বাংলাদেশে রাজস্ব আদায় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে এবং কর ফাঁকি রোধ করতে এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) স্বয়ংক্রিয় বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভ্যাট অডিট কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে দেশের ৬০০ টি বড়
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর ফাঁকি রোধ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আয়কর রিটার্ন অডিটের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। আপনার কাঙ্ক্ষিত তথ্যগুলো নিচে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো: অডিট বাছাইয়ের প্রেক্ষাপট:
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) রাজস্ব ফাঁকি রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং সাম্প্রতিক ঘোষণা অনুযায়ী, কর ফাঁকিবাজদের তথ্য প্রদানকারীদের জন্য ‘Whistleblower’ বা ‘তথ্যদাতা‘ পুরস্কারের ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের ৩১
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) চেয়ারম্যান সম্প্রতি অগ্রিম আয়কর (Advance Income Tax – AIT) এবং উৎসে কর (Tax Deducted at Source – TDS) ফেরতের প্রক্রিয়াটি সহজ ও স্বয়ংক্রিয় করার ঘোষণা দিয়েছেন।
বছরজুড়েই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। ২০২৪ সালের নতুন আয়কর আইন এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) অনলাইন সিস্টেম চালু হওয়ার পর এই সুবিধাটি যোগ হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের পরে জমা
বাংলাদেশে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচনা হয়েছে। তবে আয়কর রিটার্নের সময় ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, স্বাভাবিকভাবে আর সময় বাড়ানোর
২০২৫-২৬ করবর্ষে বাংলাদেশে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। । এনবিআর (NBR) থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৪১ লাখ ৫০ হাজারের
আয়কর আইনজীবী হওয়ার নিয়ম বাংলাদেশে একজন সার্টিফাইড আয়কর আইনজীবী (Income Tax Practitioner – ITP) হওয়া একটি সম্মানজনক পেশা। এটি মূলত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়। আয়কর আইনজীবীর মাধ্যমে
বাংলাদেশে একজন আয়কর আইনজীবী (Income Tax Lawyer) বা কর উপদেষ্টা করদাতা এবং সরকারের রাজস্ব বিভাগের (NBR) মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন। তাদের কাজের পরিধি কেবল ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার মধ্যেই
বাংলাদেশে আয়কর আইনজীবী (Income Tax Lawyer) বা আয়কর পেশাজীবী (ITP – Income Tax Practitioner) বলতে এমন একজন বিশেষজ্ঞকে বোঝায়, যিনি করদাতাদের পক্ষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) বা আয়কর কর্তৃপক্ষের কাছে