1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
March 31, 2026, 2:05 am
Title :
২০২৫-২৬ করবর্ষে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন ৪১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি করদাতা বাংলাদেশে এনবিআর কর্তৃক একজন সার্টিফাইড আয়কর আইনজীবী হওয়ার নিয়ম জাতীয় রাজস্ববোর্ড অনুমদিত বাংলাদেশে একজন আয়কর আইনজীবীর কাজ কী আইনগত ভাবে জাতীয় রাজস্ববোর্ড অধিভুক্ত আয়কর আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতা যে সব ভুল করা যাবে না আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময়ে আয়কর রিটার্ন ৩১ মার্চের পরেও দেওয়া যাবে, আবেদন করবেন যেভাবে কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার শেষ সময় ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে চলতি করবছরে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪০ লাখের বেশি করদাতা : এনবিআর ৩১ মার্চ ২০২৬ আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন, আরও ০৭ দিন অনলাইনে আবেদন করা যাবে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে

১০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনলেও রিটার্নের কাগজ দেখাতে হবে না

  • Update Time : Wednesday, August 6, 2025
  • 353 Time View

সঞ্চয়পত্র (NSC – National Savings Certificate) একটি জনপ্রিয় বিনিয়োগ মাধ্যম, যেটি মূলত নিরাপদ ও স্থিতিশীল রিটার্নের জন্য পরিচিত। সরকার সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে যে:

১০ লাখ টাকার নিচে সঞ্চয়পত্র কিনলে এখন আর আয়কর রিটার্নের (ITR) কাগজ দেখাতে হবে না।

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

মধ্যবিত্তের কথা চিন্তা করে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্র কেনায় বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র লাগবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে সরকার। রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দেখানোর বাধ্যবাধকতা উঠিয়ে দিয়েছে সরকার। জুনে ঘোষিত বাজেটে এই সুবিধা দেওয়া হয়। এরপর জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। চলতি সপ্তাহে এ বিষয়ে সঞ্চয় অধিদপ্তর থেকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে এ নির্দেশনা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 নতুন নিয়মে সুবিধা কী হলো?

. সহজে বিনিয়োগ করা যাবে:

আগে ১ টাকা বিনিয়োগ করলেও রিটার্নের কাগজ দিতে হতো। অনেক সাধারণ মানুষ যাদের আয়কর রিটার্ন নেই বা তারা করের আওতায় পড়ে না, তাদের জন্য সঞ্চয়পত্র কেনা কঠিন হয়ে পড়েছিল। এখন ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে এই বাধ্যবাধকতা না থাকায় তারা সহজেই বিনিয়োগ করতে পারবেন।

. গ্রামীণ জনগণ অবসরপ্রাপ্তদের জন্য উপযোগী:

অনেক অবসরপ্রাপ্ত মানুষ, গৃহিণী, প্রবাসী পরিবার বা কৃষিজীবীরা আয়কর রিটার্ন জমা দেন না। এই নিয়মে তারা এখন সহজে সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন।

. বিনিয়োগে উৎসাহ বাড়বে

যেহেতু প্রক্রিয়াটা সহজ হলো, অনেকেই আবার সঞ্চয়পত্রে আগ্রহী হবেন। এতে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ সংগ্রহেও সহায়তা হবে।

. সময় ঝামেলা কমবে

রিটার্নের কাগজ সংগ্রহ, জমা দেওয়া, ভেরিফিকেশন ইত্যাদির ঝামেলা এড়ানো যাবে। সাধারণ বিনিয়োগকারী সময় ও কষ্ট বাঁচাতে পারবেন।

 তবে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে:

  1. ১০ লাখ টাকার বেশি হলে অবশ্যই আয়কর রিটার্ন লাগবে।
  2. এই ছাড় কেবল সঞ্চয়পত্র কেনার সময় রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, অন্য ট্যাক্স সুবিধার ক্ষেত্রে নয়।
  3. TIN (Taxpayer’s Identification Number) থাকতে হবে সেটা বাধ্যতামূলক।

 কোন ধরনের সঞ্চয়পত্রে এই সুবিধা প্রযোজ্য?

এই ছাড় সাধারণত নিম্নোক্ত সঞ্চয়পত্রগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য:

  • ৫ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র
  • ৩ মাস অন্তর মুনাফা ভিত্তিক সঞ্চয়পত্র
  • পেনশনার সঞ্চয়পত্র
  • পরিবার সঞ্চয়পত্র

তবে সুনির্দিষ্ট তথ্যের জন্য আপনার নিকটস্থ পোস্ট অফিস বা ব্যাংক শাখা বা জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করতে পারেন।

এই সিদ্ধান্ত মূলত সাধারণ জনগণের জন্য ভালো একটি পদক্ষেপ। এতে করে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ আরও সহজ, সাশ্রয়ী এবং ব্যাপক পরিসরে সম্ভব হবে। বিশেষ করে যারা আয়কর রিটার্ন দেন না, তাদের জন্য এটা অনেক বড় সুবিধা।

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp