বাংলাদেশে মাত্র ১২ শতাংশ কোম্পানি আয়কর রিটার্ন জমা দেয় এটি দেশের কর ব্যবস্থার কার্যকারিতা ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জের প্রতিফলন। এই পরিস্থিতি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও রাজস্ব সংগ্রহে
২০২৫‑২৬ অর্থবছরে (FY 26), বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় বাজেটে ঘোষণা মোতাবেক ১২টি সেবায় আয়কর রিটার্ন জমানোর প্রমাণ (Proof of Submission of Return বা PSR) জমানোর বাধ্যবাধকতা শিথিল করা হয়েছে। এগুলোর জন্য আর
কর রিটার্ন (IT‑10BB Form বা IT 11C অনুযায়ী) তে বিদেশভ্রমণ, মোবাইল বিল, গৃহকর্মীর বেতনসহ ৯টি ধরণের জীবনযাত্রা‑সম্পর্কিত খরচ অন্তর্ভুক্ত করতে হয়: ১. ৯টি বাধ্যতামূলক খরচের বিভাগ (Lifestyle Statement – IT 10BB /
বাংলাদেশে তুলা (cotton) ও man-made fibres আমদানিতে ২% Advance Income Tax (AIT)‑এর সঙ্গে সম্পৃক্ত সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিস্তারিতভাবে আনা হলো: সময়রেখা ও মূল ঘটনা: ১. AIT প্রদানের প্রেক্ষাপট ২. শিল্পমন্ত্রণালয়
“অনলাইনে রিটার্ন দাখিলে ডকুমেন্টস আপলোডের প্রয়োজন নেই“ এই বিষয়টি আরও বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করছি, যেন পুরো প্রক্রিয়াটি পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়: অনলাইনে ডকুমেন্টস আপলোড না করার পেছনের মূল কারণগুলো: ১. Self-Assessment System
“জিরো রিটার্ন” দাখিল অর্থাৎ করদাতার সমস্ত ইনকাম, ব্যয়, সম্পদ ও দায়কে “ভারোশূন্য” হিসেবে দেখিয়ে রিটার্ন দাখিল করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নিচে এর বিস্তারিত তুলে দিচ্ছি: আইনগত বিধান
বাংলাদেশের এনবিআর শাটডাউন‑এর কারণে ব্যবসায়ীদের আশঙ্কাজনক আর্থিক ক্ষতির বিস্তারিত ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হলো: আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ সারসংক্ষেপ: সময়ভেদে Tk 2,500–3,000 কোটি প্রাত্যহিক ক্ষতির বিশাল আকার দৃশ্যমান। অন্যান্য প্রভাব ও
বাংলাদেশ সরকার “১০ লাখ টাকার বেশি মেয়াদি আমানত (Term Deposit) ও সঞ্চয়পত্র” এবং “২০ লাখ টাকার বেশি ঋণ গ্রহণ” ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে, যা সম্পর্কিত একটি সরকারি গেজেট (Gazette)
আপন ভাই–বোনের মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর (যেমন: ফ্ল্যাট, জমি, টাকা ইত্যাদি) করলে কর (Tax) দিতে হয় কি না এই প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করে কয়েকটি বিষয় ও আইনগত দিকের ওপর। ১. উপহার
বাংলাদেশে “রিটার্ন দিলে কর না দেয়া” এই পরিস্থিতি নিয়ে আরও বিশদ তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো: কী ঘটছে? অনলাইন রিটার্নের চিত্র: চলতি করবর্ষে অনলাইনে প্রায় ১৫ লাখ রিটার্ন জমা পড়েছে,