ইরানের সেনাবাহিনী ও ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) যে ‘রেডলাইন’ ঘোষণা করেছে, সেটির বিস্তারিত ব্যাখ্যা বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হল:-
ইরানে চলমান বিরাট জনঅভ্যুত্থান ও বিক্ষোভ শুরু হয়েছে অর্থ নৈতিক সংকট, মুদ্রা স্ফীতি ও জীবন যাত্রার ব্যয়ের কারণে এবং এরপর তা সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দাবিতে রূপ নিয়েছে।
এই বিক্ষোভ এখন কয়েক সপ্তাহ ধরে চলেছে এবং এতে দেশ ব্যাপী শতাধিক মানুষ নিহত ও নিরাপত্তা বাহিনীর উপর গোলা গুলি ও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রকাশ হচ্ছে।
রেড লাইন কী?
ইরানের বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) ঘোষণা করেছে যে দেশের নিরাপত্তা রক্ষা করা এবং রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা একটি সীমা বা‘রেডলাইন’, যা কোনও ভাবেই অতিক্রম করা যাবে না।
আইআরজিসির যৌথ বিবৃতি:
তারা বলেছেন যে গত রাত্রিগুলোতে “সন্ত্রাসীগোষ্ঠী” সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাচ্ছে, সরকারি সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ করছে এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের হত্যা করছে এবং এসবই রেডলাইনের লঙ্ঘন।
সেনাবাহিনীর অবস্থান:
ইরানের নিয়মিত সেনাবাহিনীও একই সাথে জাতীয় স্বার্থ, স্ট্রাটেজিক অবকাঠামো এবং জন সম্পত্তি রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
আধুনিক সংবাদসূত্র অনুযায়ী, ইরানি কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের কর্মকাণ্ডকে “দেশের নিরাপত্তাকে বিপন্ন করা” হিসেবে দেখছে এবং আইআরজিসি ও সেনাবাহিনীকে টার্গেট করার মতো আক্রমণগুলোকে একেবারেই অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করছে।
এই ‘রেড লাইন’ ঘোষণা শুধু একটি সতর্ক বার্তা নয়, বরং এটি ইঙ্গিত দেয় যে সেনাবাহিনী ও বিপ্লবী গার্ড বিক্ষোভ দমন ও কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে যদি পরিস্থিতি আরও উত্তেজিত হয়।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক কর্মকর্তারা ইরানের পরিস্থিতির প্রতি নজর দিচ্ছেন এবং কিছু বক্তব্যে ইরানের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে ক্ষমতাসীনদের পদক্ষেপ সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
Leave a Reply