গভীর, বিশ্লেষণধর্মী ও প্রাসঙ্গিকভাবে ব্যাখ্যা করছি, যেন বিশ্ববিদ্যালয়/প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা/নীতি বিশ্লেষণ সব ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা যায়।
রাজস্ব সক্ষমতা জোরদারে সমন্বিত ও কাঠামোগত কর সংস্কার কেন জরুরি:
ভূমিকা
রাষ্ট্রের আর্থিক স্বনির্ভরতার মূল ভিত্তি হলো রাজস্ব আয়। উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষেত্রে রাজস্ব ঘাটতি একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা, যার ফলে সরকারকে বৈদেশিক ঋণ, অনুদান কিংবা ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভর করতে হয়। এই বাস্তবতায় রাজস্ব সক্ষমতা জোরদারে সমন্বিত ও কাঠামোগত কর সংস্কার অপরিহার্য।
১. বর্তমান কর ব্যবস্থার মৌলিক দুর্বলতা:
ক) সংকীর্ণ কর ভিত্তি:
ফলে রাজস্ব আহরণ টেকসই হয় না
খ) পরোক্ষ করের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা:
সামাজিক বৈষম্য বৃদ্ধি পায়
গ) কর ফাঁকি ও কর পরিহার:
২. সমন্বিত কর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা(Integrated Reform):
ক) করনীতি–প্রশাসন–আইন এক সঙ্গে সংস্কার:
শুধু কর আইন পরিবর্তন করলে হয় না; দরকার-
খ) প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের পুনঃভারসাম্য:
আয়কর, সম্পদ কর, ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স জোরদার
এতে কর ব্যবস্থায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়
গ) কেন্দ্র–স্থানীয় সরকারের রাজস্ব সমন্বয়:
রাজস্ব বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি
৩. কাঠামোগত কর সংস্কারের প্রধান উপাদান:
ক) করভিত্তি সম্প্রসারণ(Tax Base Broadening):
খ) কর অব্যাহতি ও বিশেষ সুবিধা যৌক্তিকী করণ:
রাজস্ব ক্ষয় কমে
গ) সম্পদ ও সম্পত্তি কর জোরদার:
বৈষম্য হ্রাসে কার্যকর
৪. কর প্রশাসনের আধুনিকায়ন:
ক) ডিজিটালাইজেশন:
খ) স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি:
গ) কর নৈতিকতা ও কর সংস্কৃতি:
৫. সামষ্টিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব:
সমন্বিত ও কাঠামোগত কর সংস্কারের মাধ্যমে-
উপসংহার:
রাজস্ব সক্ষমতা বাড়াতে করের হার বাড়ানোই সমাধান নয়; বরং সমন্বিত ও কাঠামোগত কর সংস্কারের মাধ্যমে ন্যায়সংগত, দক্ষ ও স্বচ্ছ কর ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। এটি কেবল রাজস্ব বৃদ্ধিই নয়, বরং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত।
Leave a Reply