1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
May 6, 2026, 1:04 pm
Title :
সিমেন্ট শিল্পের উদ্যোক্তাদের কাঁচামাল আমদানিতে অগ্রিম আয়কর হ্রাসের দাবি আইন পেশার মান আর ও উন্নত করতে চাই: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক রিটার্ন জমার সময় আরও এক মাস বাড়ল কোম্পানি করদাতাদের এনবিআরের নতুন সিদ্ধান্ত ব্যাংক লেনদেনে ট্যাক্স আনার পরিকল্পনা ৮৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হবে তামাক কর সংস্কারে শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত স্কুলের বৈদ্যুতিক বাস আমদানিতে: এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান লিগ্যাল এইডের সরকারি খরচে ৩০ হাজার ৪১ জন শ্রমিককে আইনি সেবা প্রদান উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তিতে কর বসাতে চায় এনবিআর টিন সার্টিফিকেট বাতিল করবেন যে ভাবে আইনি প্রক্রিয়ায়

আয়কর রিটার্ন‘শূন্য’ জমা দিলে কি জরিমানা হয়

  • Update Time : Sunday, February 22, 2026
  • 145 Time View

 ‘শূন্য’ আয়কর রিটার্ন (করযোগ্য আয় নেই/প্রদেয় কর ০ টাকা) জমা দিলে নিজে থেকে কোনো জরিমানা হয় না যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ও সঠিকভাবে দাখিল করা হয়। প্রযোজ্য আইন ও প্রশাসন: আয়কর আইন, ২০২৩; জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। নিচে আরও বিস্তারিত দেওয়া হলো। এখন অনেক করদাতা শূন্য রিটার্ন দেন। তাঁদের অনেকেই নিজের আয়-ব্যয়ের সঠিক তথ্য না দিয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার জন্য শূন্য রিটার্ন জমা দেন।কিন্তু মিথ্যা তথ্য দিয়ে শূন্য রিটার্ন দেওয়া হলে জেল ও জরিমানা হতে পারে। এনবিআরের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, যত রিটার্ন জমা পড়ে, এর মধ্যে ২৫-৩০ শতাংশ শূন্য রিটার্ন পড়ে। এখন সোয়া এক কোটির মতো কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) আছেন। তাঁদের মধ্যে ৪০-৪২ লাখ টিআইএনধারী প্রতিবছর রিটার্ন জমা দেন।

 কখনশূন্যরিটার্ন দেওয়া যায়?

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
  • আপনার করযোগ্য আয় করমুক্ত সীমার নিচে, অথবা
  • কর হিসাব শেষে প্রদেয় কর = ০ টাকা (রিবেট/ট্যাক্স ক্রেডিট/অ্যাডজাস্টমেন্টের পর)
  • আগাম কর/টিডিএস কাটা থাকলেও চূড়ান্ত হিসাবে কর শূন্য হলে।

অনেক ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল আবশ্যিক (টিআইএনধারী, নির্দিষ্ট আর্থিক লেনদেন, ব্যাংক ঋণ/ক্রেডিট কার্ড সীমা, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ইত্যাদি)। আয় কম হলেও তখন শূন্য রিটার্ন দিতে হয়।

জরিমানা কবে হবে, কবে হবে না?

 সময় মতোসঠিক ভাবে দিলে:

  • কোনো জরিমানা নেই।
  • রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা পূরণ হয়েছে ধরা হয়।

দেরিতে দিলে:

  • বিলম্ব জরিমানা প্রযোজ্য হতে পারে নির্দিষ্ট অর্থদণ্ড/শতকরা হারে (আইনে নির্ধারিত)।
  • কর বকেয়া না থাকলেও শুধু দেরির জন্য জরিমানা হতে পারে।
  • দীর্ঘ বিলম্বে অতিরিক্ত সারচার্জ/সুদ প্রযোজ্য হতে পারে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

 ভুল/তথ্য গোপন করলে:

  • ভুল তথ্য, আয় গোপন, বা ইচ্ছাকৃত ভ্রান্ত ঘোষণায় অর্থদণ্ড/অতিরিক্ত কর ধার্য হতে পারে।
  • গুরুতর ক্ষেত্রে মামলা/প্রসিকিউশনও হতে পারে।

 বাস্তব উদাহরণ:

  • চাকরিজীবী A: বার্ষিক আয় করমুক্ত সীমার নিচে, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলেন → জরিমানা নেই।
  • ব্যবসায়ী B: কর শূন্য, কিন্তু সময়সীমা পেরিয়ে জমা দিলেন → বিলম্ব জরিমানা হতে পারে।
  • ব্যক্তি C: ব্যাংক সুদ উল্লেখ করেননি → পরবর্তীতে রিভিশন/স্ক্রুটিনিতে ধরা পড়লে জরিমানা/অতিরিক্ত কর হতে পারে।

 কীভাবে নিরাপদ থাকবেন?

  • সব উৎসের আয় (ব্যাংক সুদ, ভাড়া, ফ্রিল্যান্স ইত্যাদি) উল্লেখ করুন even করমুক্ত হলেও।
  • প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করুন (বেতন স্লিপ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, টিডিএস সনদ)।
  • অনলাইনে দাখিল করলে Acknowledgement/রসিদ ডাউনলোড করে রাখুন।
  • ভুল বুঝতে পারলে সময়মতো সংশোধিত (রিভাইজড) রিটার্ন দিন।

 সারসংক্ষেপ:

  • সময়মতো শূন্য রিটার্ন = জরিমানা নেই।
  • দেরি/ভুল তথ্য = জরিমানা হতে পারে, কর শূন্য হলেও।
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp