদস্যের:
- যেকোনো আর্থিক/পেশাগত স্বার্থ থাকলে:
- ঐ ওষুধের সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ
৪: প্রমাণভিত্তিক ওষুধ নির্বাচন রুল:
রুল ৪.১: ডেটা সোর্স বাধ্যতামূলক:
নিচের কমপক্ষে ৩টি ডেটা ব্যবহার করতে হবে:
- রোগের জাতীয় পরিসংখ্যান
- WHO / আন্তর্জাতিক গাইডলাইন
- স্থানীয় চিকিৎসা প্রোটোকল
- ফার্মাকোভিজিল্যান্স রিপোর্ট
রুল ৪.২: ওষুধ অন্তর্ভুক্তির শর্ত:
একটি ওষুধ তালিকায় আসবে যদি:
- জনস্বাস্থ্যে প্রয়োজনীয়
- নিরাপদ ও কার্যকর প্রমাণিত
- বিকল্পের তুলনায় যুক্তিযুক্ত
- দীর্ঘমেয়াদে সাশ্রয়ী
রুল ৪.৩: ওষুধ বর্জনের রুল:
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ওষুধ বাদ যাবে:
- অপ্রয়োজনীয় ডুপ্লিকেশন
- অযৌক্তিক FDC
- নিরাপত্তা ঝুঁকি বেশি
- নতুন প্রমাণে অকার্যকর প্রমাণিত
৫: ডোজ ফর্ম ও ব্যবহার রুল:
রুল ৫.১: বয়স ও বিশেষ চাহিদা
- শিশু, গর্ভবতী, বয়স্কদের জন্য আলাদা বিবেচনা
- Oral ফর্মকে অগ্রাধিকার
রুল ৫.২: সীমিত অপশন নীতি
- একই ওষুধের:
- অতিরিক্ত ব্র্যান্ড বা ফর্ম নিষিদ্ধ
৬: পরামর্শ ও অংশগ্রহণ প্রক্রিয়া:
রুল ৬.১: পাবলিক কনসালটেশন
- খসড়া তালিকা প্রকাশ
- নির্দিষ্ট সময় (≥৩০ দিন) মতামত গ্রহণ
রুল ৬.২: মতামত মূল্যায়ন
- সব মতামত নথিভুক্ত হবে
- গ্রহণ/বর্জনের যুক্তি লিখিত থাকবে
৭: অনুমোদন, প্রকাশ ও বাস্তবায়ন:
রুল ৭.১: চূড়ান্ত অনুমোদন
- মন্ত্রণালয়ের লিখিত অনুমোদন
- আংশিক অনুমোদন গ্রহণযোগ্য নয়
রুল ৭.২: বাস্তবায়ন বাধ্যবাধকতা
- সরকারি ক্রয় শুধুমাত্র EML অনুযায়ী
- ব্যতিক্রম হলে লিখিত কারণ প্রয়োজন
৮: পর্যবেক্ষণ, অডিট ও আপডেট:
রুল ৮.১: রিভিউ সময়সীমা
- ৩ বছর অন্তর পূর্ণ রিভিউ
- জরুরি প্রয়োজনে interim update
রুল ৮.২: অডিট ব্যবস্থা
- প্রেসক্রিপশন অডিট
- স্টক-আউট ও ব্যবহারের বিশ্লেষণ
৯: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা:
রুল ৯.১: তথ্য প্রকাশ
- কমিটির সদস্য তালিকা
- সিদ্ধান্তের বৈজ্ঞানিক যুক্তি
রুল ৯.২: অভিযোগ নিষ্পত্তি
- অভিযোগ গ্রহণ ব্যবস্থা
- নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি
১০: শাস্তিমূলক ও সংশোধনী ব্যবস্থা:
রুল ১০.১: নিয়ম লঙ্ঘন
- অযৌক্তিক ওষুধ সংযোজনের চেষ্টা
- বাণিজ্যিক প্রভাব প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা
রুল ১০.২: সংশোধনী পদক্ষেপ
- সদস্য অপসারণ
- সিদ্ধান্ত বাতিল
- প্রশাসনিক শাস্তি
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
Leave a Reply