1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
May 15, 2026, 3:12 pm
Title :
সিমেন্ট শিল্পের উদ্যোক্তাদের কাঁচামাল আমদানিতে অগ্রিম আয়কর হ্রাসের দাবি আইন পেশার মান আর ও উন্নত করতে চাই: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক রিটার্ন জমার সময় আরও এক মাস বাড়ল কোম্পানি করদাতাদের এনবিআরের নতুন সিদ্ধান্ত ব্যাংক লেনদেনে ট্যাক্স আনার পরিকল্পনা ৮৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হবে তামাক কর সংস্কারে শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত স্কুলের বৈদ্যুতিক বাস আমদানিতে: এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান লিগ্যাল এইডের সরকারি খরচে ৩০ হাজার ৪১ জন শ্রমিককে আইনি সেবা প্রদান উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তিতে কর বসাতে চায় এনবিআর টিন সার্টিফিকেট বাতিল করবেন যে ভাবে আইনি প্রক্রিয়ায়

পরিপত্র জারি, পরিবর্তন করা হলো এজমালি সম্পত্তি ভাগাভাগি ও নাম জারি করার পদ্ধতি

  • Update Time : Thursday, September 11, 2025
  • 344 Time View

 “পরিপত্র অনুসারে” এজমালি (অবিভক্ত যৌথ মালিকানাধীন) সম্পত্তি ভাগাভাগি ও নামজারি করার পদ্ধতি কি হবে স্পষ্টভাবে ধাপে ধাপে:

সংশ্লিষ্ট পরিবর্তনসমূহের সারমর্ম:

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

বণ্টননামা দলিল ছাড়া নামজারি করা যাবে:
মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি বা স্থাবর সম্পত্তি যদি ওয়ারিশগণ চান, তাহলে তারা বণ্টননামা দলিল ছাড়াই ওয়ারিশ সনদের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে।

  1. যৌথ খতিয়ানে নামজারি:
    বণ্টন ছাড়া, সমস্ত ওয়ারিশের নাম একটি যৌথ খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। অর্থাৎ, মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির মোট অংশের বিপরীতে প্রত্যেক ওয়ারিশের অংশ (প্রাপ্য হিস্যা) উল্লেখ থাকবে।
  2. আপোষ বণ্টননামা দলিল বাধ্যতামূলক হবে যখন সম্পত্তি ভাগাভাগি করতে হবে:
    যদি ওয়ারিশরা চান পৃথক পৃথক খতিয়ানে ভাগাভাগি বা সম্পত্তির অংশ /হস্তান্তর করবে, তাহলে ‘আপোষ বণ্টননামা’ দলিল করতে হবে এবং তা রেজিস্ট্রেশন হবে।
  3. অবিভক্ত (এজমালি) সম্পত্তির ক্ষেত্রে সব ওয়ারিশকে সমানভাবে মালিকানায় দেখানো হবে:
    যদি পারস্পরিক সম্মতি না থাকে এবং ভাগ হয় নি, তাহলে খতিয়ানে সকল ওয়ারিশকে সমান হারে মালিকানা দেখানো হবে  যদিও পরবর্তীতে ‘আপোষ বণ্টননামা’ প্রক্রিয়া বা দলিল থাকলে সেই অনুযায়ী ভাগ নির্ধারণ করা যাবে।
  4. অবৈধ খতিয়ান সংশোধন, দখল, দলিল ফাঁকি দেওয়া এসবের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা:
    যদি কেউ নিজে দখল নিয়ে নিজের নামে খতিয়ান সংশোধন করে, কিংবা ভুয়া দলিল তৈরি হয় এবং দায়িত্ব থাকা অফিসারদের ভয় করে কাজ করা হয়, তাহলে নতুন নিয়ম অনুযায়ী এসবের জন্য অপরাধমুলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নতুন পদ্ধতির ধাপসমূহ:

নিচে ধাপে ধাপে পুরো পদ্ধতি দেওয়া হলো, যাতে বুঝতে সহজ হয় কি কি করতে হবে, কি কাগজ লাগবে, কোন অফিসে যেতে হবে:

ধাপক্রিয়াকি কাগজ লাগবে / কি প্রমাণ দেবে
. প্রস্তুতিওয়ারিশগণ একত্রে সিদ্ধান্ত নেবে তারা কি চান  বণ্টননামা করে পৃথক অংশ নেবে, নাকি শুধু ওয়ারিশ সনদ দিয়ে যৌথ খতিয়ানে নামজারি করবে।মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ওয়ারিশদের, ওয়ারিশ সনদ (স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান / পৌর মেয়র / ওয়ার্ড কমিশনার কর্তৃক)
. ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহপ্রয়োজন হলে ইউনিয়ন পরিষদ / পৌরসভা / সিটি কর্পোরেশন ওয়ার্ড অফিস থেকে ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করা হবে। এটি মৃত ব্যক্তি ও তার উত্তরাধিকারীদের সম্পর্ক প্রমাণ করে।প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র, মৃত ব্যক্তির বিভিন্ন দলিল (যদি থাকে), জন্ম ও মৃত্যু সনদ ইত্যাদি
. আবেদন দাখিলভূমি অফিস (এসি‐ভূমি)‑এ নামজারি বা রেকর্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। যদি প্রতিবাদ বা পার্টির কেউ চান পৃথক খতিয়ান বা বিক্রি করার উদ্দেশ্য থাকে, তাহলে আপোষ বণ্টননামা দলিল তৈরি করতে হবে ও রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।আবেদন ফরম, ওয়ারিশ সনদ, মৃতের মৃত্যু সনদ, পূর্বের খতিয়ান কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র, যদি বণ্টননামা হয় তাহলে বণ্টননামা দলিল ও রেজিস্ট্রেশন রসিদ ইত্যাদি।
. খতিয়ান প্রস্তুতআবেদন পাওয়ার পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) একটি যৌথ খতিয়ান তৈরি করবেন যেখানে মৃত ব্যক্তির মোট জমি উল্লেখ থাকবে ও প্রত্যেক ওয়ারিশের প্রাপ্য অংশ নির্ধারণ থাকবে (যদি যৌথ নামজারি হয়)।ভূমি অফিসের খতিয়ান রেকর্ড, খতিয়ান সংশোধনীর সম্ভাব্য খরচ ও ফি ইত্যাদি।
. নামজারি / সংশোধন বাস্তবায়নখতিয়ান তৈরি হলে নতুন নামজারি / রেকর্ড সংশোধন বাস্তবায়ন হবে; যদি বণ্টননামা দলিল করা হয়, অংশবিশেষ নামজারি হবে সেই অনুযায়ী।মালিকানা পরিবর্তন রেকর্ড, নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন যদি প্রয়োজন হয়, খরচ ও ফি পরিশোধ।
. বিক্রয় বা স্থানান্তর (যদি প্রযোজ্য)যদি ওয়ারিশরা বিক্রি করতে চান বা অংশ হস্তান্তর করতে চান, তখন অবশ্যই প্রমাণ থাকবে যে তারা ঠিক সেই অংশের মালিক। বণ্টননামা দলিল থাকলে কাজ সহজ হয়।বিক্রয় দলিল (sale deed), রেজিস্ট্রি দলিল, নতুন ওয়ারিশ ও ক্রেতার পরিচয়পত্র, NID ইত্যাদি, ওয়েব‐রেজিস্ট্রি ফি ও অন্যান্য কর/ট্যাক্স পরিশোধ।

কিছু বিষয় যা খেয়াল রাখতে হবে:

  • আপোষবণ্টননামা দলিল অবশ্যই আইনত রেজিস্ট্রি করতে হবে যদি এটি শুধুমাত্র মৌখিক বা লিখিত সম্মতি হয় কিন্তু রেজিস্ট্রি না হয়, ভবিষ্যতে সমস্যা হতে পারে।
  • দাগ (Plot / দাগ নং) যেই দাগ টা হবে, যদি বণ্টননামা দলিল হয়, পার্টি‑পার্টি ভাগ রাখা অনুযায়ী দাগ নির্ধারণ করা যেতে পারে। নয়তো খতিয়ানে পুরো দাগে যৌথ মালিকানা দেখানো হবে।
  • খরচ ফি  রেজিস্ট্রেশন খরচ, ভূমি অফিসের ফি, দলিল রচিতির খরচ থাকতে পারে।
  • আইনি বিষয় যদি কেউ bezwaar করে বা অভিযোগ থাকে, আদালত প্রক্রিয়ায় যেতে হতে পারে।
  • দলিলের নিরাপত্তা ভুয়া দলিল বা প্রক্রিয়াগত অসঙ্গতি এড়াতে দলিল যাচাই করা জরুরি।
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp