1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
March 31, 2026, 12:08 pm
Title :
২০২৫-২০২৬ করবর্ষে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আর বাড়ছে না ২০২৫-২৬ করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি করদাতা বাংলাদেশে এনবিআর কর্তৃক একজন সার্টিফাইড আয়কর আইনজীবী হওয়ার নিয়ম জাতীয় রাজস্ববোর্ড অনুমদিত বাংলাদেশে একজন আয়কর আইনজীবীর কাজ কী আইনগত ভাবে জাতীয় রাজস্ববোর্ড অধিভুক্ত আয়কর আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা যে সব ভুল করা যাবে না আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময়ে আয়কর রিটার্ন ৩১ মার্চের পরেও দেওয়া যাবে, আবেদন করবেন যেভাবে কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার শেষ সময় ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে চলতি করবছরে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪০ লাখের বেশি করদাতা : এনবিআর ৩১ মার্চ ২০২৬ আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, আরও ০৭ দিন অনলাইনে আবেদন করা যাবে

কর রেয়াত যে কারণে বাতিল করতে হবে

  • Update Time : Wednesday, October 29, 2025
  • 226 Time View

কর রেয়াত হলো এমন একটি নীতিমালা, যার মাধ্যমে সরকার কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা খাতকে আংশিক বা পূর্ণ করছাড় (tax relief) দেয়। এর উদ্দেশ্য সাধারণত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি বা সামাজিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা।

 কর রেয়াত বাতিল করার কারণসমূহ:

নিচে প্রধান কারণগুলো বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো:

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

1. রাষ্ট্রীয় রাজস্ব ঘাটতি বা আয় হ্রাস:

  • কর রেয়াতের কারণে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারায়।
  • রাজস্ব ঘাটতি হলে সরকার উন্নয়ন প্রকল্প, সামাজিক নিরাপত্তা ও অবকাঠামো খাতে পর্যাপ্ত অর্থায়ন করতে পারে না।
     ফলাফল: সরকারকে বাজেট ঘাটতি পূরণে ঋণ নিতে হয় বা নতুন কর আরোপ করতে হয়।

2. অসাম্য বৈষম্য সৃষ্টি:

  • অনেক সময় কর রেয়াত ধনীদের পক্ষে কাজ করে, দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে নয়।
  • বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বা প্রভাবশালী গোষ্ঠী রেয়াতের সুবিধা পায়, কিন্তু ছোট ব্যবসা বা সাধারণ নাগরিক পায় না।
     ফলাফল: কর ব্যবস্থায় ন্যায্যতা নষ্ট হয়।

3. অপব্যবহার দুর্নীতি বৃদ্ধি:

  • কিছু প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি ভুয়া তথ্য দেখিয়ে কর রেয়াত নেয়।
  • অনেক সময় রাজনৈতিক প্রভাব বা ঘুষের মাধ্যমে রেয়াতের অনুমোদন পাওয়া যায়।
     ফলাফল: রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় ও প্রশাসনিক দুর্নীতি বৃদ্ধি।

4. অকার্যকর বা পুরোনো নীতি:

  • অনেক কর রেয়াত নীতি পুরোনো অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়।
  • সময়ের পরিবর্তনে সেই খাতগুলোতে রেয়াতের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলেও তা বহাল থাকে।
  • ফলাফল: অপ্রয়োজনীয়ভাবে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হয়।

5. বিনিয়োগে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া:

  • রেয়াত দেওয়া হয় বিনিয়োগ বা কর্মসংস্থান বৃদ্ধির আশায়।
  • কিন্তু অনেক সময় প্রতিষ্ঠান রেয়াতের সুবিধা নিয়ে প্রকৃত বিনিয়োগ করে না।
     ফলাফল: অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জিত হয় না।

6. আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ন্যায্যতা:

  • আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নীতিমালায় কিছু রেয়াত “subsidy” হিসেবে ধরা পড়ে, যা WTO বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
     ফলাফল: বৈদেশিক চাপ বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এড়াতে সরকার রেয়াত বাতিল করতে বাধ্য হয়।

7. কর ব্যবস্থাকে সরল স্বচ্ছ করা:

  • কর রেয়াত জটিলতা বাড়ায়; প্রতিটি খাত বা প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা নিয়ম তৈরি করতে হয়।
     ফলাফল: রেয়াত বাতিল করলে কর কাঠামো সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর হয়।

 সারসংক্ষেপ:

বিষয়প্রভাব
রাজস্ব ঘাটতিসরকারি আয় কমে যায়
বৈষম্যধনী-গরিবের ব্যবধান বাড়ে
অপব্যবহারদুর্নীতি বাড়ে
পুরোনো নীতিরাজস্ব ক্ষতি
ফলহীন বিনিয়োগঅর্থনৈতিক স্থবিরতা
আন্তর্জাতিক বাধানীতিগত পরিবর্তন বাধ্যতামূলক
সরলীকরণপ্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp