1. lawyermanik@gmail.com : legalaidbd :
February 22, 2026, 10:27 pm

আয়কর রিটার্ন‘শূন্য’ জমা দিলে কি জরিমানা হয়

  • Update Time : Sunday, February 22, 2026
  • 56 Time View

 ‘শূন্য’ আয়কর রিটার্ন (করযোগ্য আয় নেই/প্রদেয় কর ০ টাকা) জমা দিলে নিজে থেকে কোনো জরিমানা হয় না যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ও সঠিকভাবে দাখিল করা হয়। প্রযোজ্য আইন ও প্রশাসন: আয়কর আইন, ২০২৩; জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। নিচে আরও বিস্তারিত দেওয়া হলো। এখন অনেক করদাতা শূন্য রিটার্ন দেন। তাঁদের অনেকেই নিজের আয়-ব্যয়ের সঠিক তথ্য না দিয়ে কর ফাঁকি দেওয়ার জন্য শূন্য রিটার্ন জমা দেন।কিন্তু মিথ্যা তথ্য দিয়ে শূন্য রিটার্ন দেওয়া হলে জেল ও জরিমানা হতে পারে। এনবিআরের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, যত রিটার্ন জমা পড়ে, এর মধ্যে ২৫-৩০ শতাংশ শূন্য রিটার্ন পড়ে। এখন সোয়া এক কোটির মতো কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) আছেন। তাঁদের মধ্যে ৪০-৪২ লাখ টিআইএনধারী প্রতিবছর রিটার্ন জমা দেন।

 কখনশূন্যরিটার্ন দেওয়া যায়?

নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী
  • আপনার করযোগ্য আয় করমুক্ত সীমার নিচে, অথবা
  • কর হিসাব শেষে প্রদেয় কর = ০ টাকা (রিবেট/ট্যাক্স ক্রেডিট/অ্যাডজাস্টমেন্টের পর)
  • আগাম কর/টিডিএস কাটা থাকলেও চূড়ান্ত হিসাবে কর শূন্য হলে।

অনেক ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল আবশ্যিক (টিআইএনধারী, নির্দিষ্ট আর্থিক লেনদেন, ব্যাংক ঋণ/ক্রেডিট কার্ড সীমা, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন ইত্যাদি)। আয় কম হলেও তখন শূন্য রিটার্ন দিতে হয়।

জরিমানা কবে হবে, কবে হবে না?

 সময় মতোসঠিক ভাবে দিলে:

  • কোনো জরিমানা নেই।
  • রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা পূরণ হয়েছে ধরা হয়।

দেরিতে দিলে:

  • বিলম্ব জরিমানা প্রযোজ্য হতে পারে নির্দিষ্ট অর্থদণ্ড/শতকরা হারে (আইনে নির্ধারিত)।
  • কর বকেয়া না থাকলেও শুধু দেরির জন্য জরিমানা হতে পারে।
  • দীর্ঘ বিলম্বে অতিরিক্ত সারচার্জ/সুদ প্রযোজ্য হতে পারে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

 ভুল/তথ্য গোপন করলে:

  • ভুল তথ্য, আয় গোপন, বা ইচ্ছাকৃত ভ্রান্ত ঘোষণায় অর্থদণ্ড/অতিরিক্ত কর ধার্য হতে পারে।
  • গুরুতর ক্ষেত্রে মামলা/প্রসিকিউশনও হতে পারে।

 বাস্তব উদাহরণ:

  • চাকরিজীবী A: বার্ষিক আয় করমুক্ত সীমার নিচে, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলেন → জরিমানা নেই।
  • ব্যবসায়ী B: কর শূন্য, কিন্তু সময়সীমা পেরিয়ে জমা দিলেন → বিলম্ব জরিমানা হতে পারে।
  • ব্যক্তি C: ব্যাংক সুদ উল্লেখ করেননি → পরবর্তীতে রিভিশন/স্ক্রুটিনিতে ধরা পড়লে জরিমানা/অতিরিক্ত কর হতে পারে।

 কীভাবে নিরাপদ থাকবেন?

  • সব উৎসের আয় (ব্যাংক সুদ, ভাড়া, ফ্রিল্যান্স ইত্যাদি) উল্লেখ করুন even করমুক্ত হলেও।
  • প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করুন (বেতন স্লিপ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, টিডিএস সনদ)।
  • অনলাইনে দাখিল করলে Acknowledgement/রসিদ ডাউনলোড করে রাখুন।
  • ভুল বুঝতে পারলে সময়মতো সংশোধিত (রিভাইজড) রিটার্ন দিন।

 সারসংক্ষেপ:

  • সময়মতো শূন্য রিটার্ন = জরিমানা নেই।
  • দেরি/ভুল তথ্য = জরিমানা হতে পারে, কর শূন্য হলেও।
নির্ভুল আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে NBR তালিকাভুক্ত
কর আইনজীবীর পরামর্শ নিন। মানিক দাস, কর আইনজীবী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2017 LegalAidBD
Theme Customized By BreakingNews
WhatsApp