জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই বিশেষ টাস্কফোর্সগুলো গঠন করেছে। এর লক্ষ্য কেবল কর আদায় বাড়ানো নয়, বরং রাজস্ব প্রশাসনের দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো দূর
চলতি করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমার সংখ্যা ৪০ লাখ ছাড়িয়ে যাওয়া বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল:- ১. রাজস্ব আদায়ে প্রভাব:
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সাম্প্রতিক বক্তব্যটি বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সময়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কর নিয়ে যে উদ্বেগ ছিল, তা
একটি দেশের অর্থনীতি যখন সংকটের মুখে পড়ে, তখন সরকার সাধারণত রাজস্ব বাড়াতে এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে ট্যাক্স বা কর বাড়ানোর পথে হাঁটে। তবে এটি একটি ‘দ্বিমুখী তলোয়ার’ সঠিকভাবে প্রয়োগ করলে
বাংলাদেশে ব্যবসার খরচ বা ‘Cost of Doing Business’ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হলো ট্যাক্স অন ট্যাক্স (Tax on Tax) বা করের ওপর কর। সহজ কথায়, যখন কোনো পণ্যের ওপর
বৈশ্বিক বাণিজ্যে শুল্ক নিয়ে চলমান অস্থিরতা বাংলাদেশের মতো রপ্তানি-নির্ভর অর্থনীতির জন্য যেমন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, তেমনি কিছু কৌশলগত সুযোগও সৃষ্টি করেছে। তবে সার্বিকভাবে অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে।
২০২৬-২৭ করবর্ষের (যা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে শুরু হলেও ১ এপ্রিলের কিছু প্রাসঙ্গিক আপডেট রয়েছে) জন্য আয়কর আইনে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। মূলত অর্থ অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং নতুন
২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় সর্বশেষ ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর সরকারি আদেশে (এটি চতুর্থবার সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত)। নিচে সম্পূর্ণ ও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া
National Board of Revenue(NBR) স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিয়েছে যে আয়কর রিটার্ন জমানোর সময় আরও বাড়ানো হতে পারে, এবং এটা বাস্তবে ঘটারও সম্ভাবনা রয়েছে। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল: কেন সময় আরও
বাংলাদেশে ৭ মাসে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা শুল্ক–কর আদায়ে ঘাটতি নতুন সরকারের জন্য বড় আর্থিক ও নীতিগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। সাধারণত এ ধরনের ঘাটতি হলে বাজেট বাস্তবায়ন, উন্নয়ন ব্যয়