শুল্ক ছাড়ের পর খেজুরের দাম কমেছে-এর কোনো খবর স্থানীয় সংবাদগুলোর তথ্য (ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত) দেখে এমন কোনো স্পষ্ট ফল পাওয়া যাচ্ছে না বরং দাম কমার বদলে বৃদ্ধি পেয়েছে বা স্থিতিশীল থেকেছে নিচে বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হল:
শুল্ক ছাড়ের সিদ্ধান্তের বাস্তব প্রেক্ষাপট:
সরকার গত বছর রমজানকে সামনে রেখে খেজুর আমদানির শুল্ক (import duty) কমিয়েছে।
শুল্ক কমানোর ফলে আমদানি খরচ কিছুটা কমেছে, তবে এটি বাজারে দামের স্বাভাবিক কমে আসার পর্যায়ে পর্যাপ্ত প্রভাব ফেলেনি বলে বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ী মন্তব্য করেছেন।
বাজারে কি দাম কমেছে?
বর্তমান তথ্য অনুযায়ী খেজুরের দাম কমার খবর নেই।
বাস্তবে শুল্ক ছাড়ের পরেও:
অর্থাৎ শুল্ক কমানোর ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় পরিপূর্ণভাবে দাম কমে আসেনি।
কেন দাম কমেনি বা বাড়ছে?
1) চাহিদা অত্যধিক বৃদ্ধি:
রমজানের আগে খেজুরের চাহিদা সাধারণ সময়ে অনেক বেশি হওয়ায় দাম স্বাভাবিকভাবেই ঊর্ধ্বগামী থাকে।
2) শুল্ক ছাড়ের প্রভাব বাজারে সময় নিয়ে এসেছে:
শুল্ক ছাড়ের বিজ্ঞপ্তি ডিসেম্বরের, বাস্তবে কার্যকর হতে সময় লেগেছে, তাই সরবরাহ-মূল্য সম্পর্কিত পরিবর্তনটা দ্রুত বাজারে নাজুকভাবে প্রতিফলিত হয়নি।
3) মনিটরিং–প্রতিযোগিতা ঘাটতি:
তদারকির অভাব ও সিন্ডিকেটের মতো পরিস্থিতি থাকায় ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর প্রবণতা দেখাচ্ছেন বলে বাজার বিশ্লেষকরা মনে করেন।
সংক্ষেপে:
শুল্ক কমেছে (অথচ import duty কমানো হয়েছে)।
তবে দাম কমেনি বা বাজারে বাড়ছেই শুল্ক ছাড়ের সুফল এখনো বাজার পর্যায়ে পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়নি।
পরবর্তী পরিস্থিতি কি হবে?
সাধারণত সরকার আমদানির পাশাপাশি বাজার-মনিটরিং, অতিরিক্ত সরবরাহ ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে বলে, তাহলেই দাম স্থিতিশীল হতে পারে।
শুল্ক কমানোর সুফল দীর্ঘ মেয়াদে বেশি দেখা যায়, কিন্তু স্বল্প মেয়াদে অসুবিধা থাকতে পারে।
Leave a Reply