1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
March 31, 2026, 3:40 am
Title :
২০২৫-২৬ করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি করদাতা বাংলাদেশে এনবিআর কর্তৃক একজন সার্টিফাইড আয়কর আইনজীবী হওয়ার নিয়ম জাতীয় রাজস্ববোর্ড অনুমদিত বাংলাদেশে একজন আয়কর আইনজীবীর কাজ কী আইনগত ভাবে জাতীয় রাজস্ববোর্ড অধিভুক্ত আয়কর আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা যে সব ভুল করা যাবে না আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময়ে আয়কর রিটার্ন ৩১ মার্চের পরেও দেওয়া যাবে, আবেদন করবেন যেভাবে কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার শেষ সময় ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে চলতি করবছরে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪০ লাখের বেশি করদাতা : এনবিআর ৩১ মার্চ ২০২৬ আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, আরও ০৭ দিন অনলাইনে আবেদন করা যাবে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে

হঠাৎ উৎসে কর দ্বিগুণ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে

  • Update Time : Saturday, January 31, 2026
  • 105 Time View

সঞ্চয়পত্রে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত “হঠাৎ উৎসে কর দ্বিগুণ” বলে যেটা আলোচিত হচ্ছে, সেটা আসলে কী, কেন হলো এবং কী প্রভাব পড়ছে  নিচে বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হল:-

 আগের কর কাঠামো কী ছিল?

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

আগে (২০১৯ সাল থেকে) সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে কর কাঠামো ছিল এমন

 যে বিনিয়োগকারীর মোট সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগ ≤ ৫ লক্ষ টাকা, তার মুনাফা-আয়ের উপর ৫ % উৎসে কর ধার্য হতো।
 বিনিয়োগ ৫ লক্ষ টাকার বেশি হলে, সেই মুনাফায় ১০ % উৎসে কর হতো।
এখনো পর্যন্ত এটাই ছিল সরকারি নিয়ম।

 অর্থাৎ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগকারীরা নেট আয় হিসেবে তুলনায় সুবিধা পেতেন কারণ কর কম ছিল।

 ২০২৬ থেকে কী পরিবর্তন এসেছে?

গত জানুয়ারি ২০২৬ থেকে সরকারি সিদ্ধান্তে হঠাৎ করে এ নিয়মে বদল এসেছে:

 এবার থেকে সকল সঞ্চয়পত্র বিনিয়োগে irrespective of amount, অর্থাৎ ৫ লক্ষ টাকাও থাকুক বা তার বেশি  সকলেই ১০ % উৎসে কর দিচ্ছেন।
এর ফলে ৫ লক্ষ টাকার নিচের বিনিয়োগকারীর কর হঠাৎ ৫ % থেকে দাঁড়িয়েছে ১০ %, অর্থাৎ কর প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

 সরকারি কোনও বড় বিজ্ঞপ্তি বা প্রেস নোটিশ ছাড়াই এই বদল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে নির্দেশ হিসেবে অর্থ বছর শেষের দিকে (ডিসেম্বর ২০২৫/জানুয়ারি ২০২৬) এসে যায় বলে অনেকে অভিযোগ করছেন।

  পরিবর্তন কেন হয়েছে?

সরকার কিছুকাল ধরে রাজস্ব আয় বাড়ানো এবং ব্যাংক/অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামলানোর জন্য কর-ভিত্তিক পরিবর্তন ও রাজস্ব বৃদ্ধির কৌশল নিয়েছে বলে বিশ্লেষকরা বলছেন।
এভাবে উৎসে কর বাড়ালে সরাসরি রাজস্ব আয় বেড়ে যায় এবং “ব্যাংক ঋণ-লিকুইডিটি” নিয়ন্ত্রণে পড়ার জন্যও এটি একটি হাতিয়ার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 লক্ষ টাকার বিনিয়োগ কারীর হাতে কি প্রভাব পড়বে?

ধরা যাক কেউ পরিবারের সঞ্চয়পত্রে ৫ লক্ষ টাকা রাখেন:

  • আগের নিয়মে কর ছিল ৫ %, অর্থাৎ বছরে মুনাফার ওপর কম কর কাটা হতো।
  • এখন ১০ % কর কাটা হচ্ছে, তাই নিট হাতে পাওয়া আয় কমে যাবে।
    আর্থিকভাবে এটি বিনিয়োগকারীর নেট আয়ে প্রায় প্রায় ২ গুণ কর বাড়া হিসেবে অনুভূত হচ্ছে।

এটা বিশেষ করে ছোট-মধ্যম স্তরের বিনিয়োগকারী ও অবসরপ্রাপ্তদের জন্য কঠিন প্রভাব ফেলছে, কারণ তাদের ৫ লক্ষ টাকার মতো বিনিয়োগই সবসময় থাকে এবং কর বাড়ায় হাতে আসা নগদ আয় কমে যাচ্ছে।

 কর ছাড় বা রিটার্ন শর্তে সাম্প্রতিক বদল:

এছাড়া একটি ভিন্ন পরিবর্তনও এসেছে সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য আয়কর রিটার্ন শর্তে:

 আগের নিয়মে সঞ্চয়পত্র কিনতে ৫ লক্ষ টাকার উপরে হলে আয়কর রিটার্ন লাগত।
এখন সেই সীমা ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে  মানে ৫ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর রিটার্ন দেখাতে হবে না।
এই পরিবর্তনটি ২০২৫ সালে হয়েছে।

 কিন্তু এই পরিবর্তনটাতে উৎসে কর বাড়ানো নয় এটা কেবল রিটার্ন শর্তে ঢিলেঢালা করা মাত্র।

 সার সংক্ষেপে মূল পয়েন্ট গুলো:

বিষয়আগের নিয়মনতুন নিয়মানুসারে
কর হার (≤ 5 লক্ষ) % উৎসে কর১০ % উৎসে কর
কর হার (> 5 লক্ষ)১০ % উৎসে কর১০ % উৎসে কর
আয়কর রিটার্ন শর্ত> 5 লক্ষ লাগতো> 10 লক্ষ লাগবে

ফলাফল: ৫ লক্ষ টাকার বিনিয়োগে কর হঠাৎ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, ফলে নেট আয় কমে গেছে  এটাকেই সাধারণভাবে “কর দ্বিগুণ” বলা হচ্ছে যেহেতু আগের সুবিধাটা হারিয়েছে।

 আপনার জন্য নেওয়ার সিদ্ধান্তে কী বিবেচনা করবেন?

 যদি আপনি বা আপনার পরিবার শুধুমাত্র সঞ্চয়পত্র থেকে মাসিক আয় বা নিরাপত্তা চান
তবে কর বাড়ার কারণে আয় কমবে এটা আগে হিসাব করে নেওয়া জরুরি।

৫ লক্ষের নিচে বা সমমান বিনিয়োগ থাকলে এখন না হয় অন্যান্য বিনিয়োগ বিকল্প (যেমন FDR, মিউচুয়াল ফান্ড, ডিভিডেন্ড-যুক্ত শেয়ার ইত্যাদি) বিবেচনা করা যেতে পারে (আপনার ঝুঁকি গ্রহণক্ষমতা অনুযায়ী)।

 কর ছাড় ও রিটার্ন শর্তে সুবিধা পেলেও তা মূলত সঞ্চয়পত্রের নেট আয়ের পরিমাণে সরাসরি প্রভাব ফেলে না।

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp