জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান সম্প্রতি বলেছেন যে আগামী বছর (২০২৬ সালে) থেকে এমন একটি ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে, যাতে ভ্যাট (মুল্য সংযোজন কর) নিবন্ধন ছাড়া
রাজস্ব খাতে অটোমেশন (Automation) মানে হলো কর ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ধাপে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজকে দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকর করা। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই কর জালের আওতা (Tax Net) বাড়ছে। নিচে বিষয়টি
বছরে কোটি টাকা বা তার বেশি আয় করেন এমন ব্যক্তিদের প্রায় ৬৭ – ৬৮ % লোকই আয়কর দেন না, অর্থাৎ তারা আনুষ্ঠানিকভাবে করজালে নেই বা কর দিচ্ছেন না, যদিও তাদের
বাংলাদেশে অনলাইনে সারাবছর আয়কর রিটার্ন (ই-রিটার্ন) দেওয়া যাবে, কিন্তু সময় পিছিয়ে দিলে বাড়তি টাকা (সুদ/জরিমানা) গুনতে হবে। নিচে বিস্তারিত হল: ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা সারা বছর অনলাইনে রিটার্ন দিতে পারবেন বলে ঘোষণা
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ৮১ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি (revenue evasion) মামলায় চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে। মামলাটির বিস্তারিত তথ্য নিচে সংক্ষেপে আলোচনা করা হল । ঢাকা, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান খান সম্প্রতি বলেছেন যে রাজস্ব আয় বাড়াতে এখন করদাতাদের ‘জুলুম বা নিপীড়ন’ নয় বরং কর-ফাঁকিবাজদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) নিয়ে সাম্প্রতিক মন্তব্যের বিস্তারিত সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ দেওয়া হলো বিশেষ করে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এর মন্তব্য অনুযায়ী: ১. কি বলেছেন অর্থ উপদেষ্টা? অর্থ উপদেষ্টা ড.
“ভ্যাট–ট্যাক্স দিলেই জনগণের সেবা নিশ্চিত হবে” এই বক্তব্যটির বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হলো: ১. ভ্যাট ও ট্যাক্স কী? এই করগুলো সরকারের প্রধান রাজস্ব উৎস। ২. কর আদায় ও
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর সাম্প্রতিক আয়কর রিটার্ন জমা ও কর আদায়ের প্রেক্ষাপটের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে যদিও সরাসরি “৩৬.৬২ লাখ রিটার্ন জমা ও প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ঘোষণা করেছে যে তারা করদাতাদের বার্ষিক রিটার্ন দাখিলের প্রক্রিয়াকে ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি স্বয়ংক্রিয় (Automated) ব্যবস্থা তৈরি করছে। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে করদাতাদের জন্য রিটার্ন