1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
March 31, 2026, 1:59 am
Title :
২০২৫-২৬ করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি করদাতা বাংলাদেশে এনবিআর কর্তৃক একজন সার্টিফাইড আয়কর আইনজীবী হওয়ার নিয়ম জাতীয় রাজস্ববোর্ড অনুমদিত বাংলাদেশে একজন আয়কর আইনজীবীর কাজ কী আইনগত ভাবে জাতীয় রাজস্ববোর্ড অধিভুক্ত আয়কর আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা যে সব ভুল করা যাবে না আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময়ে আয়কর রিটার্ন ৩১ মার্চের পরেও দেওয়া যাবে, আবেদন করবেন যেভাবে কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার শেষ সময় ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে চলতি করবছরে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪০ লাখের বেশি করদাতা : এনবিআর ৩১ মার্চ ২০২৬ আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, আরও ০৭ দিন অনলাইনে আবেদন করা যাবে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে

আয়কর রিটার্ন দেয় মাত্র ১২ শতাংশ কোম্পানি

  • Update Time : Monday, August 11, 2025
  • 233 Time View

বাংলাদেশে মাত্র ১২ শতাংশ কোম্পানি আয়কর রিটার্ন জমা দেয় এটি দেশের কর ব্যবস্থার কার্যকারিতা ও রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জের প্রতিফলন। এই পরিস্থিতি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও রাজস্ব সংগ্রহে বাধা সৃষ্টি করছে।

 করদাতার সংখ্যা করজালের বাস্তবতা:

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
  • টিআইএন রেজিস্ট্রেশন: বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত প্রায় ৫ লাখ কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে, নিয়মিত আয়কর রিটার্ন জমা দেয় মাত্র ৬০,০০০-৭০,০০০ এর মতো, যা প্রায় ১২ শতাংশের কাছাকাছি।
  • করজিডিপি অনুপাত: দেশের কর-জিডিপি অনুপাত ৮ শতাংশের নিচে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণ গ্রহণের শর্ত হিসেবে রাজস্ব খাতে বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন।

 কর রিটার্ন জমা না দেওয়ার কারণসমূহ:

  1. কর পরিশোধে অনীহা বা অসচেতনতা: অনেক কোম্পানি আয়কর জমা দিতে ইচ্ছুক নয় বা নিয়মাবলী সম্পর্কে অসচেতন।
  2. কর আদায়ে দুর্বলতা: কর কর্তৃপক্ষের পর্যাপ্ত পর্যবেক্ষণ ও ট্যাক্স কনট্রোলের অভাব থাকতে পারে।
  3. ছোট মাঝারি ব্যবসার সংখ্যা বেশি: বাংলাদেশে বড় কোম্পানির তুলনায় ছোট ও মাঝারি ব্যবসার সংখ্যা অনেক বেশি। এই সব ব্যবসা কর দাতার বাইরে থাকতে পারে বা আয় লুকানোর প্রবণতা থাকতে পারে।
  4. অনুষ্ঠানগত জটিলতা: আয়কর রিটার্ন ফাইল করা এবং নিয়মকানুন অনুসরণ করা অনেক সময় জটিল মনে হয় ব্যবসায়ীদের জন্য।

 কর রিটার্ন জমা দেওয়ার গুরুত্ব:

রাজস্ব সংগ্রহ: সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য রাজস্ব সংগ্রহে সাহায্য করে।

  • অর্থনীতির স্বচ্ছতা: দেশের অর্থনীতির স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করে।
  • বৈদেশিক বিনিয়োগ: বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত হয়।
  • সরকারি সুবিধা: কোম্পানির জন্য সরকারি সুবিধা বা ক্রেডিট পেতে সহায়তা করে।

 কর রিটার্ন জমা বাড়ানোর উদ্যোগসমূহ:

  • পিএসআর (PSR) বাধ্যতামূলক করা: ২০২৩-২৪ অর্থবছর থেকে শূন্য রিটার্ন জমা দিলেও ২ হাজার টাকা আয়কর দিতে হবে। এছাড়া, ৪৪ ধরনের সরকারি-বেসরকারি সেবা পাওয়ার জন্য রিটার্ন জমার রসিদ বা ‘প্রুফ অব সাবমিশন অব রিটার্ন’ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
  • টিআইএন সুবিধা: ই-টিআইএন থাকা সত্ত্বেও যারা যথা সময়ে রিটার্ন জমা দেননি, তাদের রিটার্ন প্রস্তুত করতেও সহায়তা করে সরকার।
  • কর সচেতনতা বৃদ্ধি: কোম্পানি ও ব্যবসায়ীদের করের নিয়মকানুন ও গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা।
  • কঠোর নজরদারি আইন প্রয়োগ: কর ফাঁকি রোধে কড়াকড়ি ও জরিমানা বাড়ানো।

কর রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া:

  • টিআইএন নিবন্ধন: প্রথমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এর ওয়েবসাইটে গিয়ে টিআইএন নিবন্ধন করতে হবে।
  • আয়কর রিটার্ন ফাইলিং: নির্ধারিত ফরমে আয়কর রিটার্ন পূরণ করে জমা দিতে হবে।
  • নথিপত্র সংরক্ষণ: আয় ও ব্যয়ের সকল নথিপত্র সংরক্ষণ করতে হবে।
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp