1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
March 31, 2026, 9:00 am
Title :
২০২৫-২০২৬ করবর্ষে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আর বাড়ছে না ২০২৫-২৬ করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি করদাতা বাংলাদেশে এনবিআর কর্তৃক একজন সার্টিফাইড আয়কর আইনজীবী হওয়ার নিয়ম জাতীয় রাজস্ববোর্ড অনুমদিত বাংলাদেশে একজন আয়কর আইনজীবীর কাজ কী আইনগত ভাবে জাতীয় রাজস্ববোর্ড অধিভুক্ত আয়কর আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা যে সব ভুল করা যাবে না আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময়ে আয়কর রিটার্ন ৩১ মার্চের পরেও দেওয়া যাবে, আবেদন করবেন যেভাবে কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার শেষ সময় ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে চলতি করবছরে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪০ লাখের বেশি করদাতা : এনবিআর ৩১ মার্চ ২০২৬ আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, আরও ০৭ দিন অনলাইনে আবেদন করা যাবে

কাউকে ট্যাক্স ছাড় বা অন্যায় ভাবে ট্যাক্স চাপিয়ে দেয়া যাবে না: এনবিআর

  • Update Time : Monday, October 6, 2025
  • 234 Time View

কাউকে অনুচিতভাবে ট্যাক্স ছাড় দেওয়া বা অন্যায়ভাবে ট্যাক্স চাপানো যাবে না এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল

 কেন ট্যাক্স ন্যায্য হতে হবে:

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
  • আইনগত সমতা (Equality before law): সকলের উপর একই ধরনের আইনের প্রযোজ্যতা থাকা উচিত। করব্যবস্থা যদি উন্মুক্তভাবে এবং অকারণ ভেদাভেদ করে তাহলে এটি সমতার নীতির বিরুদ্ধে যায়।
  • ন্যায্যতা ও সমবণ্টন (Horizontal & Vertical equity): একই অবস্থা বা আয়ের লোকদের একইরকম কর দিতে হবে (horizontal equity), আর বিভিন্ন আয়ের স্তরের ওপর উপযুক্তভাবে বোঝা রাখা উচিত (vertical equity)।
  • স্বচ্ছতা ও পূর্বানুমানযোগ্যতা (Transparency & Predictability): করদাতাদের জানা থাকা দরকার কোনগুলো করযোগ্য, করের হার কী এবং ছাড়/ছাড়ের মানদণ্ড কী  যাতে তারা পরিকল্পনা করতে পারে।
  • শাসনবিধি ও সম্মান (Rule of law & due process): কর আরোপ বা ছাড় দুটোই সরকারের কার্যক্রম; এগুলোকে আইনি বিধি ও প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে, ব্যক্তিগত ইচ্ছে নয়।

 অবৈধ/অনিচ্ছাকৃত কর ছাড় বা আরোপ কিভাবে ঘটে):

  • রাজনৈতিক/আর্থিক লেনদেন: বিশেষ কেউ সুবিধা পেতে সরকারীভাবে ছাড় দেওয়া।
  • প্রশাসনিক ভুল বা অপচয়: ভুল ম্যাটার, ভুল শ্রেণীকরণ, বা দুর্বল নীতি প্রয়োগ।
  • কঠোর রুল নেই/নিয়মভঙ্গ: আইন স্পষ্ট না হলে অফিসারদের স্বচ্ছন্দ ব্যবহারে বিরূপ সিদ্ধান্ত।
  • দস্তাবেজ জালিয়াতি বা গোপন সুবিধা: করদাতাদের পক্ষ থেকে অসত্য তথ্য বা কর্মকর্তাদের দুর্নীতি।

আইনি প্রশাসনিক রক্ষা:

  • আইনী ভিত্তি: করমুক্তি বা ছাড় কেবলমাত্র সংসদ/আইন দ্বারা বা নির্দিষ্ট প্রশাসনিক বিধিবলে হতে পারে  স্ট্যান্ডার্ড সেট করা থাকা উচিত।
  • স্বচ্ছ নীতিমালা ও মাপকাঠি: করছাড় প্রদানের স্পষ্ট শর্ত, সময়সীমা (sunset clause), এবং প্রভাব বিশ্লেষণ (fiscal impact) করতে হবে।
  • অডিট ও হিসাব-নিরীক্ষা: স্বাধীন অডিট, জাতীয় হিসাবপত্র বা অডিট অফিস (যেমন জাতীয় অডিট অফিস) এর মাধ্যমে যাচাই।
  • তদন্তকারী সংস্থা/অ্যান্টি-করাপশন বডি: দুর্নীতির অভিযোগ দ্রুত তদন্ত করা।
  • জনসাধারণে ঘোষণাপত্র: যে সকল ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান কে করছাড় পেয়েছে তা প্রকাশ করা স্বচ্ছতার জন্য।
  • আপীল ও বিচারব্যবস্থা: কর আরোপ বা ছাড় সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন/কোর্টে মামলা করার সুবিধা।

 আন্তর্জাতিক মানদণ্ড:

  • OECD/IMF প্রিন্সিপলস: করনীতিতে সমতা, দক্ষতা, স্বচ্ছতা, প্রশাসনিক সহজলভ্যতা এই সবই মূল।
  • ব্যাপক দৃষ্টান্ত: উন্নত অর্থনীতিতে করছাড়ের নীতিগুলো প্রভাব বিশ্লেষণ (cost–benefit) করে, এবং নিয়মিত রিভিউ বা মেয়াদবন্ধ করা হয়।

 কী করেকাউকে করছাড় দেয়া যাবে না”:

আইনগত সীমান্ত নির্দিষ্ট করা  করছাড় কেবল আইন/বিলের মাধ্যমে এবং স্পষ্ট মেয়াদসহ।

  1. পাবলিক রেজিস্ট্রি  করছাড় প্রাপক ও পরিমাণ পাবলিক করা বাধ্যতামূলক।
  2. স্বতন্ত্র প্রিভিউ ও ইমপ্যাক্ট স্টাডি  বড় ছাড়ের আগে জনগণের অর্থ ও বাজেটে তার প্রভাব মূল্যায়ন।
  3. মেয়াদোত্তীর্ণ ছাড়  স্থায়ী নয়; নিয়মিত পুনর্মূল্যায়ন বাধ্যতামূলক।
  4. কঠোর অডিট ও রিপোর্টিং  যেকোনো ছাড়ের পর অডিট রিপোর্ট প্রকাশ।
  5. দূর্নীতি নিয়ন্ত্রণ  ডিসক্লোজার, কনফ্লিক্ট-অফ-ইন্টারেস্ট বিধান, কর্মকর্তা বদল ইত্যাদি।

নাগরিক হিসেবে আপনি কী করতে পারেন:

 প্রশাসনিক অভিযোগ: কর কর্তৃপক্ষ/রেভিনিউ অফিসে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করুন।

  • তথ্য জানার অধিকার (RTI/ভিন্ন নাম হতে পারে): কোন প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তিকে কতটা ছাড় দেওয়া হয়েছে তা চেয়ে নিন।
  • সাংবাদিকতা ও প্রকাশ্যতা: বিষয়টি স্থানীয় বা জাতীয় মিডিয়ায় নেওয়া যেতে পারে (প্রমাণসহ)।
  • আইনি উপায়: অনুচিত কর আরোপ বা অবৈধ ছাড়ের বিরুদ্ধে রায়প্রাপ্তির জন্য হাইকোর্ট/শ্রেণীভিত্তিক আপিল করা। (আইনজীবীর পরামর্শ প্রয়োজন)।
  • অন্তর্বর্তী রাজনৈতিক/নাগরিক চাপ: নাগরিক সংগঠন, এনজিও বা পলিটিক্যাল অ্যাক্সন গ্রুপের মাধ্যমে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা দাবি করা।
  • অ্যান্টি-করাপশন কমিশন/অফিসে রিপোর্ট: যদি দুর্নীতির ধারণা থাকে।
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp