এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) ভ্যাট ব্যবস্থাকে ১০০% ডিজিটাল করার লক্ষ্যে ২০২৬ সালের শুরুতে ভ্যাটের সব“কাগজ ভিত্তিক পেপার রিটার্ন”-কে অনলাইনে এন্ট্রি/ডিজিটাইজ করার বিশেষ উদ্যোগঘোষণা করেছে। এই উদ্যোগটি আগের মত VAT অফিসের কর্মীরা তথ্য সিস্টেমে ম্যানুয়ালি ঢোকানোর বদলে করদাতারানিজেই অনলাইনে পুরোনো রিটার্নগুলো সিস্টেমেএন্ট্রি করতে পারবেন যাতে ভ্যাট রিটার্ন সম্পূর্ণ ভাবে অনলাইনে জমা দেওয়া ও ব্যবস্থাপনা করা যায়।
কী হয়েছে:
এনবিআর e-VAT System-এ একটি নতুন সাব-মডিউলযোগ করেছে, যার নাম হলো“ Hard Copy Return Entry”।
এই সাব-মডিউলে করদাতারা নিজেই তাদের পুরোনো কাগজ ভিত্তিক VAT রিটার্ন গুলো অনলাইনে এন্ট্রি/আপলোড করতে পারবেন।
করদাতারা তাদের ই-VAT একাউন্টে লগইন করে পুরোনো কাগজভিত্তিক রিটার্নগুলো অনলাইনে এন্ট্রি করতে পারবেন কোন VAT অফিসে গিয়ে সময় নষ্ট করতে হবে না।
যারা সঠিক সময়ে (Section-64 অনুযায়ী) কাগজ ভিত্তিক রিটার্ন জমা দিয়েছিলেন, তারা এটি ৩১মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে এন্ট্রি করলে কোন ও Interest বা Penalty দিতেই হবে না।
কাগজভিত্তিক রিটার্নগুলো যত তাড়াতাড়ি সিস্টেমে এন্ট্রি হয়ে যাবে, তার পর থেকে করদাতা পরবর্তী সব VAT রিটার্ন অনলাইনে ঠিক ভাবে জমা দিতে পারবেন, বাধা বা অবরোধ ছাড়া।
ম্যানুয়াল ডেটা এন্ট্রি কমে যাবার ফলে মানবিক ভুলের সম্ভাবনা কমবে এবং তথ্য আরও নির্ভুলভাবে সিস্টেমে যাবে।
এ উদ্যোগ VAT ব্যবস্থাপনাকে পুরোটাই ডিজিটাল করে সরকারের কর ব্যবস্থাকে আরও ট্রান্সপারেন্ট ও দায়িত্বশীল করবে।
ধাপে ধাপে কার্যপ্রণালী (Circular অনুযায়ী):
অন্তিম সময়সীমা:
৩১মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত পুরোনো সব কাগজভিত্তিক VAT রিটার্ন অনলাইনে এন্ট্রি করার সুযোগ রয়েছে এর পর Interest/Penalty ছাড়াই এন্ট্রি সুবিধা পাওয়া যাবে না।
এনবিআর ভ্যাট ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল করতে কাজ করছে।
পুরোনো “কাগজভিত্তিক” VAT রিটার্নগুলোকে অনলাইনে এন্ট্রি করার জন্য “Hard Copy Return Entry” সাব-মডিউল চালু হয়েছে।
করদাতারা নিজেই অনলাইনে এই রিটার্নগুলো এন্ট্রি করতে পারবেন।
Interest বা Penalty ছাড়াই ৩১ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত এন্ট্রি করতে পারবেন।
এর ফলে ভবিষ্যতে সব VAT রিটার্ন অনলাইনে ধারাবাহিকভাবে দেওয়া যাবে।
Leave a Reply