২০২৫-২৬ অর্থবছরের (এ বছর) জন্য সর্বোচ্চ ট্যাক্স রিফান্ড/ট্যাক্স রিবেট (ও ফেরত) পাওয়ার সব সম্ভাব্য উপায় জানতে চান বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, তাহলে নিচে বিস্তারিতভাবে নিচে আলোচনা করা হল:
ট্যাক্স রিফান্ড বা ট্যাক্স রিবেট মানে:
✔ আপনি বছরে আয় বা ব্যবসার ওপর ট্যাক্স হিসেবে বেশি টাকা দেন বা কর্তন হয়
✔ পরে সেটি আয়কর/ভ্যাট কর্তৃপক্ষ থেকে ফেরত পেতে পারেন
✔ সাধারণত কর ফাইল করার পরে ফেরত (refund) আসে যদি বেশি ট্যাক্স দিয়ে থাকেন বা কোনো রিবেট/ছাড় দাবি করেন।
বাংলাদেশে ই-VAT রিফান্ড ডিজিটালি করা হচ্ছে এবং আয়কর রিফান্ডে অটোমেশন আসছে, ফলে আবেদন ও দ্রুত প্রক্রিয়াজাত সহজ হচ্ছে।
✔ সময়মতো ও ভুল ছাড়াই ই-রিটার্ন জমা দিতে হবে
✔ ভুল তথ্য/অনেক ক্ষেত্র বাদ দিলে ফেরত কম বা বিলম্ব হতে পারে
✔ ভুল ব্যাংক/বিআফটি তথ্য দিলে টাকা সময়মতো আসবে না বা ফিরতে পারে না ◆ এই ধরনের ভুল দেখা যায় দেশে অন্যান্য সিস্টেমে (যেমন অন্য দেশের ব্যবসা-ব্যক্তিগত ট্র্যাক্সের ক্ষেত্রে)
সময়মতো নির্ধারিত আয়ের বিস্তারিত, টিডিএস/উৎসে কর ও অন্যান্য করের তথ্য পূরণ করুন।
কিছু বিনিয়োগে এবং খরচে সরকার ট্যাক্স রিবেট দেয়, যেমন:
✔ DPS, খেলাপি জমা বা পেনশন স্কিমে বিনিয়োগ
✔ Life insurance, provident fund-এ নিয়মিত গেল অর্থ
✔ জাতীয় সেভিং সার্টিফিকেট, ট্রেজারি বন্ড ইত্যাদি
✔ অনুমোদিত দান/ভাল কাজে প্রদান (সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান/কাজে)
এই বিনিয়োগ/দান যথাযথ রসিদ সহ কর রিটার্ন-এ দেখালে রিবেট পাওয়ার সুযোগ বাড়ে।
এটি শুধুমাত্র “রিফান্ড” নয় বরং ট্যাক্স রিবেট/ছাড় যা সরাসরি আপনার ট্যাক্স দায় কমায়।
যে কর আপনার জন্য উৎসে কর্তন (TDS) হয়েছে সে তথ্য ঠিক রাখা ও রিটার্ন-এ দেখালে তা ফেরত হিসেবে আপনার কাছে আসতে পারে। ভুল বা বাদ গেলে ফেরত কম হতে পারে।
✔ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তথ্য ঠিক আছে কিনা
✔ পুরো বছর জুড়ে টিডিএস/Advance tax-এর বিবরণ ঠিকভাবে দেখানো হয়েছে কিনা
✔ বিনিয়োগ/ডিক্লেয়ারেড রসিদ সব আছে কিনা
এগুলো ভুল হলে রিফান্ড বিলম্ব বা কম হতে পারে।
রিফান্ড/রিবেটের সংখ্যা আপনার নীচের তিনটি’র মধ্যে সবচেয়ে কমটাই হবে (Bangladesh context-এ):
📌 ট্যাক্সযোগ্য আয় × নির্দিষ্ট রেট
📌 বিনিয়োগের উপর সরকার নির্ধারিত ছাড়
📌 সর্বোচ্চ নির্ধারিত সীমা
যদি আপনি:
✔ বছরের শুরু থেকেই পরিকল্পিতভাবে বিনিয়োগ করেন
✔ করযোগ্য আয় কমে আসে
✔ যথাযথ রসিদ/ডকুমেন্ট রাখেন
তবে রিটার্ন-এ বড় রিবেট দাবি করতে পারবেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড(NBR) ইতোমধ্যেই VAT রিফান্ড অটোমেটেড করেছে এবং Income Tax রিফান্ড ও অটোমেটিক করার পরিকল্পনা করছে, যাতে দ্রুত টাকা ব্যাংকে পৌঁছায়।
এটির মাধ্যমে:
✔ ম্যানুয়াল যাচাই কমবে
✔ আবেদন পেতে এবং টাকা পেতে সময় কমে যাবে
✔ জটিলতা কমে যাবে (যদিও কিছু ব্যবসায়ীরা এখনও সমস্যার কথা বলছেন)
প্রতারণা/স্প্যাম থেকে সাবধান: বেশ কিছু জায়গায় “রিফান্ড পেতে এই লিংক-এ ক্লিক করুন” জাতীয় মেসেজ আসতে পারে এগুলোতে ক্লিক করবেন না। সরকার কখনও ফোন/ইমেইলে এমন বার্তা দেয় না।
দ্বৈত তথ্য (যেমন ভুল রসিদ/অব্যবহৃত ব্যাংক তথ্য) ব্যবহার করলে রিফান্ড কম হতে পারে।
Leave a Reply