বাংলাদেশে অনলাইনে (ই-রিটার্ন) কর রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক করদাতা পরীক্ষায় পড়েছেন, এবং কেন্দ্রীয় কর কার্যালয়ের “ই-রিটার্ন সহায়তা বুথগুলো”তে অনেকে খোঁজ পেলেও তারা ফাঁকা বা কার্যকরভাবে সহায়তা পাচ্ছে না, এমন
সম্প্রসারিত সময়সীমা: ✔ নতুন সময়সীমা: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ই-ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করা যাবে।✔ এটিই শুধুমাত্র জানুয়ারি ২০২৬ মাসের ভ্যাট রিটার্নের জন্য বিশেষভাবে দেয়া সময় বাড়ানো।✔ এই সময়সীমার বাইরে রিটার্ন
বাংলাদেশে বর্তমানে ৫ লাখ টাকার কম সঞ্চয়পত্র কিনলেও সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের সুদের ওপর উৎসে কর (Withholding Tax) কাটা হয়। অর্থাৎ পরিমাণ কম হলেই করমুক্ত হবে এমন কোনো বিধান এখন নেই।
বাণিজ্য সম্পর্ক/চুক্তি আলোচনার এক ধাপ এগিয়ে (interim trade deal framework) এসেছে, যেখানে বাংলাদেশের মতোই ভারতের তৈরি পোশাক খাতও মার্কিন বাজারে বিশেষ শুল্ক সুবিধা পেতে পারে কিন্তু সেটা সম্পূর্ণ এবং সাধারণ
আয়কর e-Return জমা দেওয়ার সময় কিছু নির্দিষ্ট ভুল করলে রিটার্নInvalid / বাতিল হয়ে যেতে পারে বা পরে নোটিস/জরিমানা আসতে পারে। নিচে গুরুত্বপূর্ণ ভুলগুলো বিস্তারিতভাবে নিচে আলোচনা করা হল:- TIN সংক্রান্ত
নতুন ট্যাক্স ফাইল (প্রথমবার আয়কর রিটার্ন জমা) করতে গিয়ে যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয় সেগুলো একটু গুছিয়ে, বাস্তব উদাহরণসহ দিচ্ছি। এগুলো জানলে শুরুতেই অনেক ঝামেলা এড়ানো যায়। ভুল বা অসম্পূর্ণ
কর ফাঁকি করলে একজন করদাতা সাধারণত ৫টি স্তরে সমস্যায় পড়েন: প্রশাসনিক, আইনি, আর্থিক, সামাজিক ও ভবিষ্যৎ ঝুঁকি। ১) কর কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক ব্যবস্থা: কর ফাঁকি ধরা পড়ার পর প্রথম ধাক্কাটা এখানেই
২০২৬-২০২৭ করবর্ষে (বাংলাদেশ) ব্যক্তিগত আয়কর কর স্ল্যাব ও রিটার্ন দিতে কোন ব্যক্তিরা বাধ্য, কী শর্ত প্রযোজ্য বিস্তারিত ও অনলাইন দাখিল সম্পর্কেও সংক্ষিপ্ত-সুলভভাবে ব্যাখ্যা করা হলো: ২০২৬–২০২৭ করবর্ষ (FY 2026-27): সাধারণ
আয়কর আইনে ধনসম্পদ(Assets) মানে হলো করবর্ষ শেষ তারিখে (সাধারণত ৩০ জুন) আপনার কাছে যা যা মজুত আছে। আয়কর রিটার্নে ধনসম্পদ ও গহনা কতটুকু দেখানো উচিত , বিস্তারিত নিচে আলাচনা করা
আজ (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) মার্কিন ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার সংবাদ (চুক্তি মূলত পাল্টা শুল্ক / reciprocal tariff agreement)। এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের